শাওয়াল ১৪৪৪   ||   মে ২০২৩

খবর... অতঃপর...

* প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা কাজ করছেন সরকারি দলের হয়ে : জি এম কাদের

ইত্তেফাক, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

# হাঁ, আর এজন্যই আপনারা জাতীয় সংসদে থেকে সহায়কের ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন।

 

* আ. লীগ কখনো একদলীয় শাসন কায়েম করেনি : ওবায়দুল কাদের

যুগান্তর প্রতিবেদন, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

# তাহলে ১৯৭৪ সালে বাকশাল কায়েম করেছিল কে?

 

* জবাবদিহিতে বাংলাদেশ অনেক ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়েও এগিয়ে : তথ্যমন্ত্রী

ডেইলি স্টার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

# যদিও অন্ধ সমালোচকরা সেগুলো বুঝতে চায় না!

 

* আরও এক এমপি দম্পতি পাচ্ছে জাতীয় সংসদ

জনকণ্ঠ, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

# জাসদের হাসানুল হকের স্ত্রী জাতীয় সংসদের মহিলা সংরক্ষিত আসনের এমপি মনোনীত হয়েছেন। যাই হোক, ইনুর সাম্প্রতিক কালের কিছু মন্তব্য ও চাটুকারিতা থেকে বোঝা যাচ্ছিল, কিছু একটা তিনি পেতে যাচ্ছেন। এ টার্মে তিনি মন্ত্রীত্ব না পেলেও স্ত্রীর এমপিত্ব তো পেলেন।

 

* যুক্তরাষ্ট্রে শীর্ষ ধর্মযাজকের ইসলাম গ্রহণ

বাংলাদেশ প্রতিদিন, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

# সত্য, শান্তি ও আলোর ভুবনে মোবারকবাদ!

 

* ঋণ করে ঘি খাওয়ার পরিণাম ভালো হয় না

যুগান্তর, ৪ মার্চ ২০২৩

# অধিকাংশের ক্ষেত্রে এ কথা প্রযোজ্য হলেও কারও কারও ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রমও হয়। যদি ঋণ অন্যের পয়সায় আদায় করা হয় তখন ঘি কেন মাখনও ধার করে খেতে পারবে।

 

* ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে হবে : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ পলক

একুশে টিভি অনলাইন, ৯ মার্চ ২০২৩

# এটাকে ৩০৪১ পর্যন্ত নিতে পারলে ক্ষমতার মেয়াদ আরেকটু বাড়ানো যেতে পারে। এভাবে কম না বলে ৩০৪১ পর্যন্ত বললে আরও শত শত বছর ক্ষমতায় থাকা নিশ্চিত করা যাবে।

 

* ২৫০, ২০০, ১০০, ৫০ গ্রাম গরুর মাংস বিক্রি করছে স্বপ্ন

প্রথম আলো, ১০ মার্চ ২০২৩

# জানি না স্বপ্নের বিরুদ্ধে কখন আবার মানহানি মামলা হয়! অপ্রতিরোধ্য দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাওয়া একটি রাষ্ট্রে কী করে ৫০ গ্রাম গোশত বিক্রি করা যায়!

 

* এবারের হজ প্যাকেজ অমানবিক : হাইকোর্ট

ঢাকা টাইমস, ১৪ মার্চ ২০২৩

# এদেশের কোর্ট এতটুকু কথা বলতে পেরেছে এটাও কম কী? অন্তত অমানবিক বলে শ^াস তো ফেলতে পেরেছে। সরকারকে কোনো অর্ডার দিতে পারুক বা না পারুক। অথবা সরকারের কাছ থেকে মুসলমানদের একটি অন্যতম ফরয ইবাদত আদায়ের খরচ এমন গাণিতিক হারে টাকা বৃদ্ধির হিসাব নিতে পারুক বা না পারুক।

