মুহাম্মাদ ইসমাঈল আব্দুল ওয়াহ্হাব - নন্দীগ্রাম, বগুড়া

প্রশ্ন

 

মুহতারাম! আমিশরহে বেকায়াজামাতে পড়ছি। হাদীসের আলো কিতাবটি মোটামুটি মুখস্থ করেছি। কিছু কিছু মনে আছে আর কিছু ভুলে গেছি। একটু পড়লে আবার ইয়াদ হয়। হালতে আমি এখন কিতাবের উপর সীমাবদ্ধ থাকবো না কী করবো?

() অন্য কিতাব পড়লে কীভাবে পড়বো। কীভাবে সময় দিবো ইত্যাদি জানতে চাই।  

মুহতারাম, আপনার কাছে উলূমে হাদীস পড়ার আশা রাখি। তাই আমাকে কীভাবে কী করতে হবে ব্যাপারে কিছু পরামর্শ দিয়ে ধন্য করলে ভাল হয়।  


 

উত্তর

 

মাশাআল্লাহ, আপনিহাদীসের আলোকিতাবটি হেফজ করেছেন। আল্লাহ তায়ালা আপনার ইলম আমলে বরকত নসীব করুন। এখন আপনি সামনে উক্ত কিতাবের হেফজকে মাঝে-মধ্যে তাজা করার পাশাপাশিআহাদীসুল আহকামবিষয়ক কোনো একটি কিতাব মুতলাআয় রাখতে পারেন এবং এর উল্লেখযোগ্য একটি অংশ হেফজ করতে পারেন। এজন্য আপনিইলাউস সুনানকিতাবের মূল মতন যাজামেউল আহাদীসনামে পৃথকভাবে ছাপা হয়েছে অথবা কমপক্ষে আল্লামা নীমাবী রহ. এরআসারুর সুনানকিতাবের মতনকে নির্বাচন করতে পারেন। আপনি এই মুতালাআ হিফজের জন্য সম্ভব হলে প্রতিদিন কিছু সময় অন্যথায় সপ্তাহে কিছু সময় এবং বিরতির দিনগুলোর কিছু সময় বরাদ্দ করতে পারেন।

আর আপনি ভবিষ্যতে উলূমুল হাদীস নিয়ে পড়াশুনা করার আশা ব্যক্ত করেছেন। তো এর জন্য প্রথমত প্রধান শর্ত হচ্ছে পাকাপোক্ত কিতাবী ইসতেদাদ অর্জন করা এবং ইলমের অনির্বাণ তৃষ্ণা ইলমের জন্য বিলীন হওয়ার মানসিকতা তৈরি করা। সুতরাং আপনাকে নিজ উস্তাজের তত্ত্বাবধানে কিতাবী ইসতেদাদ হাসিলে সচেষ্ট হতে হবে। এবং বারবার নিজের ইসতেদাদ যাচাই করতে হবে।

 

শেয়ার লিংক

মুহাম্মাদ মুহিববুল্লাহ - মাদানী নগর মাদরাসা

প্রশ্ন

 

মুহতারাম, বর্তমানে আমি শরহে বেকায়া জামাতে অধ্যয়নরত। প্রশ্ন হলো, কুরআন শরীফের বহু জায়গায় হযরত আদম হাওয়া . এর গন্দম খেয়ে বেহেশত থেকে দুনিয়ায় আসার ঘটনা বর্ণিত হলেও পরিপূর্ণ ঘটনাটি আমার জানা নেই। তাই খুব বিব্রতকর অবস্থায় আছি।

তাই মুহতারামের নিকট আকুল আবেদন এই যে, পূর্ণ ঘটনাটি বিশুদ্ধ মাসাদের সমূহের উদ্ধৃতিসহ জানালে আজীবন কৃতজ্ঞ থাকব।  


 

উত্তর

আপনি আপাতত উর্দূ ভাষায় রচিত মাওলানা হিফজুর রহমান সিহালবী রহ. এরকাসাসুল কুরআন’- হযরত আদম (আলাইহি ওয়া আলা নাবিয়্যিনা আস সালাতু ওয়াস সালাম) সংক্রান্ত আলোচনাটি পড়তে পারেন।

