যিলহজ্ব ১৪৪৭   ||   জুন ২০২৬

খবর... অতঃপর...

r খুলনায় ‘নিজের অস্ত্রের গুলিতে’ পুলিশ সদস্য নিহত

পুলিশ সুপার আহমেদ মাঈনুল হাসান বলেন, সম্রাট বিশ্বাস একজন ভালো ও কর্মঠ কনস্টেবল হিসেবে পরিচিত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, পারিবারিক বিভিন্ন কারণে তিনি হতাশায় ভুগছিলেন। তবে এ বিষয়ে তিনি সহকর্মীদের কাছে কখনো কিছু জানাননি।

প্রথম আলো, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

· হৃদয়বিদারক ও মর্মান্তিক ঘটনা। কিন্তু এই ধরনের খবরে শোকাহত হওয়ার পাশাপাশি পেছনের বিষয়গুলোতেও নজর দেওয়া দরকার।

যে কারণে এ পুলিশ সদস্য আত্মহত্যা করল, তা কেন এই দেশে দিন দিন বেড়েই চলছে? এই দেশের সভ্যতা, সংস্কৃতি, ঘরের পরিবেশ, পারিবারিক পরিবেশ তো এমন ছিল না! কেন এসব প্রবণতা এখন বৃদ্ধি পাচ্ছে? এসব দিকে সমাজপতি উলামায়ে কেরাম, আইম্মা-খুতাবা ও দ্বীনের দাঈদের নজর দেওয়া দরকার। মানুষকে যেমন আত্মহত্যার মতো জঘন্যতম গুনাহের কাজ থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করতে হবে, তেমনি আত্মহত্যা যেসব কারণে ঘটে, সেই কারণগুলোকেও সর্বনিম্ন পর্যায়ে নিয়ে আসার চেষ্টা করতে হবে।

r মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি : বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের সামনে অশনিসংকেত

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি কীভাবে দেশের ওষুধশিল্পের জন্য অশনিসংকেত তা নিয়ে লিখেছেন মাহা মির্জা

প্রথম আলো, ২২ এপ্রিল ২০২৬

· নিবন্ধটিতে কিছু সুনির্ধারিত অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে। এমন অনেক বিষয়ও চিহ্নিত করা হয়েছে, যেগুলো নিয়ে দ্বিমত করার সুযোগ নেই। সুতরাং অবশ্যই বর্তমান সরকারের উচিত চুক্তিটি খতিয়ে দেখা। এটি যদি রাষ্ট্র ও জনগণের বাণিজ্যিক স্বার্থ পরিপন্থি হয়, তাহলে সেটি অবশ্যই পুনর্মূল্যায়ন করা দরকার।

r নতুন কমিটিতে পদ না পেয়ে ফেসবুক লাইভে এসে কাঁদলেন ছাত্রদল নেতা

লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন তিনি। এবারও জেলা শাখার নতুন কমিটিতে শীর্ষ পদের একটি পাবেন এমনটি প্রত্যাশা ছিল তাঁর। তবে সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। তাই নতুন কমিটি গঠনের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে অঝোরে কেঁদেছেন তিনি। তাঁর কান্নার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ফেসবুক লাইভে এসে কান্না করা এই পদপ্রত্যাশীর নাম মো. জাহিদ।

প্রথম আলো, ৩ মে ২০২৬

· যদিও মুখে বলে রাজনীতি হল জনসেবা। যেখানে জনগণের জন্য নেতারা নিবেদিত। কিন্তু পেছনের কথা হল, ‘তোরা যে যা বলিস ভাই, আমার একটি ভালো পদ চাই’ সেটিই আবার প্রমাণিত হল।

r যারা একই দিনে সারা বিশ্বে ঈদ পালনের কথা বলেন, তাদের মতবাদ ধর্ম ও বিজ্ঞানবিরোধী এমন মন্তব্য করেছেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক।

