সফর ১৪৪৮   ||   আগস্ট ২০২৬

খবর... অতঃপর...

r ৩ মিনিটের বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রীকে ৮৬ বার ‘স্যার’ বললেন কৃষি কর্মকর্তা

সিলেটের একটি সরকারি অনুষ্ঠানে মাত্র তিন মিনিটের বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে ৮৬ বার ‘স্যার’ বলে সম্বোধন করে আলোচনায় এসেছেন সিলেট সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ শওকত জামিল। বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।

শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেলে সিলেট সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে বহুমুখী সরকারি অনুদান, পুরস্কার ও বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

ইত্তেফাক, ৪ জুলাই ২০২৬

= এ দেশ ভৌগলিকভাবে বারবার স্বাধীন হলেও ব্রিটিশদের রেখে যাওয়া গোলামী ব্যবস্থায় এখানকার প্রশাসন ও আমলাতন্ত্র যে এখনও আবদ্ধ রয়েছে, এই ঘটনা তারই একটি নমুনা।

r তাঁরা একটু অপেক্ষা করুন : আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) বিচার না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, বিচারে যদি দেখা যায়, তাঁদের নিষিদ্ধ করা হচ্ছে না। তাহলে তাঁরা কর্মকাণ্ড করতে পারবেন। বিষয়টি আদালতের এখতিয়ার বলে উল্লেখ করেন তিনি।

প্রথম আলো, ৭ জুলাই ২০২৬

= এত মিষ্টি মিঠাই মধু ভরা মুখের লোকদের এই দেশের জনগণ সম্ভবত এখন আর সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দেখতে চায় না। যারা এত ভদ্রতা দেখাতে চান, ইতিহাসের নিকৃষ্টতম স্বৈরাচার এবং ফ্যাসিবাদের দোসরদের এত ভদ্রভাবে ডিল করতে চান, তাদের সরকারের মসনদ অলংকৃত না করে, নিজেদের কাম-কাজ নিয়ে আলাদা থাকাই ভালো। জনগণ ফ্যাসিবাদীদের সাথে এত ভদ্র কথা শুনতে চায় না।

যে দলটিকে আদালতের রায় পেলে রাজনীতি ও নির্বাচন করার অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে, দল হিসেবে সেটির কোনো অস্তিত্ব আদৌ কি বাংলাদেশে আছে? ওই দলের সভাপতি, সেক্রেটারি, প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক মন্ত্রী, সাবেক এমপি অথবা কেন্দ্রীয় কমিটির কোনো সদস্য কি দলীয় পরিচয়ে এদেশে উপস্থিত আছে? যারা সদলবলে গোষ্ঠীসহ দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, তাদেরকে রাজনীতি বা নির্বাচন করতে দেওয়ার কথা বা দাবি যারা ওঠাচ্ছে, তাদেরকেই বরং আইনের আওতায় আনা দরকার বলে দেশের জনগণ মনে করে।

r দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শুরু হলো নবনির্বাচিত শিল্পী সমিতির দায়িত্ব গ্রহণ

কালবেলা ফেসবুক পেইজ, ৮ জুলাই ২০২৬

=মোনাজাতকে দেখা যাচ্ছে এখন ফ্যাশন বানিয়ে ফেলা হয়েছে। মোনাজাত হল আল্লাহ তাআলার কাছে একান্তে চাওয়া। মানুষ আল্লাহ তাআলার কাছে অবৈধ বা গোনাহের কিছু চাইতে পারে না; বরং গোনাহ ও অবৈধ কাজ থেকে পরিত্রাণ চায় এবং ক্ষমা চায়। যে মোনাজাতে আল্লাহর কাছে হারাম কিছু চাওয়া হবে, গোনাহের কিছু চাওয়া হবে, সেই ধরনের মোনাজাতে ঈমান চলে যাওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে বলে আলেমগণ বলে থাকেন।

এই ধরনের মোনাজাতের আয়োজন করা এবং যে মাওলানা নামধারী লোকেরা এ ধরনের মোনাজাত করান, তাদেরও বিষয়গুলো ভেবে দেখা উচিত ছিল।

r মন্ত্রীদের বৈঠকে যোগ দিতে দেরি, মাঝপথে সমাপ্ত হল প্রশ্নোত্তর পর্ব

বিরতির পর যথাসময়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা সংসদ অধিবেশনে যোগ না দেওয়ায় প্রশ্নোত্তর পর্ব নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ করতে হয়েছে। আজ বুধবার জাতীয় সংসদের বৈঠকে আসরের নামাজের বিরতির পর এ ঘটনা ঘটে।