অথচ প্রথম আলোর ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ -এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এবার সরকারিভাবে হজ্ব পালনে খরচ হবে ৬ লাখ ৮৩ হাজার ১৮ টাকা। অন্যদিকে বেসরকারিভাবে এজেন্সির মাধ্যমে হজ্ব পালনে সর্বনিম্ন খরচ ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৭২ হাজার ৬১৮ টাকা।

বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশের হজ্বযাত্রার খরচের তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে দেখা গেছে, এসব দেশগুলোর চেয়ে হজ্বযাত্রায় বাংলাদেশীদের বেশি টাকা খরচ করতে হয়।

ইন্দোনেশিয়া

জনসংখ্যার দিক দিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়া। অন্যান্য দেশের তুলনায় হজ্বযাত্রায় দেশটির মুসলমানদের অনেক কম টাকা খরচ করতে হয়। সেখানে হজ্বে যেতে জনপ্রতি ২ লাখ ৩৮ হাজার ৪৫৩ টাকা খরচ হয়। হজ্বযাত্রায় আরও টাকা লাগলে সেটি সরকারের হজ্ব ফান্ড ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি থেকে ভতুর্কি দেওয়া হয়।

মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়া থেকে হজ্বে যেতে সর্বনিম্ন ২ লাখ ১৮ হাজার ৭৫৪ টাকা ও সর্বোচ্চ ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬০০ টাকা দিতে হয়।

গত বছরের ২২ এপ্রিল দেশটির সরকার হজ্বে যাওয়ার এই খরচ ঘোষণা করে। এতে বলা হয়েছে, বি-৪০ গ্রুপের (যে পরিবারের মাসিক আয় ৯৬ হাজার টাকার কম) মুসল্লিদের জন্য ২ লাখ ১৮ হাজার ৭৫৪ টাকা। আর যেসব পরিবারের মাসিক আয় এর চেয়ে বেশি, তাদের খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬০০ টাকা।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ধর্ম বিভাগের মন্ত্রী ইদ্রিস আহমাদ সম্প্রতি জানিয়েছেন, প্রতি বছর হজ্বে ভতুর্কি হিসেবে সরকার ৬০০ থেকে ৮০০ কোটি টাকা ভতুর্কি দেয়।

ভারত

২০২০ সালের নভেম্বরে ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, পশ্চিমবঙ্গে ২০১৯ সালে হজ্বে যেতে জনপ্রতি খরচ হয়েছিল প্রায় ৩ লাখ টাকা। কিন্তু পরের বছর এই খরচ বাড়িয়ে ৪ লাখ ২৩ হাজার ৫৭১ টাকা নির্ধারণ করেছিল রাজ্যের হজ্ব কমিটি। তবে এই বছর হজ্বের প্যাকেজ ঘোষণা করা হলেও এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত খরচের তথ্য জানানো হয়নি। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে ভারতে হজ্বে ভতুর্কি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

পাকিস্তান

চলতি বছর হজ্বের  খরচ এখনো চূড়ান্ত করেনি দেশটির সরকার। তবে পাকিস্তান ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মুহাম্মাদ উমর বাট গত শনিবার জানিয়েছেন, এবার হজ্বে যেতে জনপ্রতি ৩ লাখ ১১ হাজার টাকা থেকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা খরচ হতে পারে।

এসব এখানে লিখে বা বলে কোনো লাভ নেই। বরং বিষয়টা হল একেকটা উপলক্ষ তৈরি হয়। যেমন, রমযান এলে মানুষ রোযা রাখবে, ইফতার ও সাহরীর জন্য কেনাকাটা করবে। এ ওসিলায় কিছু ব্যবসায়ী কারণে অকারণে দাম বাড়িয়ে দেবে। দুয়েকজন দায়িত্বশীল বলবেন, না, দাম বাড়ার তো যৌক্তিক কারণ নেই। তেমনিভাবে হজ্ব মুসলমানদের একটি ফরয ইবাদত। সম্পদশালীদের জন্য এটা একটি বাধ্যতামূলক ইবাদত। সেটাকে পুঁজি করে ব্যবসা করতে হবে এটা হল বড় কথা।

এদেশের খরচের সাথে অন্যান্য দেশের খরচের সামঞ্জস্য আছে কি? খরচ কেন বাড়ানো হচ্ছে? কেন এ খাতে অতি লাভ করার চিন্তা করা হচ্ছে?

