জুমাদাল উখরা-১৪৩৩   ||   মে-২০১২

নবী-আদর্শের অনুসরণে মর্মান্তিক অবহেলা বড় বড় সুন্নত পরিত্যক্ত, বহু সুন্নত নিষ্প্রাণ এরপরও ঈমান ও মুহববতের দাবি!

মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক

(পূর্ব প্রকাশিতের পর)

দশটি নিষিদ্ধ বিষয়

তিনিই সুন্নাহ এবং উসওয়ায়ে হাসানাহর অনুসারী, যিনি সুন্নাহ-নির্দেশিত বিষয়গুলো পালন করবেন এবং নিষিদ্ধ বিষয়গুলো থেকে বিরত থাকবেন। যে হারাম কাজ বা কবীরা গুনাহয় লিপ্ত, সে শুধু মুস্তাহাব পর্যায়ের কিছু সুন্নত পালন করার দ্বারা কখনো সুন্নাহর অনুসারী হবে না। এজন্য যে আল্লাহর ভালবাসা পেতে চায়, যে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ভালবাসে, যে পরকালে জাহান্নাম থেকে মুক্তি চায় এবং জান্নাতে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে থাকার তামান্না রাখে তার প্রথম কাজ, ফরয ওয়াজিব গুরুত্বের সাথে পালন করা, হারাম থেকে বেঁচে থাকা এবং গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা। কারণ এটাই হল ইত্তিবায়ে সুন্নতের প্রথম প্রধান শিক্ষা।

নমুনা হিসেবে দশটি নিষিদ্ধ বিষয় উল্লেখ করা হল। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে এগুলো থেকে এবং অন্য সকল নিষিদ্ধ বিষয় থেকে বেঁচে থাকার তাওফীক দান করুন। আমীন।

. শিরক বিদআত

সকল নবীর দ্বীন তাওহীদের দ্বীন। সর্বশেষ নবী রাসূল সাইয়্যিদিনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদ মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর অবতীর্ণ শেষ শরীয়তে আরো অধিক সতর্কতা এই করা হয়েছে যে, শিরকের উপায় মাধ্যম এবং শিরকের অনুষঙ্গ অবলম্বনগুলোকেও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শিরকে জলীর পাশাপাশি শিরকে খফী এবং শিরকে আকবরের সাথে সাথে শিরকে আসগরকেও হারাম সাব্যস্ত করা হয়েছে।

তদ্রূপ শরঈ দলিল ছাড়া দ্বীন শরীয়তের বিষয়ে কোনো কথা বলা কিংবা শরঈ দলিল ছাড়া কোনো বিষয়কে দ্বীন বলা অথবা কোনো বিষয়কে শরীয়ত কর্তৃক নির্ধারিত স্থান মর্যাদা থেকে উপরে তোলা বা নীচে নামানোকেও বিদআত বলা হয়েছে। আকীদা চিন্তাগত বিদআতের পাশাপাশি আমল ইবাদতের বিদআতকেও বিদআত বলা হয়েছে।

বিদআতে হাকীকিয়ার (প্রকৃত বিদআত) পাশাপাশি বিদআতে ইযাফিয়াহকেও বিদআত ঘোষণা করেছে। বিদআতে ইযাফিয়াহ বা বিদআতে ওয়াসফিয়াকে বিদআত থেকে আলাদা করা হয়নি। সব ধরনের বিদআত সম্পর্কে আম হুকুম ঘোষণা করা হয়েছে-

من أحدث في أمرنا هذا ما ليس منه فهو رد

অর্থ : আমাদের এই দ্বীনের ভিতর দ্বীন নয়-এমন কিছু কেউ উদ্ভাবন করলে তা প্রথ্যাখ্যাত।-সহীহ বুখারী, হাদীস : ২৬৯৭; সহীহ মুসলিম, হাদীস : ১৭১৮

আরো ঘোষণা করা হয়েছে-

إياكم ومحدثات الأمور، فإن كل محدثة بدعة وكل بدعة ضلالة.