শনিবার (৯ মে) দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ‘রোজা ও ঈদ বিশ্বব্যাপী একই দিনে পালনের দাবির ভ্রান্তি নিরসন ও শরিয়াহ বিশ্লেষণ শীর্ষক’ জাতীয় সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

একই তারিখে সারা বিশ্বে রোজা ও ঈদ পালনের দাবি দলিলভিত্তিক নয় এবং কার্যক্ষেত্রে এর বাস্তবায়নও অসম্ভব উল্লেখ করে আবদুল মালেক বলেন, ইসলামী শরিয়তে চান্দ্রমাস শুরুর মানদণ্ড হলো হেলাল দেখা কিংবা হেলালের সাক্ষ্য। অন্যথায় মাস ত্রিশ দিন পূর্ণ করা।

এ মানদণ্ড বাদ দিয়ে অমাবস্যা থেকে মাস শুরু করা শরিয়ত পরিবর্তন এবং নিজ খেয়াল-খুশি মোতাবেক নতুন শরিয়ত প্রবর্তন করার শামিল। এমনিভাবে হেলাল দেখার পরিবর্তে জ্যোতির্বিজ্ঞান-ভিত্তিক আগাম প্রস্তুতকৃত হিজরি ক্যালেন্ডারের নামে বিভিন্ন লুনার ক্যালেন্ডারকে মানদণ্ড বানানোও স্পষ্ট নাজায়েজ এবং শরিয়তে হস্তক্ষেপের শামিল।

তিনি বলেন, মুসলমানদের ঈদ অন্য জাতিগোষ্ঠীর উৎসবের মতো নিছক আনন্দ-উৎসব নয়; বরং এটি ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। তাই একে অন্যদের উৎসবের আদলে উদ্যাপনের চিন্তা সম্পূর্ণ ভ্রান্ত ও অযৌক্তিক।

দৈনিক ইত্তেফাক, ৯ মে ২০২৬

· এই বক্তব্যের জন্য কোনো দলীল-প্রমাণ দেওয়ার প্রয়োজন আছে বলে তো সাধারণ জনগণ কখনো মনে করেনি। এই অঞ্চলের মানুষ এবং বিশ্বের প্রায় সকল অঞ্চলের মানুষ এটাই তো মেনে আসছে। এখনো মানুষ বলে, আজ চাঁদ দেখা গেছে, কাল থেকে রোযা হবে। আজ চাঁদ দেখা যায়নি, আগামীকাল ঈদ হবে না, রোযা হবে। সৌদি আরবে চাঁদ দেখা গেছে, তো আগামীকাল সৌদিতে ঈদ হবে। আমিরাতে চাঁদ দেখা গেছে, কালকে রোযা হবে। ইন্দোনেশিয়া চাঁদ দেখা গেছে, আগামীকাল সেখানে ঈদ হবে। কিন্তু কিছু মানুষ আছে, যারা উল্টো করে ভাবতে এবং উল্টো কথা বলতে, প্রসিদ্ধি পেতে ভালবাসে। তারা অযৌক্তিক ও দলীলবিহীন কথা নিয়ে হাঁটে। যে জন্য স্বতঃসিদ্ধ বিষয়গুলো নিয়েও আবার আলোচনা করতে হয় এবং সেগুলো দলীল দিয়ে মানুষকে বোঝাতে হয়।

r ফেসবুকে যুদ্ধ না করে ‘কালপ্রিটদের’ বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামতে হবে : জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান

