পাঠকের পাতা
অনলাইনে ব্যাপক প্রচার কামনা করি
মাসিক আলকাউসার-এর প্রতিটি লেখাই নির্ভরযোগ্য ও উপকারী। সচেতন যে কোনো পাঠক এ কথা বলতে বাধ্য যে, আলকাউসার নির্ভরতার জায়গায় সেরা। আমি নিয়মিত এ পত্রিকার পাঠক। এখানের যে কোনো তথ্য, শরীয়া বিশ্লেষণ, কোনো মাসআলা বা ইলমী যে কোনো আলোচনা পড়ে অন্যত্র বলতে আলাদা সাহস পাই। খুব সাহসের সাথেই বলি, আমি এটি আলকাউসারে পেয়েছি। অতএব ভিন্ন কিছু বলতে হলে ভেবেচিন্তে বলতে হবে। যাকে বলি, সে-ও আলকাউসারের ব্যতিক্রম কিছু বলতে দশবার চিন্তা করে।
আমি আমার ছাত্রদেরকে সব সময় আলকাউসার পড়তে উদ্বুদ্ধ করি। কেবল আলকাউসার নয়, মারকাযুদ দাওয়াহ্র যে কোনো বই আমার নিকট নির্ভরযোগ্য মনে হয়। চূড়ান্ত তাহকীক বলে মনে করে সবাই। যদি প্রতিটি মানুষের হাতে পৌঁছে দিতে পারতাম এ পত্রিকা!
ছোট্ট একটি নিবেদন। বেশি থেকে বেশি মানুষ এ আলো থেকে উপকৃত হোক, এজন্য অনলাইনে ব্যাপক প্রচার-প্রসার কামনা করি। এতে পত্রিকাটি আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করবে বাংলার প্রতিটি ঘরে।
–মুহাম্মাদ আশরাফুল আলম
সাগুফতা আবসিক এলাকা, পল্লবী, ঢাকা
আলকাউসার আমার সামনে চিন্তার নতুন দরজা খুলে দেয়
আমি মাসিক আলকাউসার-এর একজন নিয়মিত পাঠক। দীর্ঘদিন ধরে এই পত্রিকাটি পড়ছি এবং প্রতিবার পড়ার পর মনে হয়– এটি আমার জ্ঞান, চিন্তাচেতনা ও ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গিকে পরিমার্জন করে। আলকাউসার পড়ার প্রতি আমার আগ্রহের কয়েকটি বিশেষ কারণ হল–
আনওয়ারুল কুরআন বিভাগ। এ অংশে কুরআনের আয়াতগুলো সহজ, গভীর ও প্রাসঙ্গিকভাবে ব্যাখ্যা করা হয়। প্রতিটি আলোচনা আমার জন্য চিন্তার নতুন দরজা খুলে দেয় এবং দ্বীন সম্পর্কে সঠিক ধারণা পেতে সাহায্য করে।
সমসাময়িক বিষয়, শিক্ষার পরিবেশ এবং নৈতিকতা সংক্রান্ত যেসব বিশ্লেষণ থাকে, তা আমাকে বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করে। অনেক ভুল ধারণা দূর হয় এবং বাস্তব জীবনে অনুসরণযোগ্য মূল্যবান দিকনির্দেশনা পাই।
শিক্ষা পরামর্শ বিভাগে শিক্ষার্থী ও তরুণদের জন্য খুবই উপকারী পরামর্শ পাওয়া যায়। সময় ব্যবস্থাপনা, পড়াশোনার কৌশল, চরিত্র গঠন– এসব বিষয়ে আমি বাস্তব উপকার পেয়েছি।
খবর ও সমসাময়িক তথ্য, বিশ্বের বিভিন্ন ইসলামী ও শিক্ষাবিষয়ক খবর সংক্ষিপ্ত কিন্তু তথ্যপূর্ণভাবে প্রকাশ করা হয়। এতে সময়ের সঙ্গে নিজেকে আপডেট রাখতে পারি।
আলকাউসারের প্রতিটি সংখ্যা আমার জন্য শিক্ষণীয় এবং আত্মিক উন্নতির উপকরণ। এজন্যই আমি নিয়মিত পড়ি, উপকৃত হই এবং পত্রিকাটির প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা অনুভব করি। আল্লাহ এই পত্রিকায় আরও বরকত, সাফল্য ও প্রসার দান করুন।
–মোহাম্মদ হুসাইন ইবনে শামসুদ্দিন
নওগাঁ, রাজশাহী
সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে আলকাউসার প্রসার ঘটুক
আজ প্রায় দুই বছর যাবৎ আমি আলকাউসার ও শিশু কিশোর পত্রিকার একজন নিয়মিত পাঠক। বাংলাদেশের প্রায় সব জেলায় পত্রিকাটি প্রসার লাভ করেছে। আলহামদু লিল্লাহ পত্রিকাটি পড়ে আমি যেমন উপকৃত হয়েছি, তেমনি আমার পরিবারও অনেক উপকৃত হয়েছে ।
রাজধানীর একটি মাদরাসায় অধ্যয়ন করার সুবাদে পত্রিকাটি আমার পড়ার সুযোগ হয় এবং আমার পরিবারেরও। তবে আজও সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে আলকাউসার প্রসার লাভ করেনি।
