এস এম এম শাহাদাত হুসাইন - কল্যাণপুর, ঢাকা

৩৬৬৭. প্রশ্ন

বরিশাল যাওয়ার উদ্দেশ্যে যদি কেউ মিরপুর-২ থেকে সদরঘাট যায় তাহলে সদরঘাট থেকে লঞ্চ ছাড়ার আগে কি সে নামায কসর করতে পারবে?

 


উত্তর

নাসদরঘাটে লঞ্চ নোঙর করা অবস্থায় তাতে নামায কসর করা যাবে না। কেননালঞ্চ পাড়ে বা পাড়ের নিকটে ভিড়ানো থাকলে তা ঐ পাড়ের হুকুমে গণ্য হয়। আর সদরঘাট যেহেতু ঢাকা সিটির অন্তর্ভুক্ত তাই ঘাটে লঞ্চ ভিড়ানো থাকা অবস্থায় ঐ ব্যক্তি মুকীমই থাকবে। লঞ্চ সদরঘাট ত্যাগ করার পর থেকে কসরের হুকুম আরম্ভ হবে। 

Ñশরহুল মুনইয়াহ ৫৩৬; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ২/৪৯৩, ২/৫৪০; আলমুহীতুল বুরহানী ২/৩৮৭; আলবাহরুর রায়েক ২/১২৮; আদ্দুররুল মুখতার ২/১২১; ফাতহুল কাদীর ২/৮; ইমদাদুল আহকাম ১/৭১০

শেয়ার লিংক

লুৎফুর রহমান - সদর, নেত্রকোণা

৩৬৬৬. প্রশ্ন

আমি আসরের নামাযে মাসবুক হই। শেষ বৈঠকে ইমাম সাহেবের সালাম শুনে অবশিষ্ট নামায আদায় করতে দাঁড়িয়ে যাই। পরে ইমাম সাহেবের তাকবীর শুনে বুঝতে পারি ইমাম সাহেব সাহু সিজদা করছেন। তখন আমি সাথে সাথে বসে যাই এবং ইমামের সাথে সাহু সিজদা আদায় করি। এরপর যথানিয়মে অবশিষ্ট নামায পড়ি। এখন জানার বিষয় হল, আমার ঐ নামায কি আদায় হয়েছে?

 


উত্তর

হাঁআপনার ঐ নামায সহীহ হয়েছে। দাঁড়িয়ে যাওয়ার পর সাহু সিজদার তাকবীর শুনে সাথে সাথে বসে যাওয়া এবং ইমামের সাথে সাহু সিজদায় শরিক হওয়া ঠিকই হয়েছে।

উল্লেখ্য যেমাসবুকের জন্য ইমাম উভয় সালাম ফেরানোর পর দাঁড়ানো উচিত। যাতে করে এটা নিশ্চিত হওয়া যায় যেইমামের নামায সমাপ্ত হয়েছে এবং তার উপর সাহু সিজদা নেই।

Ñফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/৯২; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ৩/১০২; খুলাসাতুল ফাতাওয়া ১/১৬৯; আদ্দুররুল মুখতার ১/৫৯৭; শরহুল মুনয়া পৃ. ৪৬৬

শেয়ার লিংক

মুসাদ্দেক বিল্লাহ - নেত্রকোণা

৩৬৬৫. প্রশ্ন

আমি একবার একাকি যোহরের নামায পড়ছিলাম। প্রথম বৈঠকে ভুলে সূরা ফাতিহা পড়ে ফেলি। এরপর আত্তাহিয়্যাতুর কথা স্মরণ হলে আত্তাহিয়্যাতু পড়ি এবং নামায শেষে সাহু সিজদা করি। এখন প্রশ্ন হল, আমার ঐ ভুলের কারণে সাহু সিজদা দেওয়া ঠিক হয়েছে কি না?