নয়া দিগন্ত, ৯ মে ২০২৬

· কথা তো খুবই সুন্দর এবং আমল করার মতো। কিন্ত যিনি বক্তব্য দিচ্ছেন, তার দলের লোকদের ব্যাপারে তো প্রসিদ্ধি রয়েছে, ফেসবুকে তারাই প্রধান সেনানী হিসেবে বরাবরই আবির্ভূত হয়ে থাকেন।

r শুধু রাজনীতিতে থাকলেই হবে না, অর্থনীতিতেও গণতন্ত্র থাকতে হবে : অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, যারা মূলধারার অর্থনীতির বাইরে আছে, তাদেরকে অর্থনীতির মূলধারায় নিয়ে আসতে চাই। নাগরিক হিসেবে এটি সবার অধিকার। শুধু রাজনীতিতে গণতন্ত্র থাকলেই হবে না, অর্থনীতিতেও গণতন্ত্র থাকতে হবে। সে জন্য সরকার অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

যুগান্তর, ১০ মে ২০২৬

· কথা ঠিকই আছে। তবে অর্থনীতিতে গণতন্ত্র থাকুক, কিন্তু অর্থনীতিতে সুবিধাবাদ, স্বৈরতন্ত্র ও লুটপাটতন্ত্র না থাকুক। লুটপাটতন্ত্রকে যদি তারা গণতন্ত্র বানিয়ে ফেলেন, তাহলে মনে রাখতে হবে, এক মাঘে কিন্তু শীত যায় না।

r পূর্বের তিক্ততার পুনরাবৃত্তি দেখতে চায় না ভারত : পঙ্কজ শরণ

বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক এখন আরও সমৃদ্ধ হবে। দু’দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, সন্দেহ ও অবিশ্বাসের কারণে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের সময় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক তিক্ত ও স্থবির হয়ে ওঠে। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ এমন শ্লোগানের মধ্য দিয়ে জনগণের ব্যাপক সমর্থন নিয়ে এবার ক্ষমতায় আসা বিএনপি সরকারের সময় পূর্বের সেই তিক্ততার পুনরাবৃত্তি দেখতে চায় না ভারত। একইসঙ্গে তিনি বলেছেন, বর্তমানে একটি নতুন দিক হল শেখ হাসিনার সময়ের তুলনায় এখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক গত ৫০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভালো অবস্থায় রয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) নয়াদিল্লিতে সুষমা স্বরাজ ভবনে সফররত বাংলাদেশি সাংবাদিক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে ভারতের সাবেক হাইকমিশনার পঙ্কজ শরণ এসব কথা বলেন। তিনি বর্তমানে নয়াদিল্লিতে নীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ন্যাটস্ট্র্যাটের কনভেনর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

যুগান্তর, ১০ মে ২০২৬

· কিন্তু আমলীভাবে তো তারা সেটা দেখাচ্ছে না। আসাম ও বাংলায় তাদের যারা মুখ্যমন্ত্রী হয়েছে, তারা যে ভাষায় কথা বলছে এবং যে ভাষায় তাদের মুসলমান নাগরিকদেরকে বিদেশি বলে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে, সেটা তো তাদের এই দাবির আলামত বহন করে না।

 

r লিচু খেতে গিয়ে গলায় বিচি আটকে শিশুর মৃত্যু

বাংলাদেশ প্রতিদিন, ১০ মে ২০২৬

· এ ধরনের মৃত্যু আগেও ঘটেছে। একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি অসতর্কতা ও অসাবধানতারই প্রমাণ বহন করে। সকলেরই সতর্ক থাকা উচিত এবং শিশুর প্রতি নজর রাখা উচিত। শিশুদের লিচু খেতে দিলে অভিভাবক ও মুরব্বীদের অথবা কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যদি থাকে, তাহলে শিক্ষকদের দায়িত্ব হল, লিচু থেকে বিচি ছাড়িয়ে তারপর দেওয়া। যেন অসাবধানতাবশত লিচুর বিচি তাদের গলায় না চলে যায়। একই ধরনের ফল আছে কাঁঠাল। সেক্ষেত্রেও সতর্কতা খুবই জরুরি। অভিভাবক ও মুরব্বীদের দায়িত্ব শিশুদের প্রতি যথাযথ স্নেহ-মমতা প্রদর্শন করা এবং তারা যেন অনাকাক্সিক্ষত কোনো কিছু না ঘটিয়ে বসে সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখা।

