শাবান-রমযান-১৪৪১ || এপ্রিল- মে ২০২০

মুস্তাফিজুর রহমান - বুয়েট, ঢাকা

৫০৬৯. প্রশ্ন

কিছুদিন আগে আমাদের সুযোগ হয়েছিল দশ দিনের জন্য তাবলীগের সফরে বের হওয়ার। আমাদের রোখ সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর থানায় ছিল। সেখানে গিয়ে আমরা একাকী নামায পড়লে কসর করতাম এবং নামাযের আগে-পরের সুন্নাতগুলোও গুরুত্বের সাথে আদায় করছিলাম। আমাদের জামাতের এক সাথী ফরয নামায কসর পড়লেও নামাযের আগে-পরের সুন্নাতগুলো পড়তেন না এবং অন্যদেরকেও পড়তে নিষেধ করতেন। বলতেন যে, সফরে সুন্নাত পড়তে হয় না। আমরা যারা আগে থেকেই এই ধরনের সফরে সুন্নাত পড়ে আসছি তার এই কথা শুনে বেশ সংশয়ে পড়ে যাই এবং আমাদের অনেক সাথীই সুন্নাত পড়া বন্ধ করে দেয়।

এখন মুফতী সাহেবের কাছে আমি বিষয়টির সঠিক সমাধান জানতে চাচ্ছি যে, সফরে নামাযের আগে-পরের সুন্নাত আদায়ের বিধান কী?

উত্তর

সফরের পথিমধ্যে যখন গন্তব্যে পৌঁছার ব্যস্ততা ও তাড়াহুড়া থাকে তখন সুন্নাত না পড়াই উত্তম। আর গন্তব্যে পৌঁছার পর মসজিদে অবস্থানের সময় বা কাছাকাছি স্থানে এক মসজিদ থেকে অন্য মসজিদে যাতয়াতের সময় কোনো তাড়াহুড়া বা কষ্ট-ক্লেশ না থাকলে যথাসম্ভব নামাযের আগে-পরের সুন্নত আদায় করে নেওয়া উত্তম।

উল্লেখ্য, ফজরের পূর্বের সুন্নাতের গুরুত্ব অন্যান্য সুন্নাতের চেয়ে বেশি। তাই যথাসম্ভব সর্বাবস্থায় তা আদায়ের চেষ্টা করা উচিত।

Ñজামে তিরমিযী, বর্ণনা ৫৫০; মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, বর্ণনা ৩৮৪৮; বাদায়েউস সানায়ে ১/২৬০; আততাজনীস ওয়াল মাযীদ ২/১৭০; আলবাহরুর রায়েক ২/১৩০; আদ্দুররুল মুখতার ২/১৩১; ইলাউস সুনান ৭/৩২৯

এই সংখ্যার অন্যান্য প্রশ্ন-উত্তর পড়ুন