 


উত্তর

হাঁঐ ভুলের কারণে সাহু সিজদা ওয়াজিব হয়েছে। তাই সাহু সিজদা দিয়ে ঠিকই করেছেন। 

Ñআলমুহীতুল বুরহানী ২/৩৩৩; ফাতাওয়া খানিয়া ১/১২১; হালবাতুল মুজাল্লী ২/৪৪৪; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/১২৭

শেয়ার লিংক

শুআইব - বি.বাড়িয়া

৩৬৬৪ . প্রশ্ন

নামাযের প্রত্যেক রাকাতে সূরা ফাতিহা পড়ার আগে أعوذ بالله من الشيطان الرجيمبِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ  উভয়টা পড়বে, নাকি শুধু بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ  পড়বে? আর সূরা ফাতিহার পর অন্য সূরা পড়ার আগে কিبِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ   পড়বে?

 


উত্তর

ইমাম বা একাকী নামায আদায়কারী নামাযের শুধু প্রথম রাকাতে সূরা ফাতিহা পড়ার আগে أعوذ بالله من الشيطان الرجيم পড়বে। অন্য কোনো রাকাতে পড়বে না। আর প্রত্যেক রাকাতে সূরা ফাতিহা পড়ার আগে بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ  পড়া এবং সূরা ফাতিহার পর অন্য কোনো সূরার শুরু থেকে পড়লেও بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ  পড়া মুস্তাহাব। তবে সূরার মাঝ থেকে পড়লেبِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ  না পড়লেও চলবে।

Ñখুলাসাতুল ফাতাওয়া ১/৫২; ফাতহুল কাদীর ১/২৫৫; হালবাতুল মুজাল্লী ২/১২৯; আলমুহীতুল বুরহানী ২/১১৩; আলবাহরুর রায়েক ১/৩১২; রদ্দুল মুহতার ১/৪৮৯

শেয়ার লিংক

মাহবুবুল আলম - উত্তরা, ঢাকা

৩৬৬৩. প্রশ্ন

ইমামের পিছনে নামায পড়া অবস্থায় প্রথম বৈঠকে তাশাহহুদ পড়ার পর মুক্তাদি যদি ভুলে দরূদ শরীফ পড়ে ফেলে তাহলে তার করণীয় কী? তার উপর কি সাহু সিজদা ওয়াজিব হবে?

 


উত্তর

নাসাহু সিজদা ওয়াজিব হবে না। কেননা মুক্তাদির ভুলের কারণে সাহু সিজদা ওয়াজিব হয় না।

উল্লেখ্যখুশুখুযু ও একাগ্রতার সাথে নামায আদায়ের ব্যাপারে যতœবান হতে হবে।

Ñমুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা, হাদীস ৪৫৬০; কিতাবুল আসল ১/১৯৭; খুলাসাতুল ফাতাওয়া ১/১৭৩; বাদায়েউস সানায়ে ১/৪২০; শরহুল মুনইয়াহ ৪৬৪

শেয়ার লিংক

শুআইব - টঙ্গি, গাজিপুর

৩৬৬২. প্রশ্ন

গত ঈদুল আযহার দিন ঈদের নামাযের আগে এক ব্যক্তিকে মসজিদে নামায পড়তে দেখলাম। নামায শেষে তাকে বললাম, আপনি কি নফল নামায পড়লেন? সে বলল, হাঁ। আমি বললাম, ঈদের দিন ঈদের নামাযের আগে কোনো নফল নামায পড়া যায় না। তখন সে বলল, ঈদের দিন ঈদগাহে নফল পড়া নিষেধ। কিন্তু অন্য যে কোনো জায়গায় নফল পড়া যায়। প্রশ্ন হল, ঐ ব্যক্তির কথা কি সঠিক?

