রবিউল আউয়াল ১৪৪১   ||   নভেম্বর ২০১৯

নবীজীর প্রতি ভালবাসার দাবি

আসলাম শেখুপুরী

হযরত আবু খায়সামা রা.-এর হৃদয়ে নবীপ্রেমের যে স্ফুলিঙ্গ ছিল, তা যদি আমাদের হৃদয়ে থাকত, আমাদের চিন্তা ও দৃষ্টিভঙ্গি যদি তেমন হত, যেমন ছিল তাঁর চিন্তা ও দৃষ্টিভঙ্গি তাহলে জীবন-¯্রােতের গতি পাল্টে যেত। বিলাসিতাপূর্ণ জীবনযাপন, জাতির চরম অধঃপতন, শরীয়তের প্রতি অবহেলা ও ক্ষণস্থায়ী জীবনের প্রতি মিথ্যে ভালবাসার যে চিত্র চারদিকে দেখা যায় তা পুরো বদলে যেত।

নবম হিজরীর ঘটনা। রোমের বাদশাহ মদীনা আক্রমণের ষড়যন্ত্র করছিল। নবীজী সংবাদ পেয়ে তার আগমনের অপেক্ষা না করে আগে বেড়ে মোকাবেলা করার সিদ্ধান্ত নিলেন। সাহাবায়ে কেরামের মাঝে জিহাদের জন্য প্রস্তুতি নেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়। নবীজীর এ ঘোষণাটি ছিল স্বাভাবিক রণকৌশল থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। পূর্বের যুদ্ধগুলোতে শুধু রণাঙ্গণের জন্য প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশ দেয়া হত। তবে কোথায়, কার সাথে যুদ্ধ হবে এ ব্যাপারে কোনো পূর্বধারণা দেয়া হত না। সাথীদের থেকে গন্তব্যের দিক গোপন রেখে অপরিচিত পথ ধরে চলে অতর্কিত হামলা চালানো হত শত্রুবাহিনীর উপর। তবে তাবুক যুদ্ধে শত্রুর কথা স্পষ্টভাবেই উল্লেখ করে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হওয়ার ঘোষণা দেয়া হয়। কারণ এ যুদ্ধটি ছিল সেই সময়ের এমন প্রতাপশালী শক্তির বিরুদ্ধে, যার সা¤্রাজ্য ছিল অর্ধপৃথিবীজুড়ে বিস্তৃত। সময়টাও ছিল প্রচ- গরমের। আকাশ থেকে যেমন আগুন ঝরছিল। মাটি ছিল যেন উত্তপ্ত অগ্নিস্ফুলিঙ্গ। আর গন্তব্যও সেই সুদূরে। মদীনা থেকে মোটামুটি ৭০০ কিলোমিটারের রাস্তা। ইতিপূর্বে এত দূরের কোনো যুদ্ধাভিযানে যাওয়ার সুযোগ বা উপলক্ষ তৈরি হয়নি মুসলমানদের। সেইসাথে ছিল পথের জন্য পাথেয় সংগ্রহের রিক্ত ঝুলি। যদিও সাহাবায়ে কেরাম দিল খুলেই দান করেছিলেন আল্লাহর পথে। হযরত ওমর রা. ঘরের অর্ধেক সম্পদ এনে পেশ করেছিলেন নবীজীর খেদমতে। আর আবু বকর রা. তো ঘরের সবকিছুই এনে হাজির করেছিলেন নবীজীর সামনে। আবু বকর রা.-এর এই দান দেখে মনের অজান্তেই ওমর রা. বলেছিলেন, আবু বকর! কেউ আপনার আগে বাড়তে পারবে না।

হযরত উসমান রা. তার ধনভাণ্ডার উজাড় করে এতটাই দান করেছিলেন যে, জবানে নবুওত থেকে উচ্চারিত হয়েছিল মহাসৌভাগ্যের বাণীÑ হে আল্লাহ! আমি উসমানের উপর খুশি হয়ে গেছি। আপনিও তার উপর খুশি হয়ে যান।

সাহাবায়ে কেরামের এই বিপুল দান সত্ত্বেও এ যুদ্ধের নাম দেয়া হয় ‘গাযওয়াতুল উস্র’Ñসংকটপূর্ণ যুদ্ধ-সফর। এমন সংকট ও সংকীর্ণ অবস্থা ছিল যে, ১৮ জন মুজাহিদের ভাগে একটি করে উট নির্ধারিত ছিল। পালা করে তাতে তারা আরোহণ করতেন। পানিসংকটের দরুন প্রাণ বাঁচানোর জন্য উট জবাই করে তার ভেতর সঞ্চিত পানি দিয়ে শুধু মুখ ভেজানোর পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল তখন। গাছের পাতা খেয়ে জীবন ধারণের প্রয়োজনও হয়েছিল কখনো কখনো। এদিকে তখন ছিল খেজুর পাকার মওসুম। মদীনাবাসীদের জীবিকা নির্বাহের অন্যতম প্রধান মাধ্যম ছিল খেজুর।

