খবর... অতঃপর...
r ভারতকে বাংলাদেশে আক্রমণের আহ্বান আওয়ামী লীগ নেতার
বাংলাদেশে সামরিক হামলা চালানোর জন্য ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের (দক্ষিণ) সাধারণ সম্পাদক ডা. মোহাম্মদ আলী মানিক।
আলোচিত ‘মক্কা প্যাক্টে’ বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে ‘সাউথ এশিয়ান ইনডেক্স’ নামের একটি এক্স অ্যাকাউন্টের পোস্টে এ আহ্বান করেন মোহাম্মদ আলী মানিক।
এশিয়া পোস্ট, ২৭ আগস্ট ২০২৬
· ভারত বাংলাদেশে আক্রমণ করবে! তিনি তো বসে আছেন আমেরিকায়। তার তো কোনো সমস্যা নেই। ঝামেলায় পড়লে ভারত আর বাংলাদেশ পড়বে আর তিনি ওখানে বসে লেবেনচুস খাবেন!
ওই ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীর সম্ভবত মূল নেতাসহ অধিকাংশেরই চিন্তা এমন যে, ‘দেশ গোল্লায় যাক তারা লুট করে খাক।’ ভারত দেশ দখল করে নিলেও তাদের কোনো চিন্তা নেই। তাদের মূল নেতৃত্ব কতবারই বলেছেন, ‘আমরা তাদেরকে এই দিয়েছি, তাদেরকে আমরা সেই দিয়েছি।’ প্রশ্ন করা হল, বাংলাদেশের জন্য কী এনেছেন? তিনি বললেন, বাংলাদেশের জন্য কারও কাছে চাইতে আমার লজ্জা লাগে। তিনি ভারতকে কেবল দু-হাতে দিয়েছেন, নেননি কিছুই; বরং পুরো দেশটাই ভারতকে দিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। তখনই অনেকে আশঙ্কা করছিলেন, এই দেশটা তারা ভারতকে দিয়ে দিতে চায়। এখন তো তারা সরাসরি বাংলাদেশে আক্রমণের আহ্বান জানাচ্ছেন। এটা তো একজন প্রকাশ্যে আহ্বান জানিয়েছে। ভেতরে ভেতরে কতজন আহ্বান জানিয়েছে, কে জানে!
তবে এত বড় স্পর্ধা ভারতের আছে বলে মনে হয় না। বাংলাদেশে তারা আক্রমণ করবে আর এদেশের জনগণ ও সশস্ত্রবাহিনী তাকিয়ে দেখবে —সেদিন আর নেই। বাংলাদেশের দিকে কেউ বাঁকা চোখে তাকালে তার চোখ তুলে নিয়ে আসতে এদেশের জনগণ প্রস্তুত আছে।
r অবৈধ ঋণ অ্যাপগুলোর বিষয়ে সতর্ক করল বিএফআইইউ
সহজ শর্তে দ্রুত ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে পরিচালিত অনুমোদনহীন মোবাইল অ্যাপ, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যমে পরিচালিত ঋণ কার্যক্রম থেকে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। গতকাল বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সতর্কতা জারি করেছে বাংলাদেশ।
প্রথম আলো, ২৮ আগস্ট ২০২৬
· শুধু সতর্ক করাই যথেষ্ট নয়। সেন্ট্রাল সিস্টেম থেকে সরকার বিটিআরসির মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, সরকারবিরোধী প্রচারণা বন্ধ করে দেয়। এমনিভাবে সরকার কঠোরভাবে বিটিআরসির মাধ্যমে এমন ব্যবস্থা গ্রহণ করুক, যেন দেশের কোথাও এ ধরনের প্রচারণা হতে না পারে। অবৈধ অ্যাপ ব্যবহার না হতে পারে, অবৈধ অ্যাপ ডাউনলোড করার সুযোগ না থাকে। এই ধরনের প্রচারণায় কাউকে পেলে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হোক। শুধু জনগণকে সতর্ক করা যথেষ্ট নয়। জনগণের বড় অংশ এখনও স্বল্পশিক্ষিত বা অশিক্ষিত। যাদের কিছু শিক্ষা আছে, তাদের মধ্যেও হুজুগে ও কিছুটা লোভী প্রকৃতির মানুষও একেবারে কম নয়। যে কারণে অনেকেই বেশি লাভের কথা শুনলে কোনো চিন্তা ও বিবেচনা ছাড়াই ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাই সতর্ক করার পাশাপাশি এসবের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা, অ্যাপগুলো বন্ধ করা এবং জড়িতদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা বেশি জরুরি।
r দেশ সংকটে পড়লেই জনগণ বিএনপিকে ক্ষমতায় আনে
জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেছেন, যখনই দেশ গভীর সংকটে পড়ে, তখনই সেই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য এ দেশের জনগণ বিএনপিকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনে।
স্টার নিউজ, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
· কথা সত্য! কিন্তু বিএনপি জনগণের সে আস্থা ধরে রাখতে পারে কি? এবার তারা কী করছে? জনগণ যে আশা নিয়ে তাদের ক্ষমতায় এনেছে, তারা কি জনগণের আশা পূরণের পথে অগ্রসর হচ্ছে? এটাই এখন বড় প্রশ্ন।
r অধ্যক্ষের ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিতর্ক
সরকারি নর্থ খুলনা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মনিরুল হক মন্টুর একটি ফেসবুক পোস্ট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। পোস্টে তিনি লেখেন, ‘যুক্তি খুঁজে পাই না— মুসল্লী যদি পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়ে পেট চালাতে পারে, একই সময়ে সম পরিমাণ নামায পড়ানোর কারণে ইমামকে কেন বেতন দিতে হবে?’
দৈনিক বাংলার সংবাদ, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
· অধ্যক্ষ সাহেব তার বিষয়গুলো বুঝেন কি না আমরা জানি না। হয়তো-বা তিনি জানেন বোঝেন। যদি অধ্যক্ষ নিজে নামায পড়াতে পারতেন, যদি মুসল্লীরা নিয়মিত নামাযে আসেন এবং যতজন আসে প্রত্যেকেই ঠিকঠাক নামায পড়াতে পারেন, তাহলে তো আর ইমাম রাখারও দরকার ছিল না। তারা নিজেরাই ইমামতি করতে পারতেন।
প্রশ্ন হল, মুসল্লী যে কয়জন আসে, তারা তো ইমামতির যোগ্য নয়। তাদের অনেকেই নিজের নামায ভালো করে পড়তে পারে না। ইমাম তো নামায পড়ান পাঁচ ওয়াক্ত। কিন্তু সার্বক্ষণিক তো তিনি তাদের জন্যই ব্যস্ত আছেন। এই সহজ কথা যে অধ্যক্ষ বোঝেন না, তিনি কলেজ কীভাবে পরিচালনা করেন, সেটা কে বলবে?
r ‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু
কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলায় ইউপি নির্বাচনের শোডাউনে ‘বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মারা গেছেন এক বিএনপি নেতা। সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
আমার দেশ, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
· হায়, এগুলো থেকে অন্যরা যদি শিক্ষা নিত!
r ইসকন মন্দিরে ভাঙচুর, হিন্দু শিক্ষার্থী আটক
পাবনা শহরের ইসকন মন্দিরে প্রতিমা ও বিভিন্ন স্থাপনা ভাঙচুরের অভিযোগে প্রান্থ কুমার দাস (২৫) নামে এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে পাবনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট সংলগ্ন মন্দিরে এ ঘটনা ঘটে। পরে মন্দির কর্তৃপক্ষ তাকে আটক করে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
ইনকিলাব, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
· ভাগ্যিস ধরা পড়েছে। না হলে এর দায় নিরীহ মুসলমান ও তথাকথিত মৌলবাদীদের কাঁধে ঠেলে দেওয়া হত। যেরকম তারা অতীতে করে এসেছে। অন্যায় তারা ঘটিয়েছে, পতিত স্বৈরাচারী ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীর দলীয় লোকেরা বিভিন্ন জায়গায় সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর দখল করেছে, কিন্তু সেগুলোর দায় চাপানো হয়েছে সাধারণ মুসলমানের ওপর, আলেম শ্রেণির ওপর। এবার হাতেনাতে ধরা পড়ে যাওয়ায় সেটা আর করতে পারেনি।
নিজেরা নিজেদের মন্দির ভেঙে, নিজেদের প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি করে দোষ অন্যের ওপর চাপিয়ে দেওয়া যে একটা গোষ্ঠীর চরিত্র— সেটা এখন স্পষ্ট হল। কিন্তু প্রশ্ন হল, এই খবরগুলো মূলধারার বড় বড় অন্যান্য গণমাধ্যম কেন প্রচার করছে না? তাহলে তারাও কি ওদের তালে চলে?
r রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদের আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা
দাপ্তরিক যোগাযোগ ও নথিপত্রে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ ব্যবহার না করার অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। একইসঙ্গে অন্য কোনো সম্মানজনক শব্দ লিখিতভাবে ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
আমার দেশ, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
· এই সিদ্ধান্তটি বেশ ভালো এবং শোনা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী এই সিদ্ধান্ত তার দপ্তর থেকে কার্যকর করা শুরু করেছেন। তিনি নিজের রুমের সামনের নেমপ্লেট থেকেও মাননীয় শব্দ সরিয়ে দিতে বলেছেন। এগুলো ভালো উদ্যোগ। তবে শুধু লেখা বা বলায় মাননীয়, মহামান্য পরিহার করাই যথেষ্ট নয়।
জাতীয় সংসদে এখনও দেখা যায়, ব্যাপকভাবেই স্পিকার, মন্ত্রী, সংসদ সদস্য সবাইকে মাননীয় সম্বোধন করা হয়। স্পিকার নিজেও সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদেরকে মাননীয় সম্বোধন করেন। এই রেওয়াজটা কেন? মাননীয় শব্দ ছাড়া কি সম্মান করার আর কোনো শব্দ নেই?
দ্বিতীয় কথা হচ্ছে, শুধু লেখা ও বলায় মাননীয়-মহামান্য পরিহার করতে বলা ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। যত না গুরুত্বপূর্ণ এই পদে যারা আছেন, পদে যারা থাকবেন, তাদের মানসিকতা থেকে এই ভাবটা দূর করা। সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে যারা আছেন, তারা যদি নিজেদেরকে জনগণের সেবক মনে করেন, আচার-আচরণে ও বিভিন্ন পর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে যদি জনগণের প্রতি দরদের প্রতিফলন ঘটান, কথায় ও কাজে জনগণের সেবক হিসেবে নিজেদেরকে প্রমাণ করেন, সেটাই হবে বেশি কার্যকর। শব্দ পরিহার করা ভালো। এটাকেও খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। তার চেয়ে বেশি দরকার হল, সরকারি উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের মন ও মগজ থেকে মাননীয়-মহামান্য ভাবটা দূর হওয়া।
r অনিয়ম-জালিয়াতির অভিযোগ : ডব্লিউএইচওর পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ
অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ ওঠার পর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন সায়মা ওয়াজেদ। গণ অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে তিনি।
সায়মা ওয়াজেদ গতকাল বুধবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান তেদরোস আধানম গেব্রেয়াসুসের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স ওই পদত্যাগপত্র দেখেছে।
প্রথম আলো, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