 

 

উত্তর

নালোকটির বক্তব্য ঠিক নয়। ঈদের নামাযের পূর্বে যে কোনো স্থানে নফল নামায পড়া মাকরূহ তাহরীমী। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিততিনি বলেনঈদুল ফিতরের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই রাকাত ঈদের নামায পড়লেন। ঈদের নামাযের আগে এবং পরে কোনো নামায পড়েননি। Ñসহীহ বুখারীহাদীস ৯৬৪

ইবনে সিরীন রাহ. থেকে বর্ণিত আছেআবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ ও হুযাইফা রা. ঈদের নামাযের পূর্বে যাদেরকে নফল পড়তে দেখতেনতাদেরকে নামায পড়তে নিষেধ করতেন। Ñআল মুজামুল কাবীর তবারানীহাদীস ৯৫২৪

আর ঈদের নামাযের পর শুধু ঈদগাহে নফল পড়া মাকরূহ। ঈদগাহ ছাড়া অন্যত্র নফল পড়া জায়েয। ইমাম শাবী রাহ. বলেনইবনে মাসউদ রা. ঈদের নামাযের পর বাড়িতে এসে চার রাকাত নামায পড়তেন।

Ñমুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীস ৮৫০২; মুআত্তা, ইমাম মুহাম্মাদ ১/৬১১; সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস ১২৯৩; ফাতহুল কাদীর ২/৪২; আলবাহরুর রায়েক ২/১৬০; আদ্দুররুল মুখতার ২/১৬৯-১০৩

শেয়ার লিংক

সাঈদুল হক - নোয়াখালী

৩৬৬১. প্রশ্ন

আসরের নামায শুরু হয়ে গিয়েছে। আমি মসজিদের অযুখানায় অযু শেষে মনে মনে এই নিয়ত করি, এখন গিয়ে ইমামের পিছনে আসর নামায পড়ব। মসজিদে প্রবেশ করা মাত্রই ইমাম সাহেব রুকুতে চলে যান। আমি প্রায় দৌড়ে গিয়ে তাকবীরে তাহরীমা বলে রুকুতে শরিক হই। তবে তাড়াহুড়োর কারণে তাকবীর বলার আগ মুহূর্তে নামাযের নিয়ত করতে পারিনি। জানতে  চাই, আমার ঐ নামায সহীহ হয়েছে কি না?

 


উত্তর

অন্তরের সংকল্পই হল নিয়ত। প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে মৌখিক নিয়ত না করলেও আপনি যেহেতু আসরের নামাযের উদ্দেশ্যেই তাকবীরে তাহরীমা বলে রুকুতে গিয়েছেন তাই আপনার ঐ নামায হয়ে গেছে। নামায শুরুর আগে মৌখিক নিয়ত জরুরি নয়। অন্তরের সংকল্পই যথেষ্ট।

প্রকাশ থাকে যেনামাযের জন্য যাওয়ার সময় ধীরস্থির ও গাম্ভীর্যের সাথে যাওয়া সুন্নত। নামায দাঁড়িয়ে গেলেও তাড়াহুড়ো করে বা দৌড়ে যাওয়া ঠিক নয়। হাদীস শরীফে এসেছেনবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনযখন তোমরা ইকামত শোন তখন হেঁটে হেঁটে নামাযের দিকে আসগাম্ভীর্য ও ধীরস্থিরতার সাথে। দৌড়ে এসো না। যতটুকু নামায পাবে তা পড়। আর যা ছুটে যাবে তা পূর্ণ করে নাও।

Ñসহীহ বুখারী, হাদীস ৬৩৬; মাবসূত, সারাখসী ১/১০; আতাতজনীস ১/৪১৪; শরহু মুখতাসারিত তহাবী ১/৫৭৪; ফাতাওয়া খানিয়া ১/৮১;

শেয়ার লিংক

ইদরীস আলী - বগুড়া

৩৬৬০. প্রশ্ন

আমাদের গ্রামের মসজিদে জুমার দিন মুসল্লিদের জায়গা সংকুলান হয় না। ফলে মসজিদের পূর্ব দিকের খোলা জায়গায় অনেক মুসল্লিকে নামায পড়তে হয়। এদিকে আমাদের মসজিদে নামাযের জন্য এখনও মাইকের ব্যবস্থা করা হয়নি। যার ফলে ঐ খোলা জায়গার পেছন দিকে বসলে জুমার খুতবা শোনা যায় না। আমার জানার বিষয় হল, খুতবা যেহেতু শোনা যাচ্ছে না, তাহলে কি আমি ঐ সময় কোনো যিকর বা তাসবীহ আদায় করতে পারব?