অর্থ : তোমরা নব উদ্ভাবিত বিষয়াদি থেকে বেঁচে থাক। নিশ্চয়ই সকল নব উদ্ভাবিত বিষয় বিদআত। আর সকল বিদআত গোমরাহী।-মুসনাদে আহমদ, হাদীস : ১৭১৪৫; জামে তিরমিযী, হাদীস : ২৬৯৭; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস : ৪৬০৭; সহীহ ইবনে হিববান, হাদীস :

বিদআত হল সুন্নাহর বিপরীত। তাই বিদআতে লিপ্ত ব্যক্তি সুন্নাহর অনুসারী হওয়ার প্রশ্নই আসে না। আর শিরক কেবল সুন্নাহর পরিপন্থীই নয়; বরং মানব-স্বভাবেরও পরিপন্থী। সকল নবীর মতো আখেরী নবীর আগমন হয়েছে তা নির্মূলের জন্য।

শিরক বিদআত বিষয়ে যেহেতু পূর্বেও লেখা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও আরো বিস্তারিত লেখার ইচ্ছা আছে তাই এখানে সংক্ষেপে এই কয়েকটি কথা বলা হল।

. মূর্তি

মূর্তি হল শিরক পৌত্তলিকতার প্রতীক এবং মুশরিকদের শিআর নিদর্শন। তা নির্মূল করাও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আগমনের অন্যতম উদ্দেশ্য। মুসলিমসমাজে শুধু মূর্তি নয়; কোনো ছবি প্রতিকৃতি তিনি অনুমোদন করতেন না।

আবুল হাইয়াজ আসাদীর বর্ণনা যে, হযরত আলী ইবনে আবু তালেব আমাকে বললেন-

ألا أبعثك على ما بعثني عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم؟ أن لا تدع صورة إلا طمستها،  ولا قبرا مشرفا إلا سويته.

আমি কি তোমাকে এমন কাজের দায়িত্ব দিয়ে প্রেরণ করব না, যে কাজের জন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে প্রেরণ করেছিলেন? (তা এই যে,) তুমি সকল প্রাণীর মূর্তি বিলুপ্ত করবে এবং সকল সমাধি-সৌধ ভূমিসাৎ করে দিবে। অন্য বর্ণনায় এসেছে ...এবং সকল চিত্র মুছে ফেলবে। (সহীহ মুসলিম হা. ৯৬৯)

আলী ইবনে আবী তালেব রা. বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি জানাযায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি তখন বললেন-

أيكم ينطلق إلى المدينة فلا يدع بها وثنا إلا كسره ولا قبرا إلا سواه ولا صورة إلا لطخها.

তোমাদের মধ্যে কে আছে, যে মদীনায় যাবে এবং যেখানেই কোনো মূর্তি পাবে তা ভেঙ্গে ফেলবে, যেখানেই কোনো সমাধি-সৌধ পাবে তা ভূমিসাৎ করে দিবে এবং যেখানেই কোনো চিত্র পাবে তা মুছে দিবে?

আলী রা. এই দায়িত্ব পালন করলেন। ফিরে আসার পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন-

من عاد لصنعة شيء من هذا فقد كفر بما أنزل على محمد.

 যে কেউ পুনরায় ওই সব বস্ত্ত তৈরি করবে সে মুহাম্মাদের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রতি নাযিলকৃত দ্বীনকে অস্বীকারকারী।-মুসনাদে আহমদ, হাদীস : ৬৫৭

মসজিদের শহর ঢাকা তো এখন মূর্তির শহরে পরিণত হতে চলেছে। তবে নিকৃষ্টতম দৃশ্য দেখে কেউ যদি উপরোক্ত হাদীসের উপর আমল করতে চান তাহলে আগে নিজের সামর্থ্যের কথাও ভেবে নেওয়া উচিত। হাদীস শরীফে আছে-

من رأى منكم منكرا فليغيره بيده، فإن لم يستطع فبلسانه، فإن لم يستطع بقلبه، وذلك أضعف الإيمان.

 অর্থ : তোমাদের কেউ কোনো গর্হিত কাজ দেখলে সে যেন তা হাতের দ্বারা বন্ধ করে। এর সামর্থ্য না থাকলে মুখে। এটাও সম্ভব না হলে মনে মনে। আর এটা হল দুর্বলতম ঈমান।-সহীহ মুসলিম, হাদীস : ৪৯

মূর্তিগুলো ভেঙ্গে ফেলা মূলত তাদেরই দায়িত্ব, যারা তা নির্মাণ স্থাপন করেছে। আল্লাহ তাআলা তাদেরকে এই সৎসাহস দান করুন। আমীন।