বিরতির পর বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে আবার বৈঠক শুরু হয়। এ সময় সভাপতির আসনে আসেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। তিনি কিছু সময় অপেক্ষা করেন। এরপর তিনি বলেন, ‘এখন যেহেতু মাননীয় মন্ত্রীদের কাছে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা ও উত্তর। দুঃখজনকভাবে যেসব মন্ত্রী মহোদয়ের জন্য প্রশ্ন ছিল, তাঁরা কেউ এ হাউসে উপস্থিত নেই। যে কারণে আমরা প্রশ্ন-উত্তর পর্বটা এখানে সমাপ্ত ঘোষণা করছি।’

প্রথম আলো, ৮ জুলাই ২০২৬

= সংসদকে অবহেলা করার মতো প্রবণতা বিভিন্ন সরকারের আমলেই দেখা যায়। এটি খুবই জঘন্য ব্যাপার। যে মন্ত্রীদের যেদিন প্রশ্নোত্তর থাকবে, তাদের অবশ্যই সময়ের আগে পুরো সময় নিয়ে উপস্থিত থাকা দরকার। জাতির কাছে জবাবদিহিতার ন্যূনতম মানসিকতা অন্তত থাকা দরকার এবং সংসদের সময় অপচয় করা থেকে বিরত থাকা দরকার। সংসদের এক মিনিটে যে লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় হয়, সেটা সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের কানে মাইক লাগিয়ে হলেও বারবার বোঝানো দরকার। সরকার প্রধানের এই ধরনের ক্ষেত্রে সরাসরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করেন অনেকেই।

r বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে সমর্থন নেতানিয়াহুর

ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এ আর্জেন্টিনাকে সমর্থন জানিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এছাড়া ইসরাইলপন্থি অবস্থানের কারণে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেকে বারবার প্রশংসায় ভাসিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি একটি পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে ফুটবল কিংবদন্তি লিওনেল মেসির চেয়ে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলের বন্দনাতেই বেশি মুখর নেতানিয়াহু। ইসরাইলের প্রতি অটল সমর্থনের কারণে মিলেকে আর্জেন্টিনার ‘আসল সুপারস্টার’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন তিনি।

যুগান্তর, ১০ জুলাই ২০২৬

= যত দিন যাচ্ছে ফুটবল খেলা নিয়ে উন্মাদনা বাড়ছেই। এই উন্মাদনা সৃষ্টির পেছনের কারিগর যে পুঁজিবাদীরা, তা তো আর ব্যাখ্যা করে বলার প্রয়োজন নেই। তাদের দ্বারা গঠিত দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মিডিয়াগুলো খেলার জ্বরের তাপ প্রতিনিয়ত বাড়িয়ে চলেছে। দেশ-বিদেশের যত গুরুত্বপূর্ণ খবরই এখন থাকুক বা যত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ই সামনে আসুক সেগুলো এই এক-দুই মাস গৌণ থাকছে। সবার আগে খেলার খবর। সবার আগে খেলা নিয়ে উন্মাদনা। ৯০ মিনিটের খেলা তো নয়; এ যেন মানুষের ইহজগৎ ও পরজগতের মুখ্য উদ্দেশ্য। অথচ এর পেছনে যে শুধুই টাকা আর টাকা, কোনোক্রমেই আর বিনোদন মুখ্য নয় তা তো অনেকটাই স্পষ্ট।

