খবর... অতঃপর...
জা তী য়
r ‘১৮ বছরের কম বয়সিরা যেন মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না পারে’
১৮ বছরের কম বয়সিরা যেন মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না পারে এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু।
যুগান্তর, ২৫ জুলাই ২০২৬
· এধরনের পদক্ষেপ বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্রগুলোতে আগেও গ্রহণ করা হয়েছে। সরকার এমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারলে তো ভালোই হবে। তবে এগুলো কথার কথা হিসেবে না রেখে কাজে পরিণত করা দরকার।
r জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়কার ই-পেপার সরিয়ে ফেলেছে ৪ পত্রিকা: কালের কণ্ঠ, ডেইলি সান, বাংলাদেশ প্রতিদিন, দৈনিক জনকণ্ঠ
বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ২৭ জুলাই ২০২৬
· সরিয়ে ফেললেও সেসব পত্রিকা রাষ্ট্রের সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা দরকার। কারণ ওগুলো দিয়ে ভবিষ্যতে বহু মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণের ক্ষেত্রে হয়তো সহযোগিতা পাওয়া যাবে। এসব বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। তারা সরিয়ে ফেললেও বিটিআরসি সেগুলো উদ্ধার করতে পারবে— এতে কোনো সন্দেহ নেই।
r “ভোটের আগে পাম দিয়ে ভোটে দাঁড় করিয়ে, লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে নির্বাচন করার পরেও একবারের জন্য কল করে খোঁজ নেয় না কেমন আছে সে প্রার্থী? বেঁচে আছে না মরে গেছে একটা কলও করে না। এত অমানবিক কেন? উদার মানসিকতা নয় কেন? এটা কি নববী আদর্শ!” ডা. ইব্রাহিম খলিল চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে চরমোনাইয়ের প্রার্থী
বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ২৯ জুলাই ২০২৬
· বেচারা! হাল আমলের রাজনৈতিক নেতাদের চিনতে ভুল করেছেন।
r শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে ৮৪৪১ কোটি টাকার দুর্নীতি
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণে ৮৪৪১ কোটি টাকার দুর্নীতি ও আর্থিক অনিয়ম হয়েছে।
দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান, আমলা, রাজনীতিক ও ব্যবসায়ীদের একটি চক্র অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ, জাল বিল-ভাউচার, পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেখানো, অনুমোদনহীন ব্যয় এবং সরকারি ক্রয়বিধির স্পষ্ট লঙ্ঘনের মাধ্যমে জাপানি অর্থায়নের প্রকল্পটি থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা সরিয়ে নিয়েছে।
ডেইলি টাইমস, ৩০ জুলাই ২০২৬
· জনগণ শুধু দুর্নীতির ফিরিস্তি আর ইতিহাস শুনতে চায় না; বরং দুর্নীতিবাজদের ধরে ধরে কঠোর শাস্তির সম্মুখীন করা হোক এবং তাদের থেকে রাষ্ট্রের টাকা ফিরিয়ে নেওয়া হোক— সেটাও চায়।
r পিলখানা হত্যাকাণ্ডের তথ্য জানতেন বলেই ‘জঙ্গি’ সাজিয়ে হত্যা
পিলখানা হত্যাকাণ্ডে ভারতের সম্পৃক্ততার তথ্য জানার কারণেই অবসরপ্রাপ্ত মেজর জাহিদুল ইসলামকে পরিকল্পিতভাবে টার্গেট করা হয়েছিল বলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, তাকে ‘জঙ্গি’ সাজিয়ে হত্যা করা হয় এবং পরে তার স্ত্রী ও দুই শিশুকন্যাকে দীর্ঘ চার মাসের বেশি সময় গুম রেখে নির্যাতন চালানো হয়। এ ঘটনায় সাবেক আইজিপিসহ কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
যুগান্তর, ৩১ জুলাই ২০২৬
এই হত্যাকাণ্ডের বৈধতা উৎপাদন করেছিল, প্রথম আলো ও তার সমগোত্রীয় মিডিয়াগুলো। ২০১৬ সালে প্রথম আলো শিরোনাম করেছিল, ‘এপ্রিল থেকে পরিবারবিচ্ছিন্ন : আড়াই বছর আগে উগ্রবাদে জড়ান মেজর জাহিদ’
শিরোনামের পর গল্প এভাবে ফেঁদেছিল,
চলতি বছরের ২৮ এপ্রিল পরিবার ও নিকটাত্মীয়দের কাছ থেকে বিদায় নিয়েছিলেন মেজর (অব.) জাহিদুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী জেবুন্নাহার (শীলা)। বলেছিলেন, আর দেখা না-ও হতে পারে। স্বজনদের থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার চার মাস পর গত শুক্রবার রাতে ঢাকার মিরপুরের রূপনগরে পুলিশের অভিযানে গুলিতে নিহত হন পদাতিক বাহিনীর সাবেক এই কর্মকর্তা। তাঁর স্ত্রী ও দুই শিশুসন্তানের খোঁজ পাওয়া যায়নি।...