জাবির রা. বর্ণনা করেন, মক্কা বিজয়ের সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন-

إن الله ورسوله حرم بيع الخمر والميتة والخنـزير والأصنام

অর্থ : নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর রাসূল মদ, মৃতপ্রাণী, শূকর মূর্তির বেচাকেনা হারাম করেছেন।-সহীহ বুখারী, হাদীস : ২২৩৬; সহীহ মুসলিম, হাদীস : ১৫৮৯

. অশ্লীলতা কবীরা গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা

কুরআন মজীদে ইরশাদ হয়েছে-

قل انما حرم ربى الفواحش ما ظهر منها وما بطن والاثم والبغى بغير الحق وان تشركوا بالله ما لم ينـزل به سلطنا وان تقولوا على الله ما لا تعلمون.

 (তরজমা) বল, নিশ্চয়ই আমার প্রতিপালক হারাম করেছেন প্রকাশ্য গোপন অশ্লীলতা আর পাপ এবং অসঙ্গত বিরোধিতা এবং কোনো কিছুকে আল্লাহর শরিক করা-যার কোনো সনদ তিনি প্রেরণ করেননি এবং আল্লাহ সম্বন্ধে এমন কিছু বলা, যা তোমরা জান না।-সূরা আরাফ () : ৩৩

অন্যত্র ইরশাদ হয়েছে-

فما اوتيتم من شيئ فمتاع الحيوة الدنيا وما عند الله خير وابقى للذين آمنوا وعلى ربهم يتوكلون والذين يجتنبون كبائر الاثم والفواحش واذا ما غضبوا هم يغفرون والذين استجابوا لربهم واقاموا الصلوة وآمرهم شورى بينهم ومما رزقنهم ينفقون.

 (তরজমা) বস্ত্তত তোমাদেরকে যা কিছু দেওয়া হয়েছে তা পার্থিব জীবনের ভোগ। কিন্তু আল্লাহর কাছে যা আছে তা উত্তম স্থায়ী তাদের জন্য, যারা ঈমান আনে তাদের প্রতিপালকের উপর নির্ভর করে।

যারা গুরুতর পাপ অশ্লীল কাজ থেকে বেঁচে থাকে এবং ক্রোধাবিষ্ট হলে ক্ষমা করে দেয়।

যারা তাদের প্রতিপালকের আহবানে সাড়া দেয়, সালাত কায়েম করে, নিজেদের মধ্যে পরামর্শের মাধ্যমে নিজেদের কর্ম সম্পাদন করে এবং তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা থেকে ব্যয় করে।-সূরা শূরা (৪২) : ৩৬-৩৮

উসওয়ায়ে হাসানা জীবন হচ্ছে যাহির বাতিনের পবিত্রতা এবং আল্লাহ তাআলার ইবাদত আনুগত্যের জীবন। এতে কোনো অনাচার পাপাচারের স্থান নেই। আর অশ্লীল কথা কাজ এবং অন্যান্য কবীরা গুনাহ তো মানুষকে আল্লাহর দরবার থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। আল্লাহ তাআলার খাস রহমত থেকে বঞ্চিত করে দেয়। অনেক সময় মানুষ কারণে লানতের উপযুক্ত হয়ে যায়; বরং-আল্লাহ হেফাযত করুন-মালউন অভিশপ্তই হয়ে যায়।

আজ সমাজের অধিকাংশ ঝগড়া-বিবাদের মূলে রয়েছে এই অশ্লীলতা। আর সকল অশ্লীলতার কেন্দ্র-টিভি তো এখন শুধু ঘরে ঘরেই নয়; বরং অলিতে গলিতে, দোকানে দোকানে রয়েছে। ইন্টারনেট মোবাইলের বদৌলতে এখন তা পকেটে পকেটে। যতক্ষণ পর্যন্ত মানুষ নিজের চোখ, কান, মুখ এবং অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে অশ্লীলতা থেকে রক্ষা না করবে ততক্ষণ সে আল্লাহ তাআলার নৈকট্য লাভ করতে পারবে না। আল্লাহ তাআলার গায়রত অশ্লীলতা বরদাশত করে না। কারণেই আল্লাহ তাআলা সকল অশ্লীলতা হারাম করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন-