 


উত্তর

খুতবা অবস্থায় সকল মুসল্লির কর্তব্য হলমনোযোগ সহকারে শোনা এবং চুপ থাকা। খুতবা শোনা না গেলেও চুপ থাকা জরুরি। খুতবা শোনা না গেলেও এ অবস্থায় দুআ-দরূদ পড়া বা যিকর করা যাবে না।

হযরত উসমান রা. বলেনযে খুতবা শুনতে পাচ্ছে নাকিন্তু চুপ করে আছে সে চুপ করে খুতবা শ্রবণকারীর মতোই সওয়াব পাবে। Ñমুসান্নাফে আবদুর রাযযাকহাদীস ৫৩৭২

আবদুল্লাহ ইবনে মুসলিম ইবনে ইয়াসার রাহ. তার পিতার ব্যাপারে বলেনখুতবা চলাকালীন তিনি তাসবীহ পাঠ করতেন না এবং দুআও করতেন না।

Ñমুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীস ৫৩২০; মাবসূত, সারাখসী ২/২৮; ফাতহুল কাদীর ২/৩৮; তাবয়ীনুল হাকায়েক ১/৫৩৬; আলবাহরুর রায়েক ২/১৫৫; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/১৪৭

শেয়ার লিংক

মাসুম বিল্লাহ - মাধবপুর, হবিগঞ্জ

৩৬৫৯. প্রশ্ন

নামাযের নিয়তের বিধান কী? ইমামের পিছনে নামায পড়ার সময় কীভাবে নিয়ত করব আর একাকী নামায পড়ার সময় কীভাবে নিয়ত করব? অনেক সময় এমন হয় যে, পূর্ণ নামায শেষ করি বটে, কিন্তু অন্তরে কোনো কিছুই থাকে না। অর্থাৎ কোন নামায পড়ছি বা ইমামের পিছনে পড়ছি এগুলো কিছুই অন্তরে আসে না। তবে নিজেকে এই বলে প্রবোধ দেই যে, আমি তো নামাযের জন্যই মসজিদে এসেছি। সুতরাং নির্দিষ্টভাবে নিয়তের দরকার কী? আমার এই ধারণা কি সঠিক?

 


উত্তর

কোন ওয়াক্তের নামায আদায় করা হচ্ছে এই নিয়ত অন্তরে থাকা ফরয। এছাড়া জামাতের নামাযে ইমামের পিছনে নামায পড়ছি এই নিয়তও জরুরি। তবে এই কথাগুলো মুখে উচ্চারণ করা জরুরি নয়। অন্তরে থাকাই যথেষ্ট। কিন্তু কোন ওয়াক্তের নামায পড়া হচ্ছে তা যদি অন্তরেও না থাকে তাহলে ঐ নামায হবে না।

প্রকাশ থাকে যেনামাযের শুরুতে নিয়ত থাকার পর পরবর্তীতে খেয়াল ছুটে গেলেও নামাযের কোনো ক্ষতি হবে না।

Ñমাবসূত, সারাখসী ১/১০; ফাতাওয়া খানিয়া ১/৮০-৮৩; আলমুহীতুল বুরহানী ২/২৪; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/৬৫

শেয়ার লিংক

মুহাম্মাদ আবু সাঈদ - মোমেনশাহী

৩৬৫৮. প্রশ্ন

ইস্তেঞ্জায় যাওয়ার আগে বিসমিল্লাহ পড়া কি সুন্নত? দলিলসহ জানালে উপকৃত হব।

 


উত্তর

ইস্তেঞ্জাখানায় প্রবেশের আগে যে দুআটি পড়া হয়কোনো কোনো বর্ণনায় এর শুরুতে বিসমিল্লাহ পড়ার কথাও আছে। তাই দুআটি এভাবে পড়া উত্তমÑ