· এতে যা হওয়ার তা তো হল, কিন্তু দেরি হয়ে গেল! আরও আগেই তো এই পদ থেকে তাকে সরানো উচিত ছিল এবং তার সরে যাওয়া জরুরি ছিল। এই পদে তিনি যেতেও পেরেছেন তার মায়ের সরকারের আনুকূল্য পেয়ে। তবে শেষ পর্যন্ত যা হয়েছে দেরিতে হলেও ভালোই হয়েছে।
r সেমিনারে আলোচকেরা : কওমি মাদ্রাসা নিয়ে সমাজে অনেক ভুল ধারণা আছে
কওমি মাদ্রাসা নিয়ে সমাজে অনেক ভুল ধারণা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানকে সমাজের বাইরে বা বিচ্ছিন্নভাবে দেখার প্রবণতা যেমন আছে, তেমনি কওমি মাদ্রাসাকে উগ্রবাদ বা জঙ্গিবাদের সঙ্গে সরলভাবে যুক্ত করার ধারণাও রয়েছে। অথচ কওমি মাদ্রাসা সমাজেরই অংশ। তবে এর শিক্ষা, উদ্দেশ্য ও মানুষ তৈরির দর্শন সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থার চেয়ে ভিন্ন।
প্রথম আলো, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
· তা তো সত্যই। কওমী মাদরাসা নিয়ে সমাজে প্রচলিত ভুল ধারণার পেছনে নিজেরা নিজেদের ভাবমূর্তি ঠিকমতো তুলে ধরতে না পারার ব্যর্থতা রয়েছে। এটা যেমন সত্য, বিপরীতে এটাও সত্য, সমাজের হর্তাকর্তা, প্রভাবশালী ব্যক্তি ও গণমাধ্যম, সাধারণ শিক্ষিত শ্রেণি ও বুদ্ধিজীবী গোষ্ঠীর মধ্যেও কওমী মাদরাসা নিয়ে ভুল ধারণা আছে।
এছাড়া মতলবি একটি গোষ্ঠীও আছে, যারা ইচ্ছা করেই মাদরাসার ভাবমূর্তিকে উল্টোভাবে উপস্থাপন করে। অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে যে দৃষ্টিতে দেখা হয়, কওমী মাদরাসাগুলোকে সেই দৃষ্টিতে দেখা হয় না। সমাজের অন্য জায়গার অপরাধকে যেভাবে ব্যক্তির অপরাধ গণ্য করা হয়, কওমী মাদরাসায় হলে সেটাকে প্রাতিষ্ঠানিক অপরাধ ধরে নেওয়া হয়।
ভুল ধারণা তো অনেক সময় জন্মায়। আবার ইচ্ছে করে ভুল ধারণা তৈরিও করে অনেকে। এক্ষেত্রে সমাজের সচেতন মহলের এবং ইনসাফপ্রিয় মানুষদের ভালো ভূমিকা রাখা দরকার, যেন এই ভুল বোঝাবুঝিটা দূর হয় এবং মানুষের মধ্যে সঠিক ধারণা প্রচার পায়।
r নিজের মুঠোফোনের ফাঁস হওয়া তথ্য দেখে মন্ত্রী বললেন, এটা কীভাবে সম্ভব
দেশের মানুষ মুঠোফোনে কার সঙ্গে কথা বলেন, কী বার্তা পাঠান, কোথায় কোথায় যান—এসব তথ্য টাকা দিলেই জানা যায়। রীতিমতো ওয়েবসাইট খুলে নাম নিবন্ধন করে তা বহুদিন ধরে বিক্রি হয়।
প্রথম আলো, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
· এতে কী বোঝা যায়? যারা দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছেন, তাদের থেকে দুষ্কৃতিকারী এবং দুষ্ট লোকদের একটা শ্রেণি অনেক বেশি অগ্রসর ও চালাক। তাহলে আমাদের হবেটা কী?
এর থেকে অনুমান করা যায়, আমাদের দেশ কোন্ অবস্থায় আছে! একজন মন্ত্রী যদি তার তথ্য-উপাত্ত ও ব্যক্তিগত বিষয়ে নিরাপদ না থাকেন, তাহলে সাধারণ মানুষের কী হবে!