r যুদ্ধবিরতির মধ্যেই লেবাননে চলছে ইসরাইলি হত্যাযজ্ঞ, নিহত আরও ৫১

যুগান্তর, ১১ মে ২০২৬

· এই জাতিটি এমন যে, এদের ওপর কখনো নির্ভর করা যায় না। মানবতার মুক্তির দূত বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনায় গিয়ে তো তাদের সাথে সন্ধিই করেছিলেন। তারা তাদের মতো করে থাকবে, তাদের এলাকায় থাকবে। সেভাবে একটা সন্ধি হয়েছিল। কিন্তু ওই সন্ধির জবাব তারা দিয়েছে মুসলমানদের চিরশত্রুর সাথে আঁতাত করে এবং তাদের পক্ষ নিয়ে। তো এরা তো তাদেরই গোষ্ঠী। তাদেরই জাত। এরা যে কথা রাখবে না এটা খুবই স্বাভাবিক বিষয়। কখনো তাদের কথার ওপরে কোনো জাতি আস্থা রাখতে পারেনি। যুদ্ধবন্দি চুক্তি যতই হোক, তারা সেটা ভঙ্গ করবেই। সেটা বারবার তারা বিভিন্ন সময় দেখিয়েছে। এখন তারা এটা লেবাননে দেখাল। গাজায় তো তারা বহু দিন ধরে দেখিয়ে যাচ্ছে। সুযোগ পেলেই চরম নিরীহ, নিরপরাধ মুসলমানদের ওপর নির্যাতনের স্টিম রুলার এখনো চালিয়ে যাচ্ছে। এরা বিশ্বাস ভঙ্গকারী জাতি হয়েই ইতিহাসে পরিচিত ছিল এবং আছে।

r হাসিনার পরামর্শে ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করে মমতাকে হারানো হয়েছে : কর্নেল অলি

অলি আহমদ বলেন, কিছুদিন আগে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন হয়েছে। সেখানেও বাংলাদেশ থেকে দীক্ষিত হয়ে এবং হাসিনার পরামর্শে ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়েছে। মমতাকে হারিয়ে শুভেন্দু অধিকারীকে ক্ষমতায় বসানো হয়েছে। নির্বাচনের পর সেখানে সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর নির্যাতন করা হচ্ছে। পত্র-পত্রিকায় দেখলাম, মুসলমানদের গাড়িতে বেঁধে টেনে নিয়ে নির্যাতন করা হচ্ছে।

ইত্তেফাক, ১১ মে ২০২৬

· ইঞ্জিনিয়ারিং কার পরামর্শে করেছেন সেটা হয়তো মোদিই ভালো জানবেন। তবে হাসিনার উল্লাস দেখার মতো ছিল। বিজেপি ও শুভেন্দুরা জয়ী হয়ে মোটামুটি মুসলমানদের বিরুদ্ধে এবং বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার মতো করে ফেলেছে। তাদেরকে হাসিনা যেভাবে কংগ্রাচুলেট করেছেন, যেভাবে অভিনন্দন জানিয়েছেন এটাকে কেন্দ্র করে হয়তো কর্নেল অলি সাহেবের মাথায় ওই চিন্তা এসেছে যে, নাকি হাসিনাই এই বুদ্ধি দিল।