এ সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এত দূরের সফরের জন্য প্রস্তুত হওয়াটা যে কত বড় ঈমানী পরীক্ষা ছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে ঈমানের উজ্জ্বল প্রদীপ যাদের হৃদয় আলোকিত করে রেখেছিল, যাদের অন্তরে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের ভালবাসার স্বচ্ছ ঝর্ণা প্রবাহিত ছিল এ পরীক্ষায় তারা ভালোভাবেই উত্তীর্ণ হয়েছিলেন।

তাবুক যুদ্ধের সময় মদীনা পুরো খালি হয়ে যায়। মুনাফিকরা ছাড়া আর কেউ মদীনায় ছিল না। তবে মুষ্টিমেয় মুমিন সাহাবীও থেকে গিয়েছিলেন মদীনায়। যাদের মধ্যে হযরত আবু খায়সামাও ছিলেন।

একদিন আবু খায়সামা রা. নিজের বাগানে গেলেন। তখন প্রচ- গরম পড়ছিল। সূর্য যেন অগ্নিরূপ ধারণ করেছে। প্রচ- গরমে মনে হচ্ছিল আকাশ থেকে আগুন ঝরছে। এ অগ্নিপরিবেশে স্বামীকে শীতল পরশ দেয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছিল তার দুই স্ত্রী। গাছের ছায়া, ঠা-া পানির ঝাপটা, নরম-কোমল বিছানা, দস্তরখানের উপর বাহারি রঙের খাবারের আয়োজন করে তারা একটি মনোমুগ্ধকর পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছিলেন।

কিন্তু না, আবু খায়সামা রা.-এর সঞ্চালিত পা ছায়াময় সাজ-সজ্জার আসরে পৌঁছার আগেই যেন থেমে গেল। শীতল ছায়া, ঠা-া পানি, বাহারি দস্তরখান মন আকর্ষণ করছিল ঠিকই কিন্তু সেইসাথে হৃদয়-সাগরে এক তরঙ্গবিক্ষুব্ধ ঝড় শুরু হল। একটি পবিত্র ভাবনার প্রচ- ধাক্কা যেন সামনের বাহারি সব আয়োজন উল্টে দিলÑ আরে! নবীজী তো এ প্রচ- গরমে আল্লাহর পথে সফর করে কত কষ্ট করছেন। আর আমি কি না এখানে সুখের মঞ্চে বসে আনন্দ উপভোগ করছি।

ব্যস, এ ভাবনা মনে দোলা দিতেই উটে চড়ে তিনি তাবুকের পথে রওয়ানা হয়ে গেলেন। সাহাবায়ে কেরাম তাবুক পৌঁছে গিয়েছিলেন। কেউ একজন দূর থেকে মদীনা থেকে আগত এক আরোহীকে আসতে দেখে নবীজীকে জানালেন। প্রত্যেক সাহাবীর উপরই নবীজীর ছিল আলাদা আলাদা দৃষ্টি। তেমনি মদীনার অধিবাসীদের মন-মানসিকতাও বুঝতেন তিনি। জানতেন, কার হৃদয়ে ঈমানের আলো আছে আর কার ভেতরে নেফাকের অন্ধকার। নেফাকের কারণে কে জিহাদে শরীক হয়নি তাদের যেমন জানতেন, তেমন জানতেন ইখলাস থাকা সত্ত্বেও অলসতা বা অন্য কোনো কারণে কে রণাঙ্গনে হাজির হতে পারেনি। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, এসকল পূণ্যাত্মা মানুষগণ হয়ত চোখের আড়ালে ছিলেন কিন্তু মনের আড়ালে ছিলেন না।

নবীজী দূর থেকে দেখেই আগ্রহভরা কণ্ঠে বললেন, হয়ত আবু খায়সামা হবে। কাছে আসার পর নবীজীর ধারণাই সত্য হল। সালামের উত্তর দেয়ার পর নবীজী বললেন, আবু খায়সামা! তোমাকে মোবারকবাদ। ধ্বংসের উপকণ্ঠ থেকে তুমি বের হয়ে এসেছ।

শুধু রবীউল আওয়াল মাস এলে আমাদের মনে পড়ে, এ মাসে পাপাচার ও মূর্খতার নিকশ কালো দীর্ঘ রাতের পর সৌভাগ্যের আলোঝলমলে দিনের উদ্বোধন হয়েছিল। শরতের নির্জীব শুষ্কতার পর বসন্তের প্রাণসজীব বায়ু প্রবাহিত হয়েছিল।