r প্রথম আলোর কলাম
মরুর রূপান্তর : সৌদি আরবের নবজাগরণের কাব্য
প্রথম আলো, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
· দৈনিক প্রথম আলোর এই কলামে বর্তমান সৌদি প্রশাসনের ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে। সেখানে নারীর ক্ষমতায়ন ও পর্যটনে বিশাল উন্নতির কথা বলা হয়েছে। নিওম শহর নিয়ে প্রশংসা করা হয়েছে।
দেশ-বিদেশের অনেক কলামিস্টকে সামান্য পড়াশোনা ও টুকটাক তথ্য জেনে খুব দৃঢ়তার সাথে কলম লিখতে ও জোরালো বক্তব্য দিতে দেখা যায়। বিদেশি অনেক কলামিস্টকে দেখা যায়, এদেশের জনগণ যা দেখে, যা জানে, তার বিপরীত বাংলাদেশ সম্পর্কে অনেক কথা এক শ্বাসে বলে ফেলেন। আমাদের দেশেও সাধারণ কলামিস্টরা তো আছেই, এমনকি যারা একটু নিরপেক্ষ বলে পরিচিত তাদেরকেও অনেক সময় একপেশে কথা বলতে দেখা যায়। হয়তো-বা অল্প পড়াশোনা থেকেই এসব বলে ফেলেন।
সৌদি আরবে বিগত এক-দেড় দশক থেকে যা ঘটে গেছে এবং সেখানকার প্রশাসন ও ক্ষমতাসীনরা সৌদিকে বদলে দেওয়ার নামে ও ‘ভিশন ২০৩০’ নামে যা করছেন, তার বিশাল অংশ যে ব্যর্থ হয়েছে এবং ‘দ্য লাইন’ নামে যে বিশাল নতুন শহর গড়ার কথা ছিল, তা সংকুচিত হতে হতে একেবারেই ছোট্ট হয়ে এসেছে— এ খবর অনেকেই রাখেন না।
চারদিকে প্রচারিত হয়, সৌদি আরবে নারীর ক্ষমতায়ন হয়েছে। নারীরা চাকরি পেয়েছে। হয়তো অনেকেই জানেন না, সৌদির অধিকাংশ ব্যবসা-বাণিজ্য এখনও বিদেশিরা পরিচালনা করে। সেগুলোতে বাধ্যতামূলক সৌদি নারীদেরকে কর্মী হিসেবে রাখতে হয়।
অনেক প্রতিষ্ঠান এমন আছে, যারা নারীদেরকে চাকরিতে রেখেছে শুধু নামে। বাস্তবে তারা কাজ করে না। মাঝে মাঝে এসে হাজিরা দিয়ে যায়। মাস শেষে বেতন নিয়ে যায়। এরকম বহু প্রতিষ্ঠান সেখানে পাওয়া যাবে। দৃশ্যমান কিছু জায়গায় নারীদের কাজ করতে দেখে অনেকেই প্রচারণা চালাচ্ছে, সৌদিতে নারীর ক্ষমতায়ন হয়েছে।
সৌদিতে যে তেলের বাইরে অন্যান্য খাতকে প্রাধান্য দেওয়া হবে, সেগুলোর কতটুকু কী হল—এর খবর কিন্তু রাখা হচ্ছে না। অথচ এই বিষয়ে বিদেশি পত্রিকাগুলোতে আরও অনেক মাস আগেই ব্যাপকভাবে লেখালেখি হয়েছে।
গত ১৪ সেপ্টেম্বর দৈনিক জং-এ দেখলাম, নিওম প্রজেক্ট অতি সংকুচিত করার ফলে বিভিন্ন ঠিকাদার কোম্পানিকে চুক্তি বাতিল করার কারণে যে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, তার জন্য ১৬ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে। অথচ এয়ারপোর্টসহ বিভিন্ন জায়গায় কিছু নারীকে খোলামেলা দেখেই অনেকে জাগরণের গল্প লিখে যান!
