পাঠকের পাতা
‘প্রচলিত ভুল’ বিভাগ নিয়মিত প্রকাশের আবেদন
প্রিয় আলকাউসার, নামটির সাথে জড়িয়ে আছে লাখো পাঠকের হৃদয় নিংড়ানো ভালবাসা।
২০২৩ সালে যখন আলকাউসারের সাথে আমার প্রথম পরিচয় ঘটে, তখন থেকে আজ পর্যন্ত আমি আলকাউসারের একজন গুণমুগ্ধ নিয়মিত পাঠক।
আলকাউসারের ‘পাঠকের পাতা’ বিভাগটি দেখে আমার মনেও মাঝে মাঝে এ ইচ্ছা জাগে যে, আমিও আমার মনের কিছু অনুভূতি প্রিয় আলকাউসারের সাথে ভাগাভাগি করি!
আমার দুইটি আবদার :
এক. ‘প্রচলিত ভুল’ নামে আগে নিয়মিত একটি বিভাগ ছাপা হত। এখন পুনরায় নিয়মিত প্রকাশের জোর দাবি জানাচ্ছি।
দুই. ‘আনওয়ারুল কুরআন’ নামে একটি বিভাগ রয়েছে; আমার অনুরোধ, ‘আনওয়ারুল হাদীস’ নামেও একটি বিভাগ শুরু করা হোক।
পরিশেষে রব্বে কারীমের দরবারে ফরিয়াদ— তিনি যেন বাংলার প্রতিটি ঘরে মাসিক আলকাউসার পৌঁছে দেন এবং উম্মাহর হেদায়েতের জন্য কবুল করে নেন— আমীন।
—তাহসিন বিন হানিফ
আমার অনুভূতি
আলকাউসারের প্রতিটি বিভাগ হৃদয়গ্রাহী ও মনোমুগ্ধকর। বিশেষ করে ‘শিক্ষার্থীদের পাতা’ পড়াশোনার প্রতি অনুপ্রেরণা জোগায়। গত আগস্ট মাসে আমীনুত তালীম হুজুরের শাখসিয়্যাত প্রতিষ্ঠা বিষয়ে লেখাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং উপকারী। শাখসিয়্যাত প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব খুব ভালোভাবে অনুধাবন হয়েছে।
মাওলানা আবরারুয যামান সাহেব হুজুরের ‘অন্যেরও ওযর থাকতে পারে’ লেখাটা একদম হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। যেন মনের কথাটাই বলে দিয়েছেন তিনি। সত্যিই আমরা অনেকেই এই রোগে আক্রান্ত।
আল্লাহ তাআলা আলকাউসার পরিবারকে কবুল করুন, তাদের কাজে বারাকা দান করুন।
—মুহাম্মাদ শরীফুল ইসলাম
মিরপুর, ঢাকা
‘আলকাউসার’ : আমার জীবন পথের দিশা
প্রিয় আলকাউসার পরিবার, আমি ছিলাম এক পথহারা তালিবুল ইলম। পড়ালেখার প্রতি আমার তেমন কোনো আগ্রহ ছিল না। না কোনো আমলের কিতাবে— না কোনো উপন্যাসে, না কোনো পত্রিকায়, না কোনো দরসী কিতাবে। কোথাও কোনো আগ্রহ খুঁজে পেতাম না। মন শুধু উদ্ভ্রান্তের ন্যায় ঘোরাফেরা করত। আমার উদ্ভ্রান্ত মন এমন এক ‘পাথেয়’-এর অপেক্ষায় ছিল, যা পথহারা পথিকের দিশা হবে, ভাঙা হৃদয়ের খোরাক হবে। অতৃপ্ত হৃদয় তৃপ্ত করবে। এমনই এক সংকটময় সময়ে আমার হাতে পৌঁছে আলকাউসার নামক মহা পাথেয়টি।
অন্যান্য কিতাবের মতো এটিও পড়তে শুরু করি; তবে এটি পড়ে ভিন্ন এক অনুভূতি জাগ্রত হয়। হৃদয় কেড়ে নেয় ‘আপনি যা জানতে চেয়েছেন’ ও ‘শিক্ষার্থীদের পাতা’ বিভাগ।
হৃদয়গ্রাহী ও মনোমুগ্ধকর এর একেকটি কলাম। মনে হয় এখানেই আমার খোরাক নিহিত। তাই মন আগ্রহী হয়ে ওঠে। আমি প্রতি মাসে আলকাউসার হাতে পেতে ব্যাকুল হয়ে থাকি এবং নিয়মিত পড়তে থাকি। এর প্রভাবে আমার ভাঙা হৃদয় চাঙা হয়ে ওঠে। আমি আবার পড়ালেখায় উদ্যম ফিরে পাই।
আল্লাহ তাআলা আপনাদের সকলকে নেক হায়াত দান করুন এবং আপনাদের কলমে অফুরান বারাকা দান করুন। যাতে আপনাদের লেখার মাধ্যমে দেশবাসী আলোকিত পথের দিশা পেয়ে যায়— আমীন!
—মোহাম্মদ মিরাজ