Ramada 1447 || March 2026

আবদুল্লাহ - সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ

Question

বর্তমান শিক্ষাবর্ষ সমাপ্তির পথে। হযরতের কাছে মীযান, নাহবেমীর ও হেদায়াতুন্নাহু আমরা তিন জামাতের ছাত্ররা জানতে চাই, আমরা কীভাবে বুঝব, এই জামাতগুলোতে যতটুকু যোগ্যতা অর্জন করার প্রয়োজন ছিল ততটুকু যোগ্যতা অর্জন হয়েছে কি না? জামাতের প্রকৃত হক আদায় হয়েছে কি না?

Answer

এসো আরবী শিখি, তাইসীর থেকে কাফিয়া পর্যন্ত এ জামাতগুলোর মূল উদ্দেশ্য ভাষাগত যোগ্যতা অর্জন করা। অর্থাৎ কিতাবের ইবারত শুদ্ধভাবে অনায়াসে পড়তে পারা, নহবী তারকীব বোঝা, শব্দের সরফী রূপ ও লুগাবী মাফহুম বোঝা এবং তার স্তরের আরবী কিতাব পড়ে বুঝতে পারা। সেজন্য এই জামাতগুলো পড়ার সময় খেয়াল করতে হবে, ন্যূনতম এই যোগ্যতাটুকু হাসিল হচ্ছে কি না।

যে তালিবে ইলম মীযান জামাত পড়েছে, সে যেন আরবী যে কোনো শব্দের সীগাহ, বহস তথা সরফীরূপ বুঝতে পারে। কুরআন মাজীদ তিলাওয়াতের সময় যেন অনায়াসেই কোন্টা ইসম, কোন্টা ফেয়েল এবং ফেয়েল হলে কোন্টা মাযী, কোন্টা মুযারে‘, কোন্টা আমর, কোন্টা নাহী তা যেন চিহ্নিত করতে পারে। এসো আরবী শিখি দ্বিতীয় খণ্ডে উল্লেখিত সমস্ত ফেয়েলের সরফী তাহকীক করতে পারে এবং তা থেকে সব ধরনের গরদান তৈরি করতে পারে।

নাহবে মীর পড়ুয়া তালিবুল ইলমের মধ্যে যেন আরবী ইবারতের তারকীব বোঝা এবং বিশুদ্ধভাবে  আরবী ইবারত পড়া ও লেখার যোগ্যতা হয়ে যায়। অতএব যে নাহবে মীর কিতাবটি উস্তাযের কাছে হক আদায় করে তামরীন ও ইজরার সাথে পড়েছে, সে নিজে নিজে এসো আরবী শিখির তৃতীয় খণ্ড, কাসাসুন নাবিয়্যীনের শুরুর কয়েক খণ্ডও পড়তে পারবে। বিশুদ্ধভাবে আরবী বলতে ও লিখতে পারবে।

হেদায়াতুন্নাহু জামাত পড়ে ফেলার পর তো এসব যোগ্যতা আরও আলা মিয়ারে হাসিল হয়ে যেতে হবে। তখন তার এই হালত হতে হবে, সে যে কোনো আরবী কিতাবের ইবারত বিশুদ্ধভাবে পড়তে পারবে এবং তারকীব বুঝতে পারবে। 

Read more advices provided in this issue