r দেশের অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা চোর : স্পিকার হাফিজউদ্দীন
বাংলাদেশের অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা চোর বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। তিনি বলেছেন, অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা চোর, এগুলো নানা ধরনের ঘুষখোরি, লুটপাট করে।
যার ফলে মানুষের জীবনে নাভিশ্বাস উঠে এসেছে। অন্যায়, অবিচারের বিচার সব দেশেই জনগণের চাওয়া ছাড়াই হয়। বাংলাদেশে দিন-রাত ও বছরের পর বছর কান্নাকাটি করেও এ অপরাধের কোনো বিচার হয় না।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা পরিষদ হলরুমে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসএ টিভি নিউজ, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
· কথাটি তো শতভাগ সত্য সন্দেহ নেই। সঙ্গে আরও যোগ করা যেতে পারে, এই চুরিকে আমরা জিইয়ে রাখছি যুগ যুগ ধরে। এদেশের রাজনীতিবিদ ও ক্ষমতাসীনেরা এই চুরি বন্ধ না করে প্রশ্রয় দিয়ে যাচ্ছেন বছরের পর বছর। তাদের একটা শ্রেণি এই চুরির ভাগ-বাটোয়ারায় ব্যস্ত থাকে বলে জনগণ ব্যাপকভাবে বিশ্বাস করে থাকে। তবুও স্পিকার সাহেবকে ধন্যবাদ সত্য উচ্চারণের জন্য।
r সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাড়তি বোনাস নিয়েছেন ১১৬ কোটি টাকা, ফেরত দেওয়ার নির্দেশ
২০২৩ সালের পারফরম্যান্সের জন্য সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাঁচটি উৎসাহ বোনাস দেওয়া হয়েছিল। নীতিমালায় তিনটির বেশি বোনাসের সুযোগ না থাকলেও দেওয়া হয় বাড়তি দুটি। দেড় বছর আগে টাকা ফেরতের নির্দেশ দেওয়া হলেও এখনও তা আদায় হয়নি। এর পরিমাণ ১১৬ কোটি টাকা।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দুই দিন পর ৭ আগস্ট সোনালী ব্যাংকের তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আফজাল করিমকে অবরুদ্ধ করে ব্যাংকটির একশ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারী। তাঁদের দাবি ছিল, বছরে পাঁচটি উৎসাহ বোনাস দিতে হবে। তবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী তিনটির বেশি বোনাস দেওয়ার সুযোগ ছিল না।
প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
· রাষ্ট্রের টাকা যারা এভাবে নিজের মনমতো হাতিয়ে নেয়, তাদেরকে টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়াই কি যথেষ্ট? এটা তো গুরু পাপে লঘু দণ্ড হয়ে যাচ্ছে। যারা এভাবে রাষ্ট্রের টাকা তসরুফ করল, তাদেরকে ফৌজদারি আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি প্রদান করা কি আবশ্যক নয়?
বিভিন্ন পর্যায়ে দেখা যায়, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বড় বড় অপরাধ করে। তাদেরকে শাস্তিস্বরূপ এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় বদলি করা হয় অথবা তাদের প্রমোশন স্থগিত রাখা হয় দুয়েক বছর। এটাকেই শাস্তি মনে করা হয়। অথচ এগুলো তাদের অপরাধের তুলনায় কোনো শাস্তিই নয়। তাদের জেলে দিতে হবে, জরিমানা করতে হবে, চাকরিচ্যুত করতে হবে। তাহলে অপরাধের যথাযথ শাস্তি হবে।
r ১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই
টাঙ্গাইলের বাসাইলে ১০ কোটি ৯ লাখ ৯২ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুতে রাতের আঁধারে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাইয়ের অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। সেতুতে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাইয়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সরেজমিনে পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইকবাল হোসেন। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