এমনভাবে উন্মাদনা তৈরি করা হচ্ছে, খেলা মানুষের জীবন থেকেও বেশি মূল্যবান হয়ে যাচ্ছে। খেলা নিয়ে তর্ক বিতর্ক থেকে ঝগড়া, মারামারি এমনকি হত্যার মত জঘন্য ঘটনাও ঘটছে। যে বাংলাদেশ বিশ্বকাপে কখনও জায়গা পায়নি এবং ভবিষ্যতে জায়গা পাবে বলেও কেউ মনে করে না, সে দেশে বিশ্বকাপ এলেই বহু মানুষের মৃত্যু ঘটে। এবারও এক দলের সমর্থক অন্য দলের সমর্থকদের পিটিয়ে হত্যা করেছে। আর পতাকা টানাতে গিয়ে নিহত হওয়া, খেলা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক, মারামারি তো সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এরই মধ্যে নতুন যোগ হয়েছে আর্জেন্টিনা প্রসঙ্গ। আর্জেন্টিনা অন্য আট-দশটি দলের মতোই একটি দল, যারা ফুটবল খেলে। কিন্তু বাংলাদেশে আর্জেন্টিনাকে নিয়ে যে উন্মাদনা এবং আর্জেন্টিনার পতাকায় বাংলাদেশ ছেয়ে যাওয়া শুধু দৃষ্টিকটুই নয়; আমাদের জাতীয় চরিত্র এবং গণ মানুষের চেতনার একটি নেতিবাচক প্রভাব বিশ্বমঞ্চে ফুটিয়ে তোলে। খোদ আর্জেন্টিনায়ও এতগুলো পতাকা কখনও ওড়ে না, যত পতাকা আর্জেন্টিনার খেলার জন্য এদেশে ওড়ানো হয়। অথচ আর্জেন্টিনা শুধু একটি ফুটবল দল নয়। আর্জেন্টিনা দল এবং দলের নামকরা খেলোয়াড়দের সাথে ইসরাইলের সম্পর্ক তো বেশ পুরোনো। নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক বক্তব্যে বিষয়গুলো নতুন করে আরও স্পষ্ট হচ্ছে।

এখন ইউরোপিয়রাই বলছে, আর্জেন্টিনাকে জেতানোর জন্য পুরো টুর্নামেন্ট কমিটি উঠে পড়ে লেগেছে। আর্জেন্টিনাকে জেতানোর জন্য রেফারিরা সব সময় মুখিয়ে থাকে। আর্জেন্টিনার কোনো খেলাই বিতর্ক থেকে বাদ যাচ্ছে না।

আমরা কত বৈপরীত্যের মধ্যে বাস করি। একদিকে এই দেশের জনগণ এবং বিশ্বের বহু মানুষ মজলুম গাজাবাসীর পক্ষে দখলদার ইসরাইলকে তুলোধুনা করে। তাদের বিরুদ্ধে মিছিল মিটিং করে। তাদের পণ্য বয়কট করে। অন্যদিকে ইসরাইল সমর্থক এবং ইসরাইলীদের সহযোগিতা পাওয়া একটি দলের জন্য এদেশের কিছু নির্বোধ জীবন দিয়ে দেয়, অন্য দলের সমর্থকদেরকে পিটিয়ে হত্যা করে। এই বিপরীতমুখী চরিত্র একটি জাতিকে কত নিচে নিয়ে যায় তা নিয়ে ভাবা দরকার।

সমাজের গুণীজনদেরও যুবক ও তরুণ শ্রেণিকে এগুলো ভালোভাবে বোঝানোর চেষ্টা করা দরকার। বিশেষত যে মিডিয়া জগৎ এই উত্তাপে হাওয়া দিতে থাকে, তাদেরও নিয়ন্ত্রিত হওয়া দরকার। যদিও বললেই তারা নিয়ন্ত্রিত হবে না। কারণ এটার মূল যারা, যাদের মূল স্বার্থ এই টুর্নামেন্টগুলো দিয়ে উদ্ধার হয়, মিডিয়া জগতের অনেকেই তাদেরই দোসর। সেই পুঁজিবাদীরাই এগুলোর প্রসার করে। এই উত্তাপ সৃষ্টি করে। মিডিয়া জগৎও তারাই পরিচালনা করে। এজন্য কে কোথায় প্রাণ হারাল, কোথায় জাতীয় ইজ্জত নষ্ট হল এসব নিয়ে তাদের কোনো মাথা ব্যথা নেই। তারা বরং এগুলোকে কীভাবে বৃদ্ধি করবে, সে চেষ্টায় আছে।

r ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে এক শূণ্য গোলে জয়ী হয়ে নতুন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন।