প্রথম আলো, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬
· সেটাই তো আমরা বারবার বলে আসছি এবং এদেশের জনগণ বলে আসছে যে, মিডিয়া ও হলুদ সাংবাদিকদের যতক্ষণ পর্যন্ত বিচারের আওতায় না আনা হবে, যারা মুখোশধারী সাংবাদিক, একসময় যারা দেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে, বিদেশে বসে দালালি করেছে, এ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ, ইসলাম-মুসলমানদের বিরুদ্ধাচরণ করেছে, টেবিলে বসে জঙ্গিবাদ তৈরি করেছে, মাদরাসাগুলোকে জঙ্গিবাদের অপবাদ দিয়েছে— তারা কিন্তু আরামে এখনও ব্যবসা করে যাচ্ছে এবং নিজেদেরকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে পার পেয়ে যাচ্ছে।
এটা দুঃখজনকভাবে ইউনূস সরকারের সময় দেখা গেছে যে, পুরো সরকার তাদের পক্ষে। নাহিদ ও আসিফ নজরুল সাহেবরা তখন তাদের পক্ষে খুব ভালোভাবে ওকালতি করেছে। এই সরকারেরও কিছু লোক, তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদের মতো লোকদেরকেও তাদের পক্ষে ওকালতি করতে দেখা যাচ্ছে। অথচ তাদের বানানো রিপোর্টের কারণে কতজনকে এভাবে নির্যাতন-হত্যা করা হয়েছে। ধরে নিয়ে জঙ্গি বানানো হয়েছে।
শুধু কি ধর্মীয় লোকজন? আলেম-উলামা? বিএনপির বহু লোককে কি তারা জঙ্গিবাদের সাথে সম্পৃক্ত করেনি? বিএনপির বহু লোকের বিরুদ্ধে, বড় বড় নেতার বিরুদ্ধে তারা হলুদ সাংবাদিকতা করেনি? তো এভাবে কত প্রাণ গিয়েছে এবং কত লোক হেনস্তার শিকার হয়েছে! অথচ যারা এগুলোর প্রেক্ষাপট তৈরি করেছে, তারা বহাল তবিয়তেই আরাম-আয়েশে জীবনযাপন করছে।
r অন্তর্বর্তী সরকার তরুণদের ক্ষমতার লোভ শিখিয়েছে : হোসেন জিল্লুর
জুলাই অভ্যুত্থানের পর বিপুল জনপ্রত্যাশা নিয়ে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতার তিনটি ক্ষেত্র চিহ্নিত করেছেন হোসেন জিল্লুর রহমান, যিনি ২০০৭-০৮ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারে উপদেষ্টা ছিলেন। তাঁর মতে, এর একটি হলো, তরুণদের ক্ষমতালোভী করে তোলা।
প্রথম আলো, ১ আগস্ট ২০২৬
· কথাটি অবাস্তব নয়। তবে তরুণরা রাজনীতি করাও দূষণীয় নয়। যদি তরুণদের মধ্যে সততা ও নিষ্ঠা থাকে, তারা সেই গুণগুলো নিয়ে রাজনীতিতে এগিয়ে যেতে পারে এবং রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনতে পারে, তাহলে সেটি ইতিবাচকই বটে। কিন্তু সেগুলো অর্জন না করে তরুণ প্রজন্মের রাজনীতিতে ঝাঁপিয়ে পড়া দেশ ও জনগণের জন্য ক্ষতিকর হবে। এতে কোনো সন্দেহ নেই।
r তসলিমা নাসরিন চাইলে দেশে ফেরার আবেদন করতে পারেন : ডা. জাহেদ
এ প্রসঙ্গে ডা. জাহেদ জানান, তসলিমা নাসরিন যদি দেশে ফিরতে চান, তাহলে প্রচলিত আইন ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আবেদন করতে পারবেন। এরপর সরকার আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে।
ইত্তেফাক, ৪ আগস্ট ২০২৬
