নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক - ইমেইল থেকে প্রাপ্ত
প্রশ্ন
আসসালামু আলাইকুম। মুহতারাম, একটি প্রশ্ন ছিল। জবাব পেলে বড় উপকার হত। আমি ‘এসো আরবী শিখি’ কিতাবটি নিজে নিজে পড়তে চাচ্ছি। নাহু-সরফের মৌলিক নিয়মগুলো একটু একটু জানা থাকায় কিতাবটির প্রথম খণ্ড পড়তে কোনো সমস্যা হয়নি। এমনিতে কিতাবটির শেষ খণ্ড পর্যন্ত অর্থ মোটামুটি বুঝতে পারি। কিন্তু শুরুতেই মুহতারাম মুসান্নিফ হাফিযাহুল্লাহ যা লিখেছেন, এর উদ্দেশ্য আরবীতে কথা বলা বা শুনে বুঝতে পারা, কিছু লিখতে পারা। তাই তামরীনের কিতাব ও মূল কিতাব কীভাবে অনুসরণ ও অনুশীলন করতে পারি, জানালে উপকার হত। আরেকটু অগ্রসরও হতে পারতাম। আর তামরীন-এ যেভাবে দেওয়া, তদনুসারে কীভাবে অনুশীলন করলে ভালো হয়?
উত্তর : সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোনো যোগ্য ব্যক্তির তত্ত্বাবধান ছাড়া একাকী পড়া কোনোভাবেই সমীচীন নয়। বিশেষত এ ধরনের মৌলিক কিতাবের ক্ষেত্রে তো এমনটি করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। কোনো উস্তাযের তত্ত্বাবধান ছাড়া একাকী পড়লে পড়া নিখুঁত হয় না। যার ফলে উপকারের পরিবর্তে ক্ষতিই হয় বেশি। আর এ কিতাবের যে মাকসাদের কথা আপনিও উল্লেখ করেছেন, সে মাকসাদ হাসিল করতে হলে তো উস্তাযের তত্ত্বাবধান এবং কোনো সাথির সঙ্গে তামরীন ও অনুশীলনের কোনো বিকল্প নেই।
তাই এ কিতাবের পাঠদান ভালোভাবে জানেন– এমন কোনো উস্তাযের তত্ত্বাবধানে আপনি এর নিয়মতান্ত্রিক পাঠ গ্রহণ করুন। পাশাপাশি তামরীন ও অনুশীলনের জন্য উপযুক্ত কোনো সাথি নির্বাচন করুন।
উত্তর
যদি আপনি নিয়মতান্ত্রিক তালিবে ইলম না হয়ে থাকেন; বরং এমনিই কিছু আরবী জানার জন্য পড়তে চান, আরবী ভাষা ও কুরআন-হাদীসের ভাষা বোঝা উদ্দেশ্য না হয়, তাহলে ভিন্ন কথা। এক্ষেত্রে আপনি সরাসরি সাক্ষাৎ করে কোনো অভিজ্ঞ ব্যক্তির কাছ থেকে পরামর্শ গ্রহণ করুন।
মনে রাখবেন, আরবী ভাষা শেখার চেয়ে কুরআন কারীমের সহীহ-শুদ্ধ তিলাওয়াত শেখা এবং ফরযে আইন ইলম শেখা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।