গবেষণামূলক উচ্চতর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মারকাযুদ্ দাওয়াহ আলইসলামিয়া ঢাকা-এর মুখপত্র
আপনি যা জানতে চেয়েছেন
-
২৫৯১ . মুহাম্মাদ রেদওয়ান . হবিগঞ্জ, সিলেটপ্রশ্ন:
এক ওয়াযে শুনেছি, আয়াতুল কুরসীর ব্যাপারে শয়তান নিজেই নাকি বলেছে, শোয়ার আগে এটি পাঠ করলে সকাল পর্যন্ত শয়তান তার কাছে আসতে পারে না। একথা কি হাদীসে আছে? থাকলে তা কি সহীহ হাদীস?
উত্তর:হ্যাঁ, সহীহ হাদীস দ্বারা এ কথা প্রমাণিত। এ সংক্রান্ত পূর্ণ হাদীসটি হল, হযরত আবু হুরায়রা রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে সদকাতুল ফিতরের মাল পাহারা দেওয়ার জন্য নিযুক্ত করলেন। হঠাৎ এক রাতে দেখলাম, অপরিচিত এক লোক সদকাতুল ফিতরের মাল (খাদ্যশস্য) থেকে অঞ্জলিভরে নিয়ে যাচ্ছে। আমি তাকে ধরে ফেললাম। আর বললাম, তোমাকে অবশ্যই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাতে তুলে দিব। লোকটি বলল, দেখুন, আমি অভাবগ্রস্ত। একটি পরিবারের ভরণ-পোষণের দায়িত্ব আমার উপর। আমাকে ছেড়ে দিন। আবু হুরায়রা রা. বলেন, এ কথা শুনে আমি তাকে ছেড়ে দিলাম। সকালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে আবু হুরায়রা! গতকাল রাতে তোমার বন্দীর কী হল? আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! সে বলল, প্রচন্ডভাবে সে অভাবগ্রস্ত। তার পরিবারও রয়েছে। তখন তার প্রতি আমার দয়া হল তাই তাকে ছেড়ে দিয়েছি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সে মিথ্যা বলেছে। আবারো সে আসবে। আমি তখন নিশ্চিত হলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেহেতু বলেছেন সে আসবে তাহলে সে অবশ্যই আসবে। তাই আমি দ্বিতীয় রাতে ওঁৎপেতে থাকলাম। ঠিকই সে দ্বিতীয় রাতে এসে অঞ্জলিভরে খাবার নিতে লাগল। আমি তাকে আবারো ধরলাম। এবং বললাম, তোমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাতে তুলে দিব। সে আবারো একই কথা বলল। আমিও তাকে পূর্বের ন্যায় ছেড়ে দিলাম। সকালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সব শুনে পূর্বের ন্যায় বললেন, সে তোমাকে মিথ্যা বলেছে। আবারো সে আসবে। এভাবে তৃতীয়বার যখন ধরা পড়ল তখন আমি বললাম, এ নিয়ে তিনবার হল। প্রতিবারই তুমি বলেছ আর আসবে না, কিন্তু তুমি আবারো এসেছ। আজ আর তোমাকে ছাড়ব না। তখন সে বলল, আমাকে ছেড়ে দিন। আপনাকে আমি কিছু কালিমা শিখিয়ে দিব, যা পাঠ করলে আল্লাহ তাআলা আপনাকে উপকৃত করবেন। আমি তার কথায় রাজি হয়ে বললাম, সেই কালিমাগুলো কী? সে বলল, আপনি রাতে যখন ঘুমাতে যাবেন তখন শোয়ার আগে আয়াতুল কুরসী পড়বেন। তাহলে সকাল পর্যন্ত আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন হেফাযতকারী