· জাহেদ সাহেবের তো অনেক বয়স হয়েছে বলে মনে হয় না। তিনি তসলিমা সম্পর্কে জানেন কি না? তার কয়টা স্বামী বিগত হয়েছে সেটাও তিনি জানেন কি না? তসলিমা এ দেশ থেকে কী কারণে পালিয়েছেন, সেটা তিনি জানেন কি না? সেটাও যদি না জেনে থাকেন, তাহলে এগুলো জেনে কথা বলা উচিত।
বাংলাদেশ থেকে তসলিমাকে বের করে দেওয়া হয়নি। এ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের বিরুদ্ধে, তাদের ধর্মীয় মূল্যবোধের বিরুদ্ধে, তাদের সভ্যতা-সংস্কৃতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারণে দেশ থেকে সে পালাতে বাধ্য হয়েছে— সেই ইতিহাস জাহেদদের আগে পড়ে নেওয়া দরকার। তারপরে এ বিষয়ে মুখ খুললে ভালো হবে।
r জ্বালানি সংকটের কারণ বিগত ১৭ বছরের সরকারের অব্যবস্থাপনা : বাণিজ্যমন্ত্রী
পাট, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশে জ্বালানি খাতের বর্তমান সংকটের মূল কারণ বিগত ১৭ বছরের সরকারের চরম অব্যবস্থাপনা। এই মুহূর্তে সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল জ্বালানি সংকট মোকাবেলা করা।
স্টার নিউজ, ৫ আগস্ট ২০২৬
· মানুষ এ ধরনের কথা শুনতে চায় না। সবাই জানে, বিগত ১৬ বছর দেশে অরাজকতা হয়েছে। বিশেষত জ্বালানি সেক্টরে তো বড় ধরনের অরাজকতা এবং হরিলুট হয়েছে। কিন্তু সেটা অতীত হয়ে গেছে। মানুষ সামনে অগ্রসর হতে চায়। যেখানে আপনারা ব্যর্থ হবেন, সেখানেই বিগত সরকারের কথা টেনে আনবেন এবং সেটা বলে পার পেতে চাইবেন, তা হবে না।
সবাই বোঝে, দেশ একটা কঠিন পরিস্থিতিতে আছে এবং দেশকে তলানিতে ফেলে গেছে বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার। জনগণ বিএনপিকে ক্ষমতায় বসিয়েছে তারা যেন সে সংকট থেকে উত্তরণ করতে পারে। অজুহাত দাঁড় করানোর জন্য বিএনপিকে ক্ষমতায় বসানো হয়নি। সুতরাং এগুলো বলে পার পাওয়া যাবে না। এ ধরনের কথা কম উচ্চারণ করাই ভালো। কাজ করে যেতে হবে নিরলসভাবে। যেখানে যেখানে সংকট ও অসুবিধা, সেগুলো পার হতে হবে। দক্ষতা ও কর্মনিষ্ঠার সাথে কাজ করলে এসব সমস্যা সমাধানযোগ্যই বটে।
r ধরেন সরকার দায়িত্ব ছেড়ে দিল, তারপর কে দেশ ও রাষ্ট্র চালাবে? কে আছে দেখান? —নুরুল হক নুর
বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ৬ আগস্ট ২০২৬
· এত ভক্তি দেখানো ঠিক নয়। নূরেরা যে যেই দায়িত্ব পেয়েছেন, সেটাই ভালোভাবে আদায় করুন। এত বাড়তি কথা না বলাই ভালো।
r আওয়ামী লীগ আমাদের শত্রু নয়, মিত্র : এমপি নাছির চৌধুরী
সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) নাছির চৌধুরী বলেন, আওয়ামী লীগ আমাদের শত্রু নয়, তারা আমাদের মিত্র। আমরা তাদেরকে নিয়ে একসঙ্গে যুদ্ধ করেছি। অচিরেই আওয়ামী লীগ বিএনপির সঙ্গে মিশে যাবে।
স্টার নিউজ, ৬ আগস্ট ২০২৬
· কী ধরনের মিত্র, সেটা তো তিনি খোলাসা করেননি। আওয়ামী লীগ বিএনপির যেই নেতাদের মিত্র, সে বিএনপিকে কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ চায় না। এই ধরনের নেতাদের বিষয়ে বিএনপির হাই কমান্ডকে সতর্ক থাকতে হবে।
