রবিউস সানী-১৪৩২   ||   মার্চ-২০১১

একটি ভুল মাসআলা : দাফনের পূর্বে ঈসালে সওয়াব ও দুআ-ইস্তিগফার নিষেধ

পাকিস্তানের বহুল প্রচারিত একটি দৈনিকে মাসআলাটি পড়ে বিস্মিত না হয়ে পারিনি। কোনো এক প্রসঙ্গে সেখানকার এক পার্লামেন্ট সদস্য পার্লামেন্টে এ মাসআলা বয়ান করেছেন যে, মৃত ব্যক্তির দাফনের পূর্বে তার জন্য ফাতেহাখানি ও ঈসালে সওয়াব করা   যায় না।

এই বক্তব্য সঠিক নয়; বরং যাকে আমরা জানাযার নামায বলি, সেটাও মূলত মাইয়িতের জন্য মাগফিরাতেরই দুআ। বলা বাহুল্য, তা মাইয়িতের দাফনের পূর্বেই করা হয়।

জানাযা ও দুআয়ে মাগফিরাত হওয়ার কারণেই ওলামায়ে কেরাম জানাযার পর পুনরায় হাত উঠিয়ে মুনাজাত করাকে বিদআত বলেছেন। আর তা শরীয়ত কর্তৃকও প্রমাণিত নয়। হয়তোবা এখান থেকেই কেউ কেউ ঐ ভুল ধারণার শিকার হয়েছেন যে, দাফনের পূর্বে ঈসালে সওয়াব ও দুআয়ে মাগফিরাত করা যায় না।

কিন্তু সঠিক মাসআলা হল, শরয়ীভাবে কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকলে মৃত্যুর পর হতে মৃত ব্যক্তির উপকারে আসে-এমন যে কোনো আমল দ্বারা সাধারণ শরীয়ত সম্মত পন্থায় ঈসালে সওয়াব করা যায়।

এক্ষেত্রে দাফনের পূর্ব ও পরের কোনো পার্থক্য নেই।

 

 

advertisement