বুদ্ধি দিক আর না দিক হাসিনার যদি ন্যূনতম দেশপ্রেম, ইসলাম, মুসলমান, বাংলাদেশের নাগরিকদেরকে নিয়ে কোনো চিন্তা থাকত, কোনো জবাবদিহিতার মানসিকতা থাকত, অথবা ন্যূনতম লজ্জাবোধ থাকত। তাহলে ভেতরে ভেতরে খুশি হলেও মুখে তাদের জন্য অভিনন্দনবাণী উচ্চারণ করতেন না।

r শতবর্ষী বটগাছে রেস্তোরাঁ, পাখির কিচিরমিচির হারিয়ে গেছে মানুষের কোলাহলে

শতবর্ষী বটগাছটির ডালে একসময় বাসা বাঁধত নানা পাখি। কান পাতলেই শোনা যেত কিচিরমিচির। এখন সেই ডালেই বসানো হয়েছে চেয়ার-টেবিল। তৈরি হয়েছে রেস্তোরাঁ। দূরদূরান্ত থেকে মানুষ সেখানে ভিড় করছেন, ছবি তুলছেন, খাবার খাচ্ছেন। মানুষের এই বাড়তি উপস্থিতির মধ্যে হারিয়ে গেছে পাখির স্বাভাবিক কিচিরমিচির।

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার চারাতলা বাজারের ঘোড়দহ এলাকায় সড়কের পাশেই রেস্তোরাঁটির অবস্থান। ব্যতিক্রমী রেস্তোরাঁটির উদ্যোক্তা স্থানীয় দুই যুবক।

প্রথম আলো, ১১ মে ২০২৬

·  সন্দেহ নেই এটি চরম অন্যায় কাজ। একটি গাছ টিকে আছে। তারও বেঁচে থাকার অধিকার আছে। গাছটি তো জনগণের উপকারের জন্য। রেস্তোরাঁ করার জন্য কি আর জায়গা পাওয়া যায়নি? একটি গাছের উপরে গিয়ে কেন রেস্তোরাঁ দিতে হবে? রেস্তোরাঁ হওয়ার আগে যে পাখিরা এখানে কিচিরমিচির করত, তাদেরও তো এই পৃথিবীর দরকার আছে এবং তাদেরও তো বাঁচার অধিকার আছে। সুতরাং রেস্তোরাঁওয়ালাকে সসম্মানে অন্য জায়গায় স্থানান্তরিত করা দরকার।

r কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ করবে না সিলেটের কওমি মাদরাসাগুলো

বছরজুড়ে সর্বসাধারণের দান, মৌসুমি চাঁদা, কোরবানির পশুর চামড়া ইত্যাদি কওমি মাদরাসা পরিচালনায় আয়ের অন্যতম উৎস।

কিন্তু বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার ২০১৩ সালে কওমি মাদরাসার এই অন্যতম আয়ের উৎস বন্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করে। ওই সরকারের অসৎ উদ্দেশ্যে ক্রমান্বয়ে দেশের রপ্তানি শিল্পের অন্যতম এই পণ্য দেশের বাজারে দরপতনের শিকার হতে থাকে।

শেষ পর্যন্ত কোরবানির চামড়া প্রায় মূল্যহীন পণ্যে পরিণত হয়। বর্তমান অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে, কওমি মাদরাসাগুলো এলাকার মানুষের কোরবানির চামড়া সংগ্রহ করে যত টাকা পরিবহণ খরচ করে, চামড়া বিক্রি করে সেই টাকাও ফেরত পায় না।

ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার চামড়া শিল্প রক্ষায় উদ্যোগের কিছুটা তৎপরতা দেখালেও সুফল মেলেনি। গত বছর কুরবানির মৌসুমে ড. ইউনূস সরকার কওমি মাদরাসাগুলোকে চামড়া সংরক্ষণের জন্য কাঁচা লবণ সরবরাহ করে। কিন্তু এ উদ্যোগটি অযৌক্তিক ও অকার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। ওই সরকারের উচিত ছিল, চামড়া শিল্পের দেশীয় বাণিজ্যিক সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা। বৈশ্বিক বাজারে মূল্যবান এই কাঁচামাল দেশীয় বাজারে মূল্যহীনতার দশা থেকে মুক্ত করতে ইন্টেরিম সরকার ব্যর্থ হয়েছে।