ঢাকা পোস্ট, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
· এ দেশের দুর্নীতির ফিরিস্তি বলে শেষ করা যাবে না। জনগণের করের টাকা তসরুফ না করা হলে এমনিতেই তো আর জনগণের এই কাহিল দশা হয় না। একটা সড়ক বানানোর পর কয়েক মাস যেতে না যেতেই ভেঙে শেষ হয়ে যায়। একটা ব্রিজ বানালে ধসে পড়ে, সেটাতে রডের বদলে বাঁশ পাওয়া যায়। মানুষের মাঝে তো এটা খুব প্রসিদ্ধ, উন্নয়ন খাতগুলোতে যে টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়, সে বরাদ্দের টাকা অর্ধেকও প্রকল্পে লাগানো হয় না। বিভিন্ন পকেটে চলে যায়। এ কথাগুলো মানুষ তো এমনিই বলাবলি করে না।
r দুয়েকটা ককটেল ফুটিয়ে, বাসে আগুন দিয়ে সরকারের মধ্যে সংকট তৈরি করা যাবে না : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি জানাতে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে জাহেদ উর রহমান এ কথা বলেন।
প্রথম আলো, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
· এ দেশে এবং আজকাল অন্যান্য অনেক দেশেও দেখা যায়, ক্ষমতায় গেলে ক্ষমতাসীনদের চামড়া গন্ডারের থেকেও আরও মোটা হয়ে যায়।
কথায় কথায় তারা বলে, এটা দিয়ে সরকারকে নাড়ানো যাবে না, সরকারের ক্ষতি করা যাবে না। কোনো সংকটই তাদের কাছে সংকট মনে হয় না। দেশ ডুবতে শুরু করলে তারা মনে করে, এখনও অনেক কিছু ভেসে আছে। জনগণের নাভিশ্বাস উঠলেও তারা বলে, মানুষ খেয়েপরে ভালোই আছে।
এখানে প্রশ্ন এটা নয়, সরকারের কিছু করতে পারবে কি না। প্রশ্নটি অন্য জায়গায়। সেটা হচ্ছে, এই ককটেলগুলো কারা নিক্ষেপ করছে, সকলেই জানে। সরকারের লোকেরাও স্বীকার করেছে, এটা পতিত স্বৈরাচারের লোকেরাই করছে।
কথা হচ্ছে, তারা ককটেল নিক্ষেপ করতে পারছে কীভাবে? মাঝেমধ্যে শোনা যায়, রাস্তায় তারা মিছিলও বের করছে। সরকারের লোকেরা কী করে? সরকারের বিভিন্ন এজেন্সি কেন রাখা হয়েছে? তাদের উপস্থিতিতে রাজপথে ককটেল নিক্ষিপ্ত হয়। একবার নিক্ষেপ করার পর আবার নিক্ষেপ করার সাহস পায় কীভাবে? আগে যারা নিক্ষেপ করেছে, তাদেরকে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হলে কি অন্যরা সাহস করত?
সরকারের যদি বোধোদয় না হয় যে, জনগণ পতিত স্বৈরাচারকে আর রাজনীতিতে দেখতে চায় না, তাহলে সরকার মারাত্মক ভুল করবে। একটা কারণেই সরকারের বিরুদ্ধে জনগণ দাঁড়াতে পারে। যদি জনগণ মনে করে, পতিত স্বৈরাচারী সরকারের লোকদেরকে আশ্রয়প্রশ্রয় দিয়ে আবার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে। সুতরাং সরকারকে সজাগ থাকতে হবে, সতর্ক থাকতে হবে এবং এই বদনাম যেন তাদের কাঁধে আসার কোনো সুযোগ তৈরি না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে।
ককটেল ফোটানো হোক, ঝটিকা মিছিল হোক— এ ধরনের কোনো ছোট কাজকেই হালকা করে দেখা যাবে না। কারণ ধীরে ধীরে এই ছোট থেকেই বড় কিছু হতে পারে এবং মানুষের মনে এই ধারণা বদ্ধমূল হতে পারে যে, সরকার তাদেরকে ছাড় দিচ্ছে।
প্রতিবেশী রাষ্ট্র
r ‘ইসলাম অন্য ধর্মের চেয়ে শ্রেষ্ঠ’ বলা মন্ত্রীর অপসারণ চাইল বিজেপি
দুর্নীতির অভিযোগে কর্ণাটকের এক মন্ত্রীর পদত্যাগের দুই দিনের মধ্যেই নতুন করে রাজ্যের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী বাসবরাজ রায়ারেড্ডির পদত্যাগের দাবি তুলেছে বিরোধী বিজেপি।