r যুবদল নেতার কব্জি কেটে দিলেন আ’লীগ নেতা
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায় জমির আইল কাটা নিয়ে বিরোধের জেরে ইউনিয়ন যুবদলের এক নেতার বাম হাতের কব্জি কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগের এক নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত ওই যুবদল নেতা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। হামলার ঘটনায় করা মামলায় প্রধান দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সমকাল, ৩ আগস্ট ২০২৬
· তারা সুনামগঞ্জের নয় তো? তাহলে সুনামগঞ্জের এমপির বন্ধুত্বের সম্পর্ক বলে বোঝা যেত। বিএনপিকে বুঝতে হবে, তৃণমূল থেকে ওপর পর্যন্ত যে পর্যায়েই হাসিনার লোকেরা আছে, তারা প্রায় সবাই এ ধরনের মনোভাব পোষণ করে। কেউ হয়তো কাজে পরিণত করে, কেউ করে না।
r শতভাগ ফেলের দায় সিসি ক্যামেরার ওপর চাপালেন শিক্ষক
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার চতড়া ইউনিয়নের কুমারপুর উচ্চবিদ্যালয়ে গত বছর এসএসসি পরীক্ষায় ৫৪ শিক্ষার্থীর মধ্যে ২৯ জন পাস করেছিল। এক বছরের ব্যবধানে এ বছর সেই বিদ্যালয়ের ১৮ পরীক্ষার্থীর কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। ফলাফল নেমে এসেছে শূন্যে।
বিদ্যালয়ের এমন চরম ফলাফল বিপর্যয় এবং শতভাগ অকৃতকার্য হওয়ার কারণ হিসেবে বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক বলেন, সিসি ক্যামেরার ভয়ে শিক্ষার্থীরা এমন ফল করেছে। আরও এক শিক্ষক দায় চাপালেন অভিভাবকদের অসচেতনতা ও সিসি ক্যামেরার ওপর।
ইত্তেফাক, ১০ আগস্ট ২০২৬
· আরেক ভাষায় বললে অসদুপায় অবলম্বন না করতে পারার ওপর দায় চেপেছে। বাস্তবে এমন হয়ে থাকলে সিসি ক্যামেরা সে দায় নিয়ে সন্তুষ্টই থাকবে। কারণ সে অসদুপায় অবলম্বনকারীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। সব শিক্ষার্থী ফেল করলেও ওই সিসি ক্যামেরা পাশ হয়ে গেছে।
r ‘সেক্রেটারি হতে ৫০ লাখ খরচ কইরছি’
‘আমি পানিওয়ালা যামু না, তোরা এইকগাও (একজনও) পৌরসভায় আসবি না। সেক্রেটারি হতে ৫০ লাখ খরচ কইরছি’ এমন কথা বলে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তাওহীদ হোসেন মারুফ ভূঁইয়াকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। একটি বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হতে না পেরে রামগঞ্জ পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন পলাশ মোবাইল ফোনে এ হুমকি দেন। এ ঘটনার কলরেকর্ড স্থানীয়ভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
যুগান্তর, ১১ আগস্ট ২০২৬
· এই ধরনের দুয়েকজন সেক্রেটারিই দল এবং দেশকে ডোবানোর জন্য যথেষ্ট। ৫০ লাখ না, সে একটা ইউনিয়নের সেক্রেটারি হওয়ার জন্য ৫ লাখও খরচ করে থাকলে এ টাকা ওঠাবে কীভাবে? ধরে নেওয়া যাক, ওটা চাপাবাজি। কিন্তু বাস্তবে এই ধরনের কথা তো চালু আছে।