ومن غيرته حرم الفواحش

অর্থ : এবং তার গায়রতের কারণেই অশ্লীলতাকে হারাম করেছেন।

সুতরাং যে সুন্নাহ মোতাবেক জীবন যাপন করতে চায় তার প্রথম কর্তব্য, প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সকল অশ্লীল কথা কর্ম থেকে বেঁচে থাকা এবং সকল কবীরা গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা। কখনো কোনো গুনাহ হয়ে গেলে তৎক্ষণাৎ খাঁটি মনে তওবা করে আল্লাহ তাআলার দরবারে ফিরে আসা এবং তাওবা রক্ষার পূর্ণ চেষ্টা করতে থাকা।

রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামমাসুম নিষ্পাপ হওয়ার পরও তওবা-ইস্তিগফার করতেন। দৈনিক একশ বার পর্যন্ত তওবা-ইস্তিগফার করতেন। তাহলে গুনাহগার উম্মতির জন্য কী করা উচিত?!

. সুদ ঘুষ

সুদ দেওয়া, সুদ নেওয়া; ঘুষ দেওয়া, ঘুষ নেওয়া-সবই চরম অন্যায় এবং মারাত্মক কবীরা গুনাহ। সুদ-ঘুষের পয়সা হচ্ছে নিকৃষ্টতম হারাম উপার্জন। সুদ-ঘুষের কারণে অর্থ-ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যায় এবং সমাজ থেকে সুখ-শান্তি এবং কল্যাণ মঙ্গল বিলুপ্ত হয়ে যায়।

কুরআন মজীদে আল্লাহ তাআলা শুধু এই একটি গুনাহ-সুদে লিপ্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে  আল্লাহ তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর তরফ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছেন। ইরশাদ হয়েছে-

يا ايها الذين آمنوا اتقوا الله وذروا ما بقى من الربوا ان كنتم تؤمنون، فان لم تفعلوا فأذنوا بحرب من الله ورسوله، وان تبتم فلك رؤس امولكم لا تظلمون ولاتظلمون. وان كان ذو عسرة فنظرة الى ميسرة وان تصدقوا خير لكم ان كنتم تعلمون.

তরজমা : হে মুমিনগণ! তেমারা আল্লাহকে ভয় কর এবং সুদের যা বকেয়া আছে তা ছেড়ে দাও যদি তোমরা মুমিন হও।

যদি তোমরা না ছাড় তবে আল্লাহ তাঁর রাসূলের সাথে যুদ্ধের জন্য প্রস্ত্তত হও। কিন্তু যদি তোমরা তওবা কর তবে তোমাদের মূলধন তোমাদেরই। এতে তোমরা অত্যাচার করবে না এবং অত্যাচারিতও হবে না।-সূরা বাকারা () : ২৭৮-২৭৯

বিদায় হজ্বের ঐতিহাসিক ভাষণে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ঘোষণা করেছেন-

وربا الجاهلية موضوع، وأول ربا أضع ربانا ربا عباس بن عبد المطلب، فإنه موضوع كله.

অর্থ : জাহেলি যুগের রেবা বিলুপ্ত। প্রথম যে রেবাকে আমি রহিত করছি তা হচ্ছে আববাস ইবনে আবদুল মুত্তালিবের (প্রাপ্ত) রেবা।-সহীহ মুসলিম, হাদীস : ১২১৮ (১৪৭); সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস : ৩০৭৪

আর ঘুষ তো অতি নিকৃষ্ট নাপাক এবং অতি ঘৃণিত বস্ত্ত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন-

لعنة الله على الراشي والمرتشي.

অর্থাৎ ঘুষদাতা ঘুষগ্রহীতা উভয়ের উপর আল্লাহর অভিশাপ। মুসনাদে আহমদ, হাদীস : ৬৭৭৮, ৬৯৮৪; সহীহ ইবনে হিববান, হাদীস : ৫০৭৭; সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস : ২৩১৩

আরো ইরশাদ করেছেন-

لعن الله الراشي والمرتشي والرائش الذي يمشي بينهما.

অর্থ : ঘুষদাতা ঘুষগ্রহীতা ঘুষের লেনদেনে মধ্যস্থতাকারী সকলের উপর আল্লাহ অভিশাপ করেছেন।-আলমুস্তাদরাক আলাস সহীহাইন, হাকীম আবু আবদিল্লাহ /১০৩

(চলবে ইনশাআল্লাহ)

 

 

 

 

advertisement