রবীউল আওয়াল মাস এলে আমাদের মনে পড়ে, এ মাসে  সেই মহামানব পৃথিবীতে এসেছিলেন, যিনি অনাথ ও অসহায় এতিম শিশু, সমাজের চোখে হেয় বিধবা নারী, মাটিতে জীবন্ত কবরস্থ নিষ্পাপ মেয়ে, মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত দাসসমাজ, সুদের চাকায় পিষ্ট সাধারণ মানুষ এবং মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে উপনীত মানবতাকে উদ্ধার করেছিলেন। সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে জেঁকে বসা রোগ-ব্যাধির প্রতিকার ও মহৌষধ নিয়ে তিনি এ পৃথিবীতে এসেছিলেন।

কিন্তু আমাদের সাফা পাহাড়ের উপর নবীজীর প্রদত্ত সেই আহ্বান মনে পড়ে না। খোদ কাবার মধ্যে ৩৬০টি মূর্তি স্থাপনকারী অন্ধকার মানুষগুলোকে তিনি যখন এক খোদার আলোকিত পথের সন্ধান দিলেন তখন অন্য কেউ নয় স্বয়ং নবীজীর আপন চাচা আবু লাহাব এর প্রতিবাদ করেছিল এবং পাথরের আঘাতে আপন ভাতিজার রক্ত ঝরিয়েছিল।

আমাদের মক্কার মুশরিকদের এসেম্বেলীর কথা মনে পড়ে না, যেখানে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল, মুহাম্মাদকে সব দিক থেকে কোণঠাসা করা হবে। সুযোগ পাওয়া মাত্রই তাকে নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রƒপ করে তাকে তীব্র মানসিক যন্ত্রণায় রাখা হবে। সেই সাথে মুহাম্মাদকে যারা সত্য মনে করবে তাদের উপর চালানো হবে অত্যাচারের স্টিমরোলার।

এরপর মক্কাবাসী যে চরম নিষ্ঠুরতার সাথে এ নির্মম সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেছিল তা দেখে বনের পশুরাও হয়তো লজ্জা পেয়েছিল। মুহাম্মাদের অনুসারীদের কাউকে জ¦লন্ত অঙ্গারের উপর টানা-হেঁচড়া করা হয়েছিল। কারো গলায় রশি পেঁচিয়ে মক্কার গলিতে গলিতে ঘোরানো হয়েছিল। কাউকে মক্কার উত্তপ্ত বালুর উপর পাথর চাপা দিয়ে ফেলে রাখা হত। সেই মযলুমানের আহাজারি ও হৃদয়বিদারক কান্নায় আকাশ-বাতাস ভারি হয়ে উঠত। ঈমানের দাওয়াত থেকে যাকে বিরত রাখার জন্য এ চরম নিষ্ঠুরতা ও নির্মমতা, তাঁর কানে যখন এ মজলুমানের কান্নাভেজা ফরিয়াদ ভেসে আসত তিনি তখন সান্ত¦না দিয়ে বলতেন, ধৈর্য ধর। জান্নাত হবে তোমাদের ঠিকানা।

আমাদের হয়ত তায়েফের সেই রক্তভেজা ইতিহাসের কথা মনে পড়ে না। তায়েফ। যেখানে খেজুর গাছের সারি সারি বাগান ছিল। কুলুকুলু রবে বয়ে যাওয়া স্বচ্ছ পানির ঝর্ণা ছিল। চোখজুড়ানো সুজলা-সুফলা মনোহরী ফসলের ক্ষেত ছিল। মানুষের মাঝে বিত্তবৈভব ও বিলাসিতা ছিল। ব্যবসার রমরমা বাজার ছিল। যেখানকার অধিবাসীদের মাঝে সভ্যতা ও সমৃদ্ধির মিথ্যা অহমিকা ছিল। এই তায়েফে দাওয়াত দেয়ার ‘অপরাধে’ দোজাহানের সর্দারের কলিজায় প্রথমে বিষমাখা কথার ধারালো খঞ্জর চলানো হয়েছিল। এরপর শহরের উশৃঙ্খল যুবকদের লেলিয়ে দিয়ে পাথর-বৃষ্টি বর্ষণ করে তাকে রক্তাক্ত করা হয়েছিল।

আমাদের হয়ত শিআবে আবু তালেবের সেই কষ্টের দিনগুলোর কথা মনে পড়ে না, যেখানে জীবন ধারণের সমস্ত উপকরণ বন্ধ করে অবলা নারী ও নিষ্পাপ শিশুদেরসহ নবীজীকে শুধু এক-দুই মাস নয়; পূর্ণ তিন বছর বন্দী জীবন যাপনে বাধ্য করা হয়েছিল।