r শেখ হাসিনাকে ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহারের সুযোগ দিয়ে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অর্থহীন : নাহিদ ইসলাম
ইত্তেফাক, ১১ আগস্ট ২০২৬
· যৌক্তিক কথা।
r প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে অসুবিধা নেই, তবে হতে হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে : জামায়াতের আমির
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সারা বিশ্বই সফর করতে পারেন। ভারত সফর করতেও কোনো অসুবিধা নেই। তবে সেই সফর হতে হবে সমতা, সমমর্যাদা ও বন্ধুত্বের ভিত্তিতে। দেশের মানুষ আর কারও আধিপত্যবাদ মেনে নেবে না। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে বন্ধুত্ব, সমমর্যাদা ও সমতার ভিত্তিতে।’
আজ শুক্রবার দুপুরে রাজশাহী মহানগর জামায়াতের সদস্য (রুকন) সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শফিকুর রহমান এ কথা বলেন।
প্রথম আলো, ২১ আগস্ট ২০২৬
· এটি আবার কী কথা? সংসদে তো এনসিপি-জামাত জোটবদ্ধভাবে আছে। প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর নিয়ে এনসিপির অবস্থান একটি। প্রধান বিরোধী দল জামায়াতের অবস্থান অন্যটি। সেক্ষেত্রে জনগণ কী বার্তা নেবে? এমন তো নয় যে, প্রধান বিরোধী দল প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সাথে তাদের নৈকট্য তৈরির জন্য এমন কথা বলছেন!
r ভারতের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রীর যাওয়া উচিত : জিএম কাদের
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীকে ভারতের আমন্ত্রণ গ্রহণ করা উচিত। তিনি মনে করেন, আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করলে ভারতীয়রা এটা সহজভাবে নেবেন না।
ঢাকা টাইমস, ১৬ আগস্ট ২০২৬
· জিএম কাদেররা তো ওটা বলবেনই। তার প্রয়াত ভাই হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদও ভারতে যেতেন আর তারা যেভাবে বলত সেভাবে হাসিনা সরকারকে সমর্থন দিয়ে, গৃহপালিত বিরোধী দল হয়ে ওই অবৈধ সরকারকে কাগজে-কলমে বৈধতা দিয়ে গেছে। তারই তো ভাই জিএম কাদের। তিনিও সেই গৃহপালিত বিরোধী দলের অংশ ছিলেন।
‘ভারত সহজভাবে নেবে না’ একথার মতলব কী? তিনি কি এটা বোঝাতে চান যে, ভারত আমাদেরকে চোখ রাঙাবে, ভয় দেখাবে? মনে রাখতে হবে, ভারত এখন আর সেই অবস্থানে নেই। বাংলাদেশ স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র। বাংলাদেশ কাউকে চোখ রাঙায়ও না, কারও চোখ রাঙানির পরোয়াও করে না।
এটাও বুঝতে হবে, কূটনৈতিকভাবে ভারত কোণঠাসা হয়ে আছে। ভারতের নিজের অঞ্চলে চীনা সৈন্য অনুপ্রবেশ করেছে বলে খবরে এসেছে। তারা আন্তর্জাতিকভাবে বন্ধুহীন হয়ে পড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে তারা দাপট দেখাতে চেয়েছিল, সেখানেও তারা চাপে পড়েছে। হিন্দুত্ববাদীরা ঘোষণা করেছিল, ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় এলে মোদিরও জয়জয়কার হবে। মোদি সব ফ্যাসিলিটি ভোগ করবে। কিন্তু হিতে বিপরীত হয়েছে।