بسم الله، اللهم إني أعوذ بك من الخبث والخبائث


Ñমুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীস ৫; আদ্দুররুল মুখতার ১/১০৮; ফাতাওয়া খানিয়া ১/৩২; আলবাহরুর রায়েক ১/১৮; তাবয়ীনুল হাকায়েক ১/৩৪; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/৬

শেয়ার লিংক

মাহমুদুল হাসান - ভালুকা, ময়মনসিংহ

৩৬৫৭. প্রশ্ন

পেশাব করতে গিয়ে চামড়ার মোজার উপর পেশাব লেগেছে। এখন তা ভিজা হাতে মুছে নিলে পবিত্র হয়ে যাবে কি?

 

 

উত্তর

নাভিজা হাতে মুছে নিলে তা পবিত্র হবে না। পবিত্র করতে হলে মোজার উপর ভালোভাবে পানি গড়িয়ে দিতে হবে। তবেই তা পবিত্র হবে।

Ñফাতাওয়া খানিয়া ১/২৫; রদ্দুল মুহতার ১/৩১০, ৩৩৩; হালবাতুল মুজাল্লী ১/৫১১

শেয়ার লিংক

জুবাইর হাসান - ওয়েবসাইট থেকে প্রাপ্ত

৩৬৫৬. প্রশ্ন

আমাদের দেশে বাজারে প্রচলিত এক প্রকার মেহেদী পাওয়া যায়। যা গোল্ড মেহেদী নামে পরিচিত। উক্ত মেহেদীতে এমন এক প্রকার মেডিসিন দেওয়া হয়, যার দ্বারা মাত্র পাঁচ মিনিটে পুরোপুরি রঙ হয়ে যায় এবং যখন উক্ত মেহেদী উঠানো হয় তখন শরীর থেকে আলাদা আবরণের মতো উঠে আসে। 

এখন প্রশ্ন হল, উক্ত মেহেদী লাগানোর পর অযু করলে অযু হবে কি?

 


উত্তর

গোল্ড মেহেদী বা টিউব মেহেদী ব্যবহার করা জায়েয। এবং এগুলো ব্যবহার করে প্রলেপ উঠিয়ে ফেলার পর অযু-গোসল সবই সহীহ হবে। কেননা এ মেহেদী লাগানোর পর শরীরে যে রঙ অবশিষ্ট থাকে যার কোনো কোনোটিতে পরবর্তীতে আবরণের মতো উঠে তা আমাদের জানামতে চামড়ায় পানি পৌঁছার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক নয়। তাই এগুলো ব্যবহার করতে সমস্যা নেই।

Ñশরহুল মুনয়া ৪৮; রদ্দুল মুহতার ১/১৫৪

শেয়ার লিংক

নূরুল হাসান - নেত্রকোণা

৩৬৫৫. প্রশ্ন

আমি গোসল করার জন্য একটি বালতিতে পানি রাখি। কিছুক্ষণ পর এসে তাতে দুটি তেলাপোকা মৃত দেখতে পেয়ে পানিটা ফেলে দিই। এখন জানার বিষয় হল, এ কারণে বালতিতে রাখা পানি নাপাক হয়েছিল কি না?

 


উত্তর

নাপ্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে বালতির পানি নাপাক হয়নি। কারণ তেলাপোকার শরীরে যেহেতু প্রবাহিত রক্ত নেই তাই তা পানিতে পড়ে মারা গেলে পানি নাপাক হবে না।

Ñসুনানে দারাকুতনী ১/৩৭; সুনানে বায়হাকী ১/২৫৩; ফাতহুল কাদীর ১/৭৩; ইলাউস সুনান ১/২৬৮; মাবসূত, সারাখসী ১/৫১; আলবাহরুর রায়েক ১/৮৮; রদ্দুল মুহতার ১/১৮৩

শেয়ার লিংক
advertisement
advertisement