বদরের অস্তিত্ব রক্ষার যুদ্ধ, উহুদের লাল খুনের লহর, খন্দকের ভয়াল রাতের পরীক্ষা, হুনায়নের মুষলধারে তীর বৃষ্টি, তাবুকের চামড়া ঝলসানো রোদ, অন্ধকার রাতে উম্মতের জন্য দরদী নবীর চোখের পানি, উম্মতের হেদায়েতের জন্য তার দিলের বেকারারি ও বেচাইনির কথা আমাদের মনে পড়ে না। হয়ত আমরা ইচ্ছা করেই এসব মনে করতে চাই না। যেন আমাদের সুখী-সুন্দর জীবন কালো মেঘের আড়ালে ঢাকা না পড়ে যায়। আমাদের জশনে-জুলুসের জমজমাট মিছিলের জৌলুস ও রং-ঢং মলীন না হয়ে পড়ে।

ভয় হয়, কেউ আমাদের জিজ্ঞেস করে বসে কি না, হে উম্মতের জন্য দরদী নবীর অনুসারীরা! যে নবীর রাতের প্রহর কাটতো দুআ-মুনাজাতে, দিন অতিবাহিত হত মেহনত-মুজাহাদায়, মাসের পর মাস যার ঘরে চুলা জ্বলতো না, দিনের পর দিন খাওয়ার মত কোনো খাবার পেতেন না। যিনি রবের পয়গাম রবের বান্দাদের কাছে পৌঁছানোর জন্য নিজের সবকিছু উৎসর্গ করেছিলেন, যার সমস্ত সত্তা জুড়ে ছিল দ্বীনের ও উম্মতের ফিকির, তোমরা সে দ্বীনের জন্য কী করেছ? কয় রাত তোমার বিনিদ্র কেটেছে? কয় দিন উম্মতের দরদ ও ব্যথায় অতিবাহিত হয়েছে? দ্বীনের জন্য কত টাকা খরচ করেছ তুমি? উম্মতের অধঃপতন দেখে তোমার চোখ থেকে কয় ফোঁটা পানি ঝরেছে? এ পতন থেকে উত্তরণের জন্য কতটুকু চেষ্টা করেছ তুমি?

আমরা চাই না কেউ আমাদের এ প্রশ্নগুলো করুক। তবে যখন কালের দর্পণে প্রশ্নগুলো আপনাআপনি ভেসে উঠতে দেখি তখন ঝলমলে মাহফিলের আলোর বৃষ্টিতে, বাহারী রঙের সুস্বাদু মিষ্টির পসরাতে, জশনে-জুলুসের হৈ চৈ ও মাতামাতিতে, কাওয়ালীর বাঁশীর সুরে ও রঙ-বেরঙের পতাকার তরঙ্গে প্রশ্নগুলোকে আমরা ভাসিয়ে দিতে চাই। যেন আমাদের জীবনের বসন্তে গ্রীষ্মের খরা নেমে না আসে। কোকিলের কুহুকুহু ডাক বন্ধ না হয়ে যায়।

কিন্তু আমাদের কারো মনে যদি আল্লাহ তাআলা আবু খায়সামার (রা.) মত চিন্তা জাগিয়ে দেন, তার হৃদয়েও যদি ঝড় ওঠে যেমন উঠেছিল আবু খায়সামার (রা.) হৃদয়ে, আমরাও যদি আবু খায়সামার (রা.) মত ভাবিÑ আমার প্রিয় নবী তো দ্বীনের জন্য গালি শুনেছেন, রক্ত ঝরিয়েছেন, সামাজিকভাবে বয়কট হয়েছেন, মরুভূমির তপ্তবালুর উপর দ্বীনের কাফেলা নিয়ে চলেছেন আর আমি...!

নবীজীর জন্মদিন উপলক্ষে আমরা জশনে-জুলুসের মিছিল বের করে, না‘রা হাঁকিয়ে এবং শিন্নি-মিষ্টি বিতরণ করেই দায়িত্ব শেষ করি। এগুলোকে ‘পেটের দাবি’ বলা  গেলেও ‘নবীপ্রেমের দাবি’ বলা কখনো সম্ভব নয়। যখন নবীজীর প্রতি ভালবাসার তীব্র আকুতি সৃষ্টি হয় তখন সে আকুতির তীব্রতা ঝলসানো রোদের মাঝেও শীতল ছায়ায় বসতে দেয় না। পিপাসার্ত শুকনো ঠোঁট  থেকে ঠা-া পানিও দূরে সরিয়ে দিতে বাধ্য করে। হ

ভাষান্তর : শাহাদাত সাকিব

 

 

advertisement