ভারত এখন কূটনৈতিকভাবে এমনিই চাপে রয়েছে। তারেক রহমান সফরে না গেলে ভারত সহজভাবে নেবে না! না নিলে বাংলাদেশের কী হবে? ভারতের সাথে বাংলাদেশের যেসকল চুক্তি, সেগুলোতে তো ভারতেরই বাণিজ্য হয়। এই দেশে ভারত রপ্তানি করে বেশি। ভারত ব্যবসায়িক স্বার্থেই সম্পর্ক রাখতে চাইবে।
সুতরাং জিএম কাদেররা এখনই কথা বলা বন্ধ না করলে তারা ভুল করবে। জিএম কাদেররা কীভাবে বাইরে থাকে? ফ্যাসিবাদের প্রত্যক্ষ দোসর হয়েও তারা ‘লাল ঘর’-এ না থেকে বাইরে কীভাবে আছে— এটাই জনগণের বুঝে আসে না। আবার নীতিবাক্য ছাড়ার সুযোগও তারা পাচ্ছে।
r তারেক রহমানের ভারত সফরের জন্য কঠিন শর্ত দিয়েছে বাংলাদেশ
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের আগে গতকাল রোববার ঢাকা থেকে কিছু শর্তের কথা বলা হয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে এগুলোকে কঠিন শর্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রথম আলো, ১৭ আগস্ট ২০২৬
· বাস্তবেই এমনটি হয়ে থাকলে তা সময়োপযোগী কূটনীতি বলেই বিবেচিত হবে। দুটি দেশের সরকার প্রধান মিলিত হওয়া এবং এক দেশের সরকার প্রধান অন্য দেশে রাষ্ট্রীয় সফরে যাওয়া ছোটখাটো কোনো ব্যাপার নয়।
সাধারণত এক দেশের সাথে আরেক দেশের মন্ত্রী পর্যায়ের, সচিব পর্যায়ের বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় দায়িত্বশীল পর্যায়ের সফর হয়ে থাকে। বিভিন্ন বিষয়ে ডায়ালগ হয়ে থাকে। কোনো কোনো বিষয়ে চুক্তিও হয়ে থাকে। কিন্তু সরকারের সর্বোচ্চ ব্যক্তি কোথাও সফরে যাওয়ার মানে হল, এর আগে ওই দেশের সাথে একটা ভালো বোঝাপড়া তৈরি হয় এবং বড় ধরনের কোনো টানাপোড়েন থাকে না। বড় ধরনের টানাপোড়েন নিয়ে কোনো রাষ্ট্রের সরকার প্রধান অন্য রাষ্ট্রে যদি সফরে যায় এর মানে হল, তারা সেখানে জাতীয় স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়েছে।
বিগত কয়েক মাস থেকেই নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারতে সফরে নেওয়ার জন্য ভারত সরকার মরিয়া হয়ে উঠেছিল। এ মাসের শুরুর দিকে বিশেষ কূটনৈতিক তৎপরতা পরিলক্ষিত হয়। বারবার ভারত সরকারের বিশেষ দূত এখানকার বিভিন্ন স্তরে দেখা সাক্ষাৎ করেন, দিল্লিতে উড়াল দেন। একবার তো প্রচার হয়ে গিয়েছিল, আগামী সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী সংক্ষিপ্ত সফরে ভারতে যাচ্ছেন। কিন্তু তা দেখে অনেকেরই চোখ ছানাবড়া হয়েছিল। তারা চিন্তা করেছিল, বাংলাদেশের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামী ভারতে রাজনৈতিক সংবাদ সম্মেলন করতে পারে, তাহলে এ দেশের প্রধানমন্ত্রী ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কাছে কী দাবি নিয়ে যাবেন? কী কাজ তিনি করবেন? কী স্বার্থ উদ্ধার করবেন বাংলাদেশের?
