রবিউল আখির ১৪৩৩ || মার্চ-২০১২

মুহাম্মাদ শেখ আবু বকর বিন হারুন - জামিআ রাহমানিয়া আরাবিয়া

প্রশ্ন

বর্তমানে আমি জামাতে সানাভী আউয়ালে অধ্যয়নরত। দীর্ঘদিন যাবত তাকরার করার প্রতি আমার একটা অনিহা রয়ে গেছে। এছাড়া তাকরার দ্বারা আমার খুব একটা ফায়েদা হয় এমন নয়। বরং ঘণ্টায় সবক শোনা এবং জিজ্ঞাসা করা দ্বারা যতটুকু বুঝে আসে ততটুকুই। তাকরার দ্বারা বিশেষ কোনো ফায়েদা আমি অনুভব করি না। তবে যতটুকু বুঝে আসে তা অন্যকে বুঝাতে কোনো জড়তা বা সংশয় সৃষ্টি হয় না। এজন্য বর্তমানে আমি শুধু কঠিন বা একটু জটিল সবকগুলো তাকরার করছি এবং তাকরারের বাকি সময়টুকু আরবী ইনশা, বাংলা সাহিত্য ও ইংরেজি অনুশীলনের জন্য নির্ধারণ করে নিয়েছি। এতে ধীরে ধীরে উল্লেখিত বিষয়গুলোতে উন্নতি লাভ করছি এবং এতে কিতাব বুঝার ক্ষেত্রে তেমন কোনো প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে না। তো আমি কি এভাবেই মেহনত চালিয়ে যাব, না প্রতিটি কিতাব তাকরার করার পেছনে সময় ব্যয় করব। পরামর্শের মাধ্যমে দ্বীনী সহায়তা  প্রদান করলে কৃতজ্ঞ থাকব।


উত্তর

তাকরার করা ও শ্রবণ করা দু টোই উপকারী। বিশেষত তাকরার করার উপকারিতা তো খুবই স্পষ্ট। কোনো বিষয় সহজ ও সাধারণ শ্রোতার বোধগম্য করে উপস্থাপনের যোগ্যতা এমন এক গুণ, যাতে সামান্য উন্নতিও অনেক ভালো। এটা তো হল একটি ফায়েদা। এছাড়া চিন্তাশীলদের জন্য তাকরারের আরো ফায়েদাও আছে, যা এর চেয়েও বেশি।

তবে বিশেষ অবস্থায় এমন হতে পারে যে, আপনি কোনো কিতাবের তাকরারে অংশগ্রহণ করলেন আবার কোনোটিতে করলেন না। তবে এজন্য আপনার মাদরাসার উসূল ও নিযাম অনুসরণ অপরিহার্য। আর নিজ তালীমী মুরববীর সাথে পরামর্শ করা তো সর্বাবস্থায় আবশ্যক।

আল্লাহ তাআলা আপনার সহায় হোন। তাফাক্কুহ ফিদদীন, রূসুখ ফিল ইলম এবং তাকওয়া ও তহারাত নসীব করুন। আমীন। 

এই সংখ্যার অন্যান্য শিক্ষা পরামর্শসমূহ পড়ুন