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পত্র-পত্রিকা, ২০ জুলাই

= খেলা নিয়ে তো বেশি কিছু বলার নেই। অযথা সময় নষ্ট করা। তবে আর্জেন্টিনার পরাজয়ে নেতানিয়াহু, ইসরাইল ও সকল জায়নবাদীর মনঃকষ্টটা হয়তো ফিলিস্তিনবাসী ও ফিলিস্তিনের প্রতি দরদীরা অনেকদিন উপভোগ করবে।

r সংসদ সদস্যকে দিয়ে ‘উদ্বোধনী অনুষ্ঠান’ করিয়ে সাড়ে তিন কিলোমিটার সড়কের ইট চুরি

সাড়ে তিন কিলোমিটার পুরোনো ইটের রাস্তা পাকা করা হবে—এমন কথা বলে আয়োজন করা হয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। তাতে উপস্থিত হন সংসদ সদস্য, দলীয় নেতা-কর্মী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি। সবাইকে মিষ্টিমুখ করিয়ে উন্নয়নকাজ ‘শুরু’ করা হয়। পরদিন থেকেই একে একে রাস্তার সব ইট তুলে ফেলা হয়।

তবে এরপর আর কাজ এগোয়নি। কথিত ঠিকাদার ও তার লোকজনকেও এলাকায় দেখা যায়নি। পরে এলাকাবাসী বুঝতে পারেন, পাকা রাস্তা নির্মাণের নামে আয়োজনটি ছিল সাজানো; উদ্দেশ্য ছিল পুরোনো রাস্তার ইট চুরি করে নিয়ে যাওয়া।

জামালপুর সদর উপজেলার রশিদপুর ইউনিয়নের গজারিআটা গ্রামে গত মে মাসে এই ঘটনা ঘটে। একই কায়দায় আরেকটি সড়কের ইট চুরির চেষ্টার সময় গত ১৬ জুন ওই চক্রের ১১ সদস্যকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিনব এই চুরি নিয়ে সম্প্রতি ফেসবুকে লেখালেখি করায় বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।

প্রথম আলো, ১২ জুলাই ২০২৬

= এসকল চোর-বাটপারদের ধোলাই করার জন্য শুধু প্রশাসনের দিকে তাকিয়ে থাকা উচিত নয়। জনগণেরও প্রতিরোধ গড়ে তোলা উচিত। সাড়ে তিন কিলোমিটার রাস্তার ইট উঠিয়ে নেওয়া তো আর অল্প সময়ে সম্ভব হয় না। নাগরিকেরা সচেতন না হলে তো এভাবে একদিন দেশও উঠিয়ে নিয়ে চলে যাবে কেউ। সাড়ে তিন কিলোমিটারের ইট কীভাবে নিয়ে চলে যায়?! নাগরিকদের সচেতনতা এসকল ক্ষেত্রে অতীব জরুরি।

r নরসিংদীতে ব্যবসায়ীর কান কামড়ে বিএনপি নেতা বললেন, ‘এলাকা ছাড়’

প্রথম আলো, ১৪ জুলাই ২০২৬

= এরা তো নেতা নয়। আসলে এরা নরপশু। বিএনপির হাই কমান্ড এই ধরনের লোকদের ক্ষেত্রে তৎক্ষণাৎ কঠোর পদক্ষেপ না নিলে জনগণের বিরাগভাজন হতে বেশি সময় লাগবে না।

r সেতুর টোল মওকুফের সুযোগ কম: সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যারা মেম্বার অফ পার্লামেন্ট নির্বাচিত হয়েছি, তারা নির্বাচনের আগে অধিকাংশ জায়গায় টোল মওকুফের কথা বলেছি। হয়তো নির্বাচিত হওয়ার স্বার্থে জনমত গঠনের জন্য তা বলেছি। যোগাযোগ মন্ত্রণালয় সেতু নির্মাণ করে ও সেতু ব্যবস্থাপনা করে। কিন্তু টোল আদায় হচ্ছে রাজস্ব বিষয়, যা অর্থনৈতিক বিভাগ কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত।

যুগান্তর, ১৪ জুলাই ২০২৬

= রাজনৈতিক নেতারা রাজনীতি ও মিথ্যাচারকে একাকার করে ফেলেছেন। একটাকে অন্যটার জন্য অপরিহার্য বানিয়ে ফেলেছেন। এগুলো যারা করে তাদের হীন চরিত্রই শুধু মানুষের সামনে আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সমস্যাটা হচ্ছে অন্য জায়গায়। সেটা হল, এদের এমন চরিত্র জানার পরেও আত্মভোলা সাধারণ জনগণ আবার তাদের পেছনে হাঁটে! আবার তাদের পক্ষে মিছিল করে! আবার তাদেরকে ভোট দেয়!

r ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভের বিস্ফোরণ ছিল জুলাই গণ অভ্যুত্থান : রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, জুলাই গণ অভ্যুত্থান ছিল দীর্ঘদিনের বৈষম্য, দুর্নীতি, গুম-খুন, ভোটাধিকার হরণ এবং নিপীড়ন ও ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে আপামর জনগণের ক্ষোভের বিস্ফোরণ। ১৬ জুলাই রংপুরে আবু সাঈদের প্রসারিত হাত ও গুলিবিদ্ধ হয়ে শাহাদাতবরণ; একই দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকজন তরুণের আত্মাহুতি আন্দোলনকে দেয় এক নতুন মোড়, দেয় তীব্র মাত্রা। জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি বুধবার এসব কথা বলেন।

আমার দেশ, ১৫ জুলাই ২০২৬

= সঙ্গে একথা যোগ করলে ভালো হত, ফ্যাসিবাদী সরকারের সময় রাষ্ট্রপ্রধান থেকে আমি সহযোগী ছিলাম বিধায় দুঃখিত। জাতির কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। রাষ্ট্রপতি একথাটা বললে তার বক্তব্য পূর্ণতা পেত।

 

প্রতিবেশী রাষ্ট্র

r গণপিটুনিতে এক ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনায় গোরক্ষকদের সাজা দিয়ে বিপাকে বিচারক

ভারতে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ১৪ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই অনলাইনে তীব্র আক্রমণ ও প্রাণনাশের হুমকিতে পড়েছেন একজন মুসলিম বিচারক। তাবাসসুম খান নামের এই বিচারক মধ্যপ্রদেশের একটি আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ।

গত ১২ জুন হত্যাকাণ্ড, হত্যাচেষ্টা, দাঙ্গা এবং অবৈধভাবে আটকে রাখাসহ বিভিন্ন অভিযোগে ওই ১৪ ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন এই বিচারক।

আসামিদের সাজা হয়েছে ২০২২ সালের একটি ঘটনায়। ৫০ বছর বয়সি নাজির আহমদ রাতে গবাদিপশু নিয়ে যাচ্ছিলেন। পথে লাঠিসোঁটা ও লোহার রড হাতে একদল স্বঘোষিত ‘গোরক্ষক’ তাঁর পথ আটকায়।

গরু পাচারের সন্দেহে ওই ব্যক্তিরা নাজির আহমদ ও তাঁর সঙ্গে থাকা আরও দুজনকে গাড়ি থেকে নামিয়ে নির্মমভাবে মারধর করেন। পরে গুরুতর আহত নাজির আহমদের মৃত্যু হয়। তবে তাঁর দুই সঙ্গী বেঁচে যান এবং আদালতে সেদিনের ঘটনায় সাক্ষ্য দেন।

প্রথম আলো, ১২ জুলাই ২০২৬

= বিজেপি ও নরেন্দ্র মোদির ভারত বলে কথা! এখানে গোরক্ষকদের সাজা দেবে এমন সাধ্য কার? এভাবে হুমকি ধমকি দিয়ে ভবিষ্যতে ন্যায় বিচারের সকল পথ রুদ্ধ করাই তাদের উদ্দেশ্য।

 

আন্তর্জাতিক

r সিআইএ এজেন্ট সেজে ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে বিলিয়ন ডলারের চুক্তি ভারতীয় ব্যবসায়ীর

নিজেকে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র এজেন্ট পরিচয় দিয়ে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো ও তার ঘনিষ্ঠ মহলের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যবসায়ী গৌরব শ্রীবাস্তব। এই পরিচয়ের জোরেই তিনি বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের বেশ কয়েকটি প্রাথমিক প্রতিরক্ষা চুক্তি বাগিয়ে নেন, যদিও শেষ পর্যন্ত জালিয়াতি ফাঁস হওয়ায় চুক্তিগুলো বাতিল হয়ে যায়।