যাই হোক শেষ পর্যন্ত তাড়াহুড়ো করে সফর আর হচ্ছে না বলে মনে হয়। সরকারের তরফ থেকে বলা হচ্ছে, তারা শর্ত দিয়েছে। এগুলো কোনো অন্যায্য শর্ত নয়। পত্রিকায় যদিও কঠিন শর্ত বলা হচ্ছে, কিন্তু বাস্তবে তো কঠিনের কিছু নেই। বাংলাদেশ তো অন্যায্য কিছু দাবি করেনি। বাংলাদেশের সাথে ভারতের বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি আছে। অপরাধী প্রত্যর্পণ চুক্তি আছে। সে চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ ভারতের আসামীকে ফেরতও দিয়েছে বিগত সময়ে। সুতরাং বাংলাদেশ তো চুক্তি অনুযায়ী এবং আইনগতভাবেই এটা চাইতে পারে।
বাংলাদেশে আলোড়ন সৃষ্টিকারী ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের আসামী সেখানে আছে। তাকে বাংলাদেশ ফেরত চাইতেই পারে। বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদের রূপকারও ভারতের শুধু তত্ত্বাবধানেই নয়; বরং আদর-যত্নে থেকে রাজনৈতিক বিভিন্ন অপতৎপরতাও চালাচ্ছেন। তো এরকম একটা পরিস্থিতিতে কোনো সৌহার্দপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সর্বোচ্চ পর্যায়ের মিটিং হওয়া সম্ভব নয়। এসব বিষয়ে ভারত ইতিবাচক সিদ্ধান্ত না নিলে পরিস্থিতি আরও প্রতিকূল হবে। আর প্রতিকূল পরিস্থিতিতে দ্বীপক্ষীয় সফর করে লাভ কী? এক্ষেত্রে বাংলাদেশের দাবি আমরা কঠিন মনে করি না; বরং যৌক্তিক মনে করি।
প্রতিবেশী রাষ্ট
r ভারতে তিন মাসে ২৫ মুসলিম হত্যায় নিরাপত্তা বাহিনী ও হিন্দুত্ববাদীরা
ভারতে বিদ্বেষ ও ঘৃণামূলক প্রচারের কারণে গত তিন মাসে কমপক্ষে ২৫ জন মুসলিম হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। চলতি বছরের মে থেকে জুলাই পর্যন্ত ভারতীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিজেপি সমর্থক উগ্র হিন্দুদের গণপিটুনিতে তারা নিহত হন।
তাদের মধ্যে ১৫ জন নিহত হয়েছেন পুলিশসহ রাষ্ট্রীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে। বাকি ১০ জনকে হত্যা করেছে উগ্রবাদী হিন্দুরা। অন্যদিকে গত সাত মাসে হেট ক্রাইমে (ঘৃণামূলক অপরাধ) নিহত মুসলমানের সংখ্যা ৪৪ ছাড়িয়েছে। একই সময় মুসলমানদের বাড়িঘর ও ধর্মীয় স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে তিন হাজারের বেশি।
আমার দেশ, ১০ আগস্ট ২০২৬
· এগুলো তো প্রাতিষ্ঠানিক হিসাব, কিন্তু বাস্তবে যেভাবে খবর পাওয়া যায় এবং যেভাবে গরুকে কেন্দ্র করে, ‘বন্দে মাতরাম’কে কেন্দ্র করে এবং আরও বিভিন্নভাবে মুসলিমদের ওপর যে নির্যাতনের খবর আসছে, সেই হিসাব পঁচিশ কেন আরও অনেক বেশি হবে সন্দেহ নেই।
r বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান আবার ভারতের অংশ হবে : রামদেব
ভারতের আলোচিত যোগগুরু রামদেব সোমবার বলেছেন, একদিন পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান আবার ভারতের অংশ হয়ে যাবে। এজন্য ভারতীয়দের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান তিনি। রামদেব বলেন, ভারতে কোনো ধর্মই হুমকির মুখে নেই, তবে দেশের সম্মান ও মর্যাদা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
স্টার নিউজ, ১৮ আগস্ট ২০২৬