যেখানে ভতুর্কি দেওয়া দরকার, সহযোগিতা করা দরকার, অনেক দেশ ভতুর্কি দিয়েও থাকে, সেখানে ইচ্ছে করেই মোটা অংকের লাভ ও হরেক রকম কামাইয়ের যে ব্যবস্থা করা হয় তা কেবলই ধর্মীয় আবেগকে নিয়ে খেলা করার কারণে।

 

* আওয়ামী লীগের ক্ষমতার উৎস বন্দুকের নল নয়, জনগণ : চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাছির

জাগো নিউজ, ১৯ মার্চ ২০২৩

# সে আর বলতে...!

 

* জাতীয় নির্বাচনের আগে সরকার ভোট চুরির রিহার্সেল দিল : জাতীয়তাবাদী যুবদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দীন টুকু

বাংলা নিউজ২৪.কম, ১৯ মার্চ ২০২৩

# সরকার চুরির রিহার্সেল দিয়ে থাকলে আপনারা তো শুধু দেখছেন আর ভাবছেন। চোর গেলে হয়তো বুদ্ধি বাড়বে আপনাদের। এমন গৃহস্থের ঘরে তো চুরি হতেই থাকবে।

 

* আফগানিস্তানে গাঁজা চাষ নিষিদ্ধ করেছে তালেবান

নয়া দিগন্ত, ২০ মার্চ ২০২৩

# খুবই স্বাভাবিক। একটি ইসলামী সরকারের কাছে এটাই তো প্রত্যাশিত।

 

* ব্রিফিংয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

রমজানে দ্রব্যমূল্য বাড়ার যৌক্তিক কারণ নেই

বণিকবার্তা, ২৫ মার্চ ২০২৩

# আর কোনো যুক্তি ও কারণ না থাকলেও একটি কারণ তো স্পষ্ট আছে, এদেশে ইচ্ছেমতো দাম বাড়ালেও কোনো জবাবদিহি করতে হয় না। কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। সময়-সুযোগ বুঝে সরকারকেও ব্যবসা করতে দেখা যায়। যেমন, আজকাল হাজ্বীদের নিয়ে ব্যবসা করছে।

 

* ব্যাংক

৮ বছরের মধ্যে প্রথম আমানত কমল শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংকগুলোর

প্রথম আলো, ২৫ মার্চ ২০২৩

# এতদিন হয়তো সরল সাধারণ মুসলমানেরা তাদের অভ্যন্তরীণ শরীয়া পালনের অবহেলার কথা না জেনেই টাকা আমানত রেখেছে। এখন হয়তো তারাও ধরে ফেলেছে এ ব্যাংকগুলোর শরীয়া পরিপালনে দেউলিয়াত্বের কথা।

 

* এআইয়ের কারণে চাকরি হারাতে পারে বিশ্বের ৩০ কোটি মানুষ : রিপোর্ট

বাংলাদেশ প্রতিদিন, ৩০ মার্চ ২০২৩

# কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) কারণে সাধারণ মানুষের যে চাকরি যাবে শুধু তাই না; বরং মাইক্রোসফটের বিল গেটস সাহেব বলেছেন, এআই মানুষের বিরুদ্ধে এ্যাকশনেও যেতে পারে। সম্প্রতি এক্সপ্রেস নিউজে বিল গেটসের এ উক্তি প্রকাশিত হয়েছে। সে যাই হোক, কত জনের চাকরি যাবে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানুষের বিরুদ্ধে এ্যাকশনে যাবে কি যাবে না সেসব বড় কথা নয়, বড় কথা হল, যারা এসব নিয়ে কাজ করছে, এসবের প্রচারণা চালাচ্ছে, এগুলোকে প্রোডাক্ট বানিয়ে ভবিষ্যৎ বাণিজ্যের পরিকল্পণা করছে, তাদের পোয়াবারো হবে।