বাংলা ট্রিবিউন, ৬ জুলাই ২০২৬

= মোদির দেশের লোকেরা নির্যাতন, প্রতারণা শুধু নিজ দেশেই অব্যাহত রাখছে না; বরং বিভিন্ন দেশের সাথেই তাদের ব্যবসায়ীরা এমন আচরণ, এমন কাজ করছে, যার দ্বারা বিভিন্ন দেশের সরকার ও জনগণ প্রতারিত হচ্ছে। বাংলাদেশও বিগত সময় ওইদেশীয় ব্যবসায়ীদের দ্বারা প্রতারিত হয়েছে বহু মানুষ। এখন তো একেবারে আমেরিকান এজেন্ট সেজেছে সে দেশের লোকেরা। নরেন্দ্র মোদির দেশের লোক বলে কথা!

r নিজের নাম থেকে বাবার পদবি মুছে ফেললেন নেতানিয়াহুর ছেলে

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বড় ছেলে ইয়াইর নেতানিয়াহু নিজের নাম ও পদবি পরিবর্তন করেছেন বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ। পত্রিকাটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত প্রায় দেড় বছর ধরে তিনি সরকারি নথিতে ইয়োনাতান হান নামে নিবন্ধিত রয়েছেন।

হারেৎজের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলের কর কর্তৃপক্ষের নথি পর্যালোচনা করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত করসংক্রান্ত নথিতে তার নাম ছিল ইয়াইর নেতানিয়াহু। তবে চলতি বছরের নথিতে একই পরিচয় নম্বরের বিপরীতে ইয়োনাতান হান নাম দেখা গেছে।

সমকাল, ১১ জুলাই ২০২৬

= যুদ্ধবাজ জালিমদের আসল শাস্তি তো পরকালে অপেক্ষা করছে। এগুলো দুনিয়ায় তাদের অপদস্থ হওয়ার সামান্য নমুনা। এ ধরনের ইহুদীদের ক্ষেত্রেই কুরআনে ইরশাদ হয়েছে

ضُرِبَتْ عَلَيْهِمُ الذِّلَّةُ اَيْنَ مَا ثُقِفُوْۤا اِلَّا بِحَبْلٍ مِّنَ اللهِ وَ حَبْلٍ مِّنَ النَّاسِ وَ بَآءُوْ بِغَضَبٍ مِّنَ اللهِ.

তাদেরকে যেখানেই পাওয়া যাক, তাদের ওপর লাঞ্ছনার ছাপ মেরে দেওয়া হয়েছে... সূরা আলে ইমরান (০৩): ১১২

r সফরে এসে আফগানমন্ত্রী

মনে হচ্ছে ভারত আমাদের দেশ, আমাদের ডিএনএ অভিন্ন

ভারতের প্রথম সফরে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন আফগানিস্তানের কৃষি, সেচ ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মৌলভি আতাউল্লাহ ওমারি। নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ভারত-আফগানিস্তান বাণিজ্য ও শিল্পবিষয়ক এক বৈঠকে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, এটি তার প্রথম ভারত সফর এবং এখানে এসে তিনি আন্তরিক অভ্যর্থনা পেয়েছেন। ভারতীয় কর্মকর্তাদের উষ্ণ আতিথেয়তায় তিনি মুগ্ধ হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন।

আফগান মন্ত্রী বলেন, ভারতীয় কর্মকর্তাদের আন্তরিক আচরণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ আমাকে নিজের ঘরের মতো অনুভূতি দিয়েছে। তিনি বলেন, আমরা একই ডিএনএ-র মানুষ। তিনি এ উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য ভারত সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

আমার দেশ, ১২ জুলাই ২০২৬

= এমন বক্তব্য বর্তমান আফগান কোনো মন্ত্রীর পক্ষ থেকে নতুন কিছু নয়। এর আগেও দিল্লি সফরে এসে তারা নরেন্দ্র মোদি এবং ভারতের সাথে এমন আন্তরিকতার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন। এটা শত্রুর শত্রুকে নিজের আপন বানিয়ে নেওয়ার চিন্তা থেকে হয়তো তারা করে যাচ্ছেন। কিন্তু এক্ষেত্রে আরও দূরদর্শিতার পরিচয় দেওয়া ও ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করারও প্রয়োজন আছে কি না তা-ও ভাবা দরকার।

গ্রন্থনা : ওয়ালিউল্লাহ খান

 

 

advertisement