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর চামড়া শিল্পের সুদিন ফেরার আশায় ছিলেন তারা। কিন্তু সরকারের ১৮০ দিনের কোনো প্রকল্পেই চামড়াশিল্প নিয়ে কোনো পরিকল্পনা নেই। অথচ এটি একটি রাষ্ট্রের বড় আয়ের খাত। আগের সেই সিন্ডিকেট ভাঙতে পারেননি এই সরকার। যা কওমি মাদরাসাগুলোর কর্তৃপক্ষকে চরমভাবে হতাশ করেছে।

কোরবানির দিনে চামড়া শিল্পের মোট ৭১ শতাংশ কওমি মাদরাসার মাধ্যমে সংগৃহীত হয়ে থাকে। দেশের দারিদ্র্য বিমোচন ও জনসংখ্যার সুবিধাবঞ্চিত বৃহৎ অংশের শিক্ষা ও লালল-পালনে কওমি মাদরাসা কর্তৃপক্ষ ভূমিকা রেখে আসছে। সুতরাং যত দ্রুত সম্ভব সিন্ডিকেট ভেঙে কোরবানির পশুর চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণে সরকারের যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করার জোর দাবি জানাচ্ছে ‘সিলেট বিভাগ কওমি মাদরাসা সংরক্ষণ পরিষদ।’

বাংলা নিউজ২৪, ১১ মে ২০২৬

· এ সিদ্ধান্তে যদি মাদরাসাগুলো স্থির থাকতে পারে, সেটা ভালো সিদ্ধান্ত হিসেবে সাধারণ জনগণ সাধুবাদ জানাবে বলে আশা করা যায়। তবে জনগণের উচিত, তাদের কোরবানির চামড়া উপযুক্ত জায়গায় পৌঁছে দেওয়া। মাদরাসাগুলো কালেকশন না করলেও যেসকল মাদরাসায় গোরাবা তহবিল আছে এবং যথাযথ পড়াশোনা হয়, সেখানে অথবা যে-কোনো দরিদ্রের হাতে কুরবানীর চামড়া পৌঁছে দেওয়া উচিত। যেন গরিবের হক মাফিয়ার হাতে তা চলে না যায়।

r জাতীয়তাবাদী আদর্শ থেকে একচুলও সরিনি : ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দীর্ঘ ১৮ বছরের চাকরি জীবনে পদবঞ্চনা, বৈষম্য, অপমান ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক।

তবে শত প্রতিকূলতার মধ্যেও জাতীয়তাবাদী আদর্শ থেকে একচুলও বিচ্যুত হননি বলে দাবি করেছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

সোমবার (১১ মে) পুলিশ সপ্তাহ- ২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে এক অনুষ্ঠানে আবেগঘন বক্তব্যে এমন দাবি করেন তিনি।

ইত্তেফাক, ১১ মে ২০২৬

· এরকম অতীব করিতকর্মা লোকদের ব্যাপারে সতর্ক থাকা দরকার। পুলিশের কাজ নিজ দায়িত্ব পালন করা; দলীয় আনুগত্য দেখানো নয়। কোনো গোষ্ঠীর প্রতি আনুগত্য দেখানো নয়। এ ধরনের কাজ আগের সময়ের লোকেরা করেছিল। ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় পুলিশের বড় বড় অফিসার এমনকি আইজি পর্যন্ত দলীয় আনুগত্য প্রকাশ করার জন্য কত ধরনের নিকৃষ্টতম কথাবার্তাই না বলেছিল। সেগুলোর প্রদর্শনী এই সরকারের আমলে হওয়া উচিত নয়। ইতিহাস থেকে শিক্ষাগ্রহণ করলেই সেটা হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

r ঢাবির র‌্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে পড়ার কারণ রাজনৈতিক বিবেচনায় শিক্ষক নিয়োগ : প্রধানমন্ত্রী