অল্প কিছু লোক দুনিয়াতে টিকে থাকবে। বাকিরা ধ্বংসের মুখে যাবে, চাকরিহারা হবে তাতে সমস্যা কী? বড়লোকেরা টিকে থাকলেই তো হবে! পৃথিবীটা এখন চলছেই এ মানসিকতা নিয়ে। কোনো কিছু আবিষ্কার বা চালু করতে গিয়ে ভবিষ্যৎ-পরিণতি ভাবা হচ্ছে না। মোবাইল ফোনের আবিষ্কারক স্বয়ং আফসোস করছেন এর অপব্যবহার দেখে। কিন্তু এখন আফসোস করে কী হবে। তীর তো হাতছাড়া হয়েই গেছে। যা ক্ষতি হওয়ার তা তো হচ্ছে। অদূরদর্শিতা ও মানুষের মনগড়া পৃথিবী পরিচালনার খেসারত তো দিতেই হবে।

 

* বিচারব্যবস্থার মূল সমস্যা বিলম্বিত বিচার : বিদায়ী বিচারপতি বসির উল্লাহ

জাগো নিউজ, ৩১ মার্চ ২০২৩

# যাই হোক, অনেক বিচারকের মতো তিনিও অন্তত বিদায়বেলা নীতিবাক্য বলে গেলেন।

 

* বিদেশিরা প্রশংসা করে, কিন্তু কিছু রাজনীতিবিদ ও গণমাধ্যম শুধু সমালোচনা করে : ওবায়দুল কাদের

প্রথম আলো, ২ এপ্রিল ২০২৩

# বিদেশিরা সমালোচনা করলে মিথ্যা হতে পারে। সেটার জন্য তাদের বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে, বিষোদ্গার হতে পারে। যেমন, আলজাজিরা রিপোর্ট করেছে, আমেরিকা বিভিন্ন বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সেগুলো খারাপ। কিন্তু তারা যখন প্রসংশা করবে সেটা তখন সত্য ও অতি উত্তম হিসেবে নিতে হবে। কাদের সাহেব খারাপ কী বলেছেন?

 

* আঞ্চলিক সড়কে টোলের পরিকল্পনা, করের টাকায় তৈরি রাস্তায় টোল কেন

বিবিসি নিউজ বাংলা, ৫ এপ্রিল ২০২৩

# আরও আগ থেকেই রাস্তাঘাটগুলোতে টোল আদায়ের তোড়জোড় শোনা গিয়েছে। যখন চোখের ক্ষুধা, পেটের ক্ষুধা বেড়ে যায়, যখন সাধারণ জনগণের সম্পদ ও টাকা নিজের সম্পদ ও টাকা মনে হয়, তখন দশা তো এমনই হয়।

জনগণ থেকে তো কর নেওয়া হয়, বহির্বিশ্ব থেকে যে ঋণ নেওয়া হয় তার সুদও জনগণের টাকা থেকে দেওয়া হয়, সে টাকা দিয়ে যখন রাস্তা নির্মাণ হল সে রাস্তা ব্যবহারের জন্যও জনগণকে কর দিতে হবে!

বিদেশে যেটা দেখা যায়, বিভিন্ন কোম্পানি নিজস্ব অর্থায়নে প্রাইভেট রাস্তা নির্মাণ করে। সে রাস্তা ব্যবহারের জন্য কোম্পানি কর আদায় করে। কিন্তু এদেশে সরকারি রাস্তার উপর করারোপের চেষ্টা চলছে। সেটা সম্ভবত শীঘ্রই বাস্তবায়িত হবে!

 

মন্তব্য : আবুন নূর

গ্রন্থনা : মাওলানা ওয়ালিউল্লাহ খান

 

 

advertisement