আমি আলকাউসার পরিবারের কাছে আশা রাখব, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতেও পত্রিকাটির প্রসার ঘটানোর চেষ্টা করবেন। আল্লাহ তাআলা পত্রিকাটির পথচলা সহজ করুন এবং ব্যাপক প্রসার ঘটান– আমীন।
–মুহাম্মাদ অনি হাসান
জেনারেল শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ কামনা করি
গবেষণামূলক উচ্চতর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মারকাযুদ দাওয়াহ আলইসলামিয়া ঢাকা’র মুখপত্র মাসিক আলকাউসার একটি জ্ঞান ও গবেষণা বিপ্লবের নাম। তার সাথে আমার পথচলা শুরু হয় ২০২১-২২ সনে। তখন আমি শরহে জামি জামাতে অধ্যয়ন করি।
বার্ষিক পরীক্ষা শেষে আমার এক ঘনিষ্ঠ সহপাঠীকে পড়াশোনার ইতি টানার কথা জানাই! তিনি কারণ জানার চেষ্টা করেন এবং অনেক মহতি পরামর্শ দেন। সাথে সাথে ‘তালিবানে ইলম : পথ ও পাথেয়’ বইটি আমার হাতে তুলে দেন।
যেহেতু সামনে রমযানের ছুটি ছিল, পাশাপাশি আমার বই পড়ার আগ্রহ ছিল আকাশচুম্বী, তাই আর কিছু না ভেবে সহপাঠীর দেওয়া বইটা পড়া শুরু করলাম। একপর্যায়ে দেখি, আমার সব প্রশ্ন ও পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়াসহ সব সমস্যার সমাধান তাতে রয়েছে, আলহামদু লিল্লাহ।
অতঃপর আমার উস্তাযগণের পরামর্শক্রমে নব উদ্যমে আবার পড়াশোনা শুরু করি এবং....।
সেই ২০২১ ঈ. থেকে আজ অবধি আমি আলকাউসারের নিয়মিত পাঠক। আমি আলকাউসার পরিবারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞ, বিশেষ করে তার দুই অভিভাবকের প্রতি– বারাকাল্লাহু ফী হায়াতিহিমা।
আলকাউসারের প্রতি কোনো বিশেষ পরামর্শ দেওয়ার প্রয়োজনবোধ করছি না! শুধু এতটুকু বলব, মাদরাসা শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি জেনারেল শিক্ষার্থীদের জন্যও আলকাউসার কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করলে জাতি অনেক বেশি উপকৃত হত। আল্লাহ কবুল করুন।
–মোহাম্মদ উবাইদুল্লাহ
দারুল উলূম হাটহাজারী
প্রতিটি সংখ্যায় নতুন করে উদ্ভাসিত হয় ইসলামী চেতনার দীপ্তি
আলহামদু লিল্লাহ, বর্তমান সময়ে আলকাউসার পত্রিকাটি পুরো বাংলাদেশে এমন এক জাগরণ সৃষ্টি করেছে, যা আলোর মতো ছড়িয়ে পড়ছে মানুষের হৃদয় থেকে হৃদয়ে। এ যেন জ্ঞানের এমন এক প্রদীপ, যার আলো ম্লান হয় না; বরং প্রতিটি সংখ্যার সঙ্গে নতুন করে উদ্ভাসিত হয় ইসলামী চেতনার দীপ্তি।
এটি কেবলমাত্র একটি পত্রিকা নয়; বরং এটি এক বুদ্ধিবৃত্তিক দাওয়াতী আন্দোলন, যা সমাজের প্রতিটি শ্রেণি ও পেশার মানুষের অন্তরে জাগিয়ে তুলছে দ্বীনের প্রতি ভালবাসা, গবেষণার অনুরাগ এবং সঠিক চিন্তার পথ। তালিবুল ইলম থেকে শুরু করে সাধারণ পাঠক পর্যন্ত– সবার জন্যই এতে রয়েছে জ্ঞানের খোরাক, ভাবনার উপাদান এবং আমলের প্রেরণা।
এই পত্রিকার বিষয়বস্তুর পরিধি এতটাই বিস্তৃত যে, আলিয়া ও কওমী মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষিকারা যেমন এখান থেকে পান শিক্ষাদান ও তালীমের উপাদান, তেমনি সাধারণ পাঠকরাও পান জীবনবোধ ও আমলী জাগরণের স্পর্শ। এককথায় আলকাউসার এমন এক আয়না, যেখানে প্রত্যেকে নিজেদের অবস্থান অনুযায়ী দ্বীনের সৌন্দর্য দেখতে পান, প্রতিনিয়ত শিখতে ও দ্বীনের বুঝ লাভ করতে পারেন এবং নিজের জীবনকে ইসলামের আলোয় গড়তে পারেন।
–মুহাম্মাদ মনিরুজ্জামান তালহা