কোপ্পাল জেলার কুকনুরে এক অনুষ্ঠানে রায়ারেড্ডি ইসলামকে মহান ও মানবিক ধর্ম হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ইসলাম বিজ্ঞানভিত্তিক এবং মানুষকে জীবনযাপনের শিক্ষা দেয়। একপর্যায়ে তিনি মন্তব্য করেন, ‘ইসলাম অন্যান্য সব ধর্মের চেয়ে শ্রেষ্ঠ, কারণ এর সূচনা মানবতা দিয়ে।’
আমার দেশ, ৩১ আগস্ট ২০২৬
· হিন্দুত্ববাদী মোদির দেশে সত্য বলা মহাপাপ।
r মন্দিরের মেহেদি পরলে এক বছরের মধ্যে বিয়ে নিশ্চিত, তিন ঘণ্টায় শেষ ৩৫০০ কেজি
ভক্তদের বিশ্বাস, মন্দিরের মেহেদি পরলে এক বছরের মধ্যেই বিয়ে হয়ে যাবে। আর এই বিশ্বাস থেকে মেহেদি নিতে মানুষের ঢল নামল ভারতের জয়পুরের বিখ্যাত মোতি ডুংরি গণেশ মন্দিরে। মাত্র তিন ঘণ্টাতেই শেষ হয়ে যায় প্রায় তিন হাজার ৫০০ কেজি মেহেদি।
ইত্তেফাক, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
· বিয়ে হোক আর না হোক মেহেদি তো বিক্রি হল। মেহেদি বিক্রি করে প্রতারণা করে টাকা কামিয়েছে। তবুও তো এখানে মেহেদি ধরিয়ে দিয়েছে। একটা জিনিস তো পাওয়া গেছে। কিন্তু ঐতিহাসিক বাবরী মসজিদকে শহীদ করে, ধ্বংস করে সেখানে যে রাম মন্দির প্রতিষ্ঠা করা হল, সেটার জন্য যে মানুষ থেকে শত শত কোটি টাকা চাঁদা নেওয়া হয়েছে, সম্প্রতি বিভিন্ন খবরে এসেছে, সেখানে কীভাবে তসরুফ হয়েছে এবং সে টাকার একটা বড় অংশ বেহাত হয়েছে।
নতুন করে দুয়েকদিন আগেও রিপোর্ট দেখা গেছে, এখনও ভক্তদের দেওয়া চাঁদা নিয়মিতই দুর্নীতিবাজ ও ক্ষমতার বিভিন্ন পর্যায়ে থাকা লোকদের হাতে চলে যায়।
অন্তর্জাতিক
r আপনি প্রেসিডেন্ট, উন্মাদ রাজা নন, ট্রাম্পকে মার্কিন সিনেটর
আমার দেশ, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
· ট্রাম্প এ ধরনের কথা থোড়াই কেয়ার করেন।
r শুধু যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জোট নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে পারে না : কাতার
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো তাদের নিরাপত্তার জন্য শুধু যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য কোনো আন্তর্জাতিক জোটের ওপর নির্ভর করতে পারে না। নিরাপত্তার জন্য নিজেদের স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য দেশগুলোকে আরও উদ্যোগী হতে হবে। আজ সোমবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) রাজধানী আবুধাবিতে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি এ কথা বলেছেন।
প্রথম আলো, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
· মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর এই অনুভূতি যত জোরালো ও বদ্ধমূল হবে, ততই তারা ধীরে ধীরে সঠিক পথে অগ্রসর হতে পারবে।
r ফিলিস্তিনের পাঠ্যবই থেকে ‘ফিলিস্তিন’ শব্দ বাদ দিতে বলা ব্লেয়ারই এখন গাজার শান্তি পর্ষদে!
ইসরায়েলের নৃশংস ও নির্বিচার হামলায় বিধ্বস্ত জনপদ গাজায় ‘শান্তি প্রতিষ্ঠায়’ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’ (শান্তি পর্ষদ) সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারকে ফিলিস্তিনে পাঠায়। পাঠ্যবই থেকে ‘প্যালেস্টাইন’ তথা ফিলিস্তিন শব্দটি বাদ দিয়ে সেখানে ইহুদিদের দেওয়া নাম ‘সামারিয়া’ লেখার জন্য তিনি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে (পিএ) প্রস্তাব দেন। মিডল ইস্ট আই (এমইই) এ তথ্য জানতে পেরেছে।
প্রথম আলো, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
· শিয়ালের হাতে মুরগি দেওয়ার মতো অবস্থা!
গ্রন্থনা : ওয়ালিউল্লাহ খান