শেয়ার লিংক

মুহাম্মাদ ইউসুফ - জামিয়াতুল উলূমিল ইসলামিয়া তেজগাঁও, ঢাকা

প্রশ্ন

হাদীসের কিতাবে শিশু-কিশোর বাচ্চাদের নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বিভিন্ন বাণী ঘটনা পাওয়া যায়। সাহিত্যে যেমন শিশুদের উপযোগী করেশিশু সাহিত্যরচনা বা সংকলন করা হয়, হাদীসের ক্ষেত্রেও যদিশিশুদের নিয়ে হাদীস’ ‘শিশুদের জন্য রাসূলবাশিশুদের রাসূলইত্যাদি শিরোনামে সংকলন তৈরী করা হয় তাহলে এক্ষেত্রে হযরতের অভিমত কী? অর্থাৎ এই পরিকল্পনা উদ্যোগটা কেমন এবং এর প্রয়োজন কতটুকু আছে বলে হযরত মনে করেন?

 

উত্তর

 বিষয়ে আপনাকে সরাসরি সাক্ষাতে পরামর্শ করতে হবে।


শেয়ার লিংক

আসাদুল্লাহ - জামিয়া হোসাইনিয়া ইসলামিয়া আরজাবাদ মাদরাসা, ঢাকা

প্রশ্ন

যে বিষয়টি উপলক্ষ করে আপনাকে কষ্ট দেয়ার ইচ্ছা করেছি, তা হল বরেণ্যদের স্মৃতিচারণ নামক গ্রন্থের ৮৭ পৃষ্ঠার ২টি আলোচনা বুঝতে কষ্ট হচ্ছিল।

. তিনি হযরত মাওলানা মুফতী জামীল আহমদ ছাহেব থানভীর ছোট ভাই ছিলেন। যিনি হাকীমুল উম্মত হযরত থানভী রহ. এর মুহতারামা স্ত্রীর জামাতা।

. কুরআনী আয়াত থেকে আরবী বর্ণের গাণিতিক মান অনুপাতে মানুষের

মৃত্যু তারিখ উদ্ভাবনে তাঁর বিস্ময়কর যোগ্যতা ছিল।


উত্তর

() হযরত আশরাফ আলী থানভী রহ. এর নিজের কোনো সন্তান ছিলো না। হযরত রহ. দ্বিতীয় বিবাহ করেছিলেন এক বিধবা মহিলাকে। যাঁর প্রথম স্বামীর ঔরসে একটি কন্যাসন্তান ছিলো। এই কন্যাসন্তানটি হযরত থানভী রহ. এর ঘরেই লালিত-পালিত হয়েছে। এবং পরবর্তীতে মাওলানা জামীল আহমাদ সাহেবের সাথে তার বিবাহ হয়েছে। সূত্রেই জামীল আহমদ সাহেব হলেন থানভী রহ. এর দ্বিতীয় স্ত্রীর জামাতা। আপনি বিষয়টি স্পষ্ট বুঝতে পারবেন উক্ত কিতাবে হযরতের স্ত্রীর এবং জামীল আহমদ সাহেবের জীবনী পাঠ করলে।

) উদ্ধৃত অংশটির সাথেই এর যে বাস্তব দৃষ্টান্ত পেশ করা হয়েছে তা খেয়াল করে পড়লেই উক্ত বাক্যের অর্থ পরিষ্কার বুঝে আসবে। এর অর্থ হচ্ছে, তিনি কারো মৃত্যুর পর তার মৃত্যু তারিখ সংরক্ষণ প্রকাশের জন্য সাংকেতিক কোনো শব্দ বা বাক্য উদ্ভাবনে পারঙ্গম ছিলেন। আর এজন্য তিনি কুরআনে কারীমের কোনো শব্দকেই নির্বাচন করতেন এবং তা করতেন আরবী বর্ণের গাণিতিক মান অনুপাতে, যা حساب الجمل নামে পরিচিত।

শেয়ার লিংক
advertisement
advertisement