· সে আশায় গুড়ে বালি। ভারত নিজেকে নিয়ে চিন্তা করুক। তার যে সমস্ত প্রদেশে অস্থিতিশীলতা চলছে, সেগুলো তারা রক্ষা করতে পারে কি না— সেটাই আগে ভেবে দেখুক। অন্যদেরকে তাদের অংশ বানানোর আশা ১৯৪৭ সালেই শেষ হয়ে গেছে।
r গাজায় যুদ্ধ চলাকালে ইসরায়েলে ২,৫৯৬ চালানে অস্ত্র পাঠায় ভারত : অ্যামনেস্টি
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ইসরায়েলে এই চালান পাঠায় ভারত।
‘মিডল ইস্ট আই’ পত্রিকা লিখেছে, বৃহস্পতিবার প্রকাশিত “মেড ইন ইন্ডিয়া : দ্য সাপ্লাই অব ওয়েপনস অ্যান্ড অ্যামিউনিশন টু ইসরায়েল” শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত এসব চালান পাঠানো হয়।
বিডি নিউজ২৪.কম, ২০ অগস্ট ২০২৬
· মোদি-নেতানিয়াহু ভাই ভাই— এবং হিন্দুত্ববাদ ও জায়নবাদ যে ওতপ্রোতভাবে জড়িত— এটি তার একটি প্রমাণ।
আন্তর্জাতিক
r যৌন অসদাচরণ : জাতিসংঘের তদন্তে প্রমাণ না মিললেও ভোটে অপসারিত হলেন আইসিসির করিম খান
যৌন অসদাচরণের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রধান কৌঁসুলি করিম খানকে সরিয়ে দেওয়ার পক্ষে ভোট দিয়েছে সদস্যদেশগুলোর পরিষদ ‘অ্যাসেম্বলি অব স্টেটস পার্টিজ’।
তবে করিম খানের আইনি দল এ সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে।
২০২৪ সালে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তাঁর তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন করিম খান। পরে ওই বছরের শেষ দিকে আইসিসির বিচারকেরা সেই পরোয়ানা আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করেন।
প্রথম আলো, ২৫ জুলাই ২০২৬
· বোঝাই যাচ্ছে, তাঁর বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগ মনগড়া ছিল। এসব অপ্রমাণিত অভিযোগ আসলে ইসরাইলপন্থিরাই এনেছে। এরপরেও ভোটে তাকে অপসারণ করে অন্যায় আচরণ ও জুলুম করা হয়েছে বলেই ধর্তব্য হবে। এটা ইসরাইলপ্রীতি বলেই ইতিহাসে লেখা থাকবে।
r গাজায় প্রতি রাতে ৩০-৪০ ফিলিস্তিনিকে হত্যার আহ্বান ইসরায়েলি মন্ত্রীর
গাজায় প্রতি রাতে ৩০ থেকে ৪০ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যার আহ্বান জানিয়েছেন ইসরায়েলের উগ্র ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির। শুধু তাৎক্ষণিকভাবে হুমকি তৈরি করা ব্যক্তিদের নয়, আরও বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যার পক্ষে মত দিয়েছেন তিনি।
রোববার (১৬ আগস্ট) প্রকাশ্যে আসা একটি পডকাস্টের পর্বে সাবেক ইসরায়েলি বন্দি রোম ব্রাসলাভস্কির সঙ্গে আলাপকালে এসব মন্তব্য করেন বেন-গভির। গাজায় যুদ্ধ চলাকালে হামাসের হাতে আটক ছিলেন ব্রাসলাভস্কি। পরে তিনি মুক্তি পান।
স্টার নিউজ, ১৭ আগস্ট ২০২৬
· ইসরাইল এমন একটি রাষ্ট্র এবং তার বর্তমান ক্ষমতাবানেরা এত বেশি যুদ্ধবাজ যে, তারা তাদের ওয়াদা, তাদের চুক্তি কোনো কিছুই ঠিক রাখতে পারে না। কারণ যুদ্ধ যুদ্ধ খেলাই তাদের কাজ। একদিকে তারা চুক্তি করে, অন্যদিকে সেটা ভঙ্গ করে আবার হত্যাকাণ্ড চালায়। ভবিষ্যতে ইসরাইলের সাথে কেউ চুক্তি করতে চিন্তা করবে যে, এরা চুক্তি রক্ষা করে না। ইসরাইল শুধু এখনই না, অনেক আগে থেকেই ওয়াদা খেলাফকারী এবং নির্লজ্জ বলে পরিচিত।
গ্রন্থনা : ওয়ালিউল্লাহ খান