দ্যা ডেইলি স্টার বাংলা, ১২ মে ২০২৬

· সমস্যা হচ্ছে, সেই রাজনৈতিক বিবেচনার নিয়োগ থেকে বের হয়ে আসতে পারছে না কেউই। এমনকি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় শোনা গিয়েছিল, অমুক ভিসি এই মানসিকতার, তমুক ভিসি অমুক দলের। কেন, দলনিরপেক্ষ কি একজন লোকও উপযুক্ত নেই, যিনি সকল দলের কাছে শ্রদ্ধার পাত্র এবং তিনি কোনো দলবাজি করেন না? এমন কিছু শিক্ষক কি পাওয়া যাবে না? অবশ্যই পাওয়া যাবে। কিন্তু হাঁটছে তো সবাই একই পথে। ভিসি নিয়োগ বলুন, প্রিন্সিপাল নিয়োগ বলুন, বোর্ডের কর্তা নিয়োগ বলুন, এমনকি উচ্চপদস্থ শিক্ষক নিয়োগ বলুন সব জায়গায় রাজনীতি আর রাজনীতি। এ থেকে বের হয়ে তো কেউ আসছে না। সাহসিকতার পরিচয় তো কেউই দিচ্ছে না। তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাঙ্কিং ওপরে উঠবে কী করে?

r ইউনূস-নূরজাহানের সঙ্গে শফিকুলদেরও বিচার চান আনিস আলমগীর

আরটিভি নিউজ, ১৩ মে ২০২৬

· হাঁ, বিচার তো চাইবেই। কারণ আলমগীররা স্বৈরাচারের চরম তল্পিবাহক হয়েও ছাড়া পেয়ে গেলে অন্যদের ওপর চড়াও তো হবেই। আনিস আলমগীররা যে গোষ্ঠির প্রতি দায়বদ্ধ, যে ল্যান্ড মাফিয়া বা ভূমি দস্যুদের সাথে জড়িত, তাদের দৈনন্দিনের কাজই হল, ফ্যাসিবাদবিরোধীদের কীভাবে পচাবে, কীভাবে তাদের বদনাম লিখবে। যারা বিগত দেড় বছরে মাথা নুইয়ে বসে ছিল, নিজেদের লোকদের অনেককেই মোটামুটি ঘুম পাড়িয়ে রেখেছিল, তারাই এখন আবার তরতাজা হয়ে উঠছে। বিএনপির এ সমস্যা নতুন নয়। তারা মিডিয়ার লাইনের শত্রুমিত্র চিনতে বরাবরই ভুল করে এসেছে। এবং চরম দলবাজ বিরোধী মিডিয়া ও সংবাদকর্মীদেরও আস্ফালনের সুযোগ দিয়ে এসেছে।

 

আন্তর্জাতিক

r ইউরোপ জঙ্গিবাদের ‘আঁতুড়ঘর’ : ট্রাম্প

স্টার অনলাইন, ৭ মে ২০২৬

· মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার প্রশাসন একটি নতুন জঙ্গিবাদবিরোধী কৌশল বাস্তবায়ন করতে চলেছে। ওই কৌশলে ইউরোপকে জঙ্গিবাদের ‘আঁতুড়ঘর’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে।

গতকাল বুধবার প্রকাশিত হয় নতুন ‘কৌশলের’ বিস্তারিত। ইউরোপ থেকে গণহারে অবৈধ অভিবাসনপ্রত্যাশীদের আগমন জঙ্গিবাদের বিস্তারে ইন্ধন জোগাচ্ছে এমনটাই বলতে চেয়েছেন ট্রাম্প।

এটি অবশ্য ভালো খবর। পশ্চিমারা যদি নিজেরা নিজেদেরকে জঙ্গিবাদী বলে আখ্যায়িত করতে থাকে, তা শুনতে অন্যদের ভালোই লাগবে।

গ্রন্থনা : ওয়ালিউল্লাহ খান

 

 

advertisement