মুহাম্মাদ সাকিবুল হাসান - মানিকদি, মিরপুর, ঢাকা
৬৯১৪. Question
কোনো জায়গায় দোকান ভাড়া নিলে আগে এক/দুই লাখ টাকা জামানত দিতে হয়। এরপর উভয়ের আলোচনা সাপেক্ষে মাসিক বা বাৎসরিক একটা ভাড়া নির্ধারণ করা হয়।
ভাড়াদাতা জামানতের ওই টাকাটা ব্যবসায় খাটায় অথবা নিজের অন্য কোনো ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ব্যয় করে। আবার ভাড়াচুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ওই টাকাটা ভাড়াগ্রহীতার কাছে ফেরত দিয়ে দেয়। এভাবে অধিকাংশ দোকানদারই দোকান ভাড়া নিয়ে ব্যবসা করছে।
প্রশ্ন হল, উপরোক্ত নিয়ম অনুযায়ী কোনো জমি নিয়ে চাষবাস করে খাওয়া কি জায়েয হবে? পরে চুক্তির মেয়াদ শেষে জমির মালিক ভাড়াগ্রহীতাকে জমি ফেরত দিয়ে দেবে। এটা বৈধ হবে কি না?
Answer
দোকান ভাড়া নেওয়ার সময় ভাড়াগ্রহীতা জামানত হিসেবে নগদ অর্থ রাখুক বা কোনো জমি, সেটি ভাড়াদাতার কাছে বন্ধক হিসেবে থাকে। আর বন্ধকগ্রহীতার জন্য বন্ধকি জিনিস ব্যবহার করে উপকার গ্রহণ করা জায়েয নয়। সুতরাং ভাড়াদাতার জন্য সিকিউরিটি মানি ব্যবহার করে উপকৃত হওয়াও জায়েয নয়। তার দায়িত্ব হল, টাকাগুলো নিজের কাছে জমা রেখে দেওয়া। এমনিভাবে জামানত হিসেবে টাকার পরিবর্তে জমি রাখলে ভাড়াদাতার জন্য সে জমি ব্যবহার করা বা তা থেকে উপকার ভোগ করাও জায়েয হবে না। এ থেকে বিরত থাকা আবশ্যক।
–মুসান্নাফে আবদুর রায্যাক, বর্ণনা ১৫০৭১; কিতাবুল আছল ৩/২২৯; আলমাবসূত, সারাখসী ২১/১৬৩; শরহুল বেকায়া, ইবনে মালাক ৪/১০৮; হাশিয়াতুত তাহতাবী আলাদ্দুর ৪/২৩৬; রদ্দুল মুহতার ৬/৪৮২; শরহুল মাজাল্লা, আতাসী ৩/১৯৬