শাবান-রমযান-১৪৪১   ||   এপ্রিল- মে ২০২০

০৬ রজব ১৪৪১ হিজরি, ০২-০৩-২০২০ ঈসায়ী সোমবার

আজ মারকাযুদ দাওয়াহ্র হযরতপুর প্রাঙ্গণে এসএসসি পরীক্ষা সমাপণকারীদের জন্য দিনব্যাপী দ্বীনশিক্ষা মজলিস অনুষ্ঠিত হয়েছে।  প্রায় ৮০/৯০ জন স্থানীয় শিক্ষার্থী এতে অংশগ্রহণ করেন।

তিন-চার পর্বে বয়ান, কুরআন তিলাওয়াতের মশক, অযু-নামাযের আমলী মশক, উন্মুক্ত প্রশ্নোত্তর, কুইজ, দাওয়াত ও তাবলীগের মেহনতে জোড়ার তাশকীল, ফাঁকে ফাঁকে উৎসাহ-উদ্দীপনামূলক বিভিন্ন নাশীদÑ এসব দিয়ে সাজানো হয় মজলিসের অনুষ্ঠানসূচি। সব মিলিয়ে শিক্ষামূলক এ আয়োজনকে আনন্দঘন ও উপকারী রাখার প্রতি বিশেষ লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

জেনারেল শিক্ষিত ও শিক্ষার্থীদের মজলিসে মুদীর ছাহেব হুযুর যে কথাগুলো খুব গুরুত্বের সাথে বলেন, তার মধ্যে সবিশেষ উল্লেখযোগ্য হল, জেনারেল শিক্ষিত ও আলেম-ওলামা পরস্পর কাছাকাছি আসা উচিত। সবাই সবাইকে বুঝা উচিত। কর্মে, বিশ্বাসে ও মানসিকতায় একে অপরের কাছাকাছি আসা জরুরি। আমি মাদরাসায় পড়ি আর কলেজে পড়ি বা লেখাপড়া নাই করি, শিল্প কারখানায় চাকরি করি বা অন্য কোনো পেশায় থাকিÑ আমি মুসলিম। এখানে আমরা এক। এটি সবার একটা যোগসূত্র। আমাদের সবার কালেমা এক ও অভিন্ন। আমরা নামায পড়ি, রোযা রাখি, হজ¦ করিÑ এখানে জেনারেল আর মাদরাসা শিক্ষিত সবার জন্যই তো এক নিয়ম।

আমীনুত তালীম হুযুর তাঁর বয়ানে বলেন, আমরা যে যেই বিষয়েই পড়াশুনা করি না কেন বা যে যেই পেশাই গ্রহণ করি না কেন আমাদের সবার মনযিল হল আখেরাত।

এজন্য আখেরাতের ইলম সবাইকে শিখতে হবে। ইলমে দ্বীন শেখার ক্ষেত্রে একটা বিষয় এটাও যে, পূর্বসূরী মহান মনীষীগণের জীবন জানা; যাদের মাধ্যমে এ ইলমে দ্বীন আমরা পেয়েছি তাদের জীবনী অধ্যয়ন করা এবং সেটা আপনার যুগ থেকে নিয়ে নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগ পর্যন্ত। নবী, সাহাবী, অলী এবং ইলমে দ্বীনের যতগুলো শাখা আছে প্রত্যেক শাখায় বড় বড় মনীষীদের জীবন চরিত বিষয়ে মোটামুটি একটি ধারণা থাকা।

 

 

advertisement