আপনার জন্য নিযুক্ত থাকবে এবং শয়তান সকাল পর্যন্ত আপনার নিকট আসতে পারবে না। এরপর আমি তাকে ছেড়ে দিলাম। সকালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সব শুনে বললেন, সে চরম মিথ্যাবাদী। তবে এই কথাটা সত্য বলেছে। তুমি কি জান, গত তিন রাতে কার সাথে কথা বলেছ? আবু হুরায়রা রা. বললেন, না। আমি জানি না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সে ছিল শয়তান।
-সহীহ বুখারী, হাদীস : ২৩১১ -
২৫৯০ . মুহাম্মাদ খাদেমুল ইসলাম . ফরিদাবাদ মাদরাসা, ঢাকাপ্রশ্ন:
সূরা বনী ইসরাইলের ২৩ নং আয়াতে বলা হয়েছে যে, পিতামাতাকে উফ শব্দটি বলা যাবে না। আর বাহ্যত এমনই বোঝা যায়। কিন্তু একজন আলেম বলেছেন, উফ শব্দ বলা যাবে না-এর অর্থ হল পিতামাতাকে এমন কোনো কথা বলা যাবে না, যার কষ্টের কারণে তারা উফ শব্দ বলেন। এ বিষয়ে দলিল-প্রমাণসহ সঠিক সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।
উত্তর:সূরা বনী ইসরাইলের উক্ত আয়াতের তরজমা এবং সঠিক তাফসীর নিম্নে পেশ করা হল।
তরজমা : পিতামাতার কোনো একজন কিংবা উভয়ে যদি তোমার কাছে বার্ধক্যে উপনীত হয় তবে তাদেরকে (উফ) পর্যন্ত বলো না এবং তাদেরকে ধমক দিয়ো না; বরং তাদের সাথে সম্মানজনক কথা বলো।-সূরা বনী ইসরাইল : ২৩
আয়াতের সংক্ষিপ্ত তাফসীর
ইমাম ইবনে জারীর তবারী রাহ. উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন, পিতামাতা উভয় থেকে কিংবা কোনো একজন থেকে কষ্টদায়ক কোনো কিছু দেখলে বিরক্ত হয়ে উফ বলো না।-তাফসীরে তবারী ৮/৫৯
অর্থাৎ আলোচ্য আয়াতে পিতামাতা বার্ধক্যে উপনীত হলে তাদের কোনো আচরণে কষ্ট পেয়ে সন্তানের জন্য উফ বলতে এবং বিরক্তি প্রকাশমূলক কোনো আচরণ করতে নিষেধ করা হয়েছে। এখানে সন্তানকে উফ বলতে নিষেধ করা হয়েছে। আর উফ শব্দ বলে এমন আচরণ বোঝানো হয়েছে, যদ্দারা বিরক্তি প্রকাশ পায়। তাফসীরবিদগণ বলেন, এক্ষেত্রে পিতামাতার কথায় বা কাজে বিরক্ত হয়ে তাদেরকে শুনিয়ে দীর্ঘ শ্বাস নেয়াও এই নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত।-তাফসীরে মাআরিফুল কুরআন ৫/৪৬৬
হযরত আলী রা. থেকে বর্ণিত এক হাদীসে রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, পীড়াদানের ক্ষেত্রে উফ বলার চেয়ে যদি আরো হালকা কোনো শব্দ থাকত তবে তাও উল্লেখ করা হত। (অর্থাৎ উফ শব্দটি তৎকালীন আরবে সর্বনিম্ন স্তরের পীড়াদায়ক শব্দ বলে বিবেচিত হত।)-আলজামিউ লি আহকামিল কুরআন ১০/১৫৯
মোটকথা সন্তানের যে কথা বা কাজে পিতা-মাতা উভয়ে কিংবা কোনো একজন সামান্যতমও কষ্ট পান, সে কথা বা কাজ উক্ত আয়াতে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সুতরাং প্রশ্নোক্ত ব্যাখ্যা সঠিক নয়।
-তাফসীরে তাবারী ৮/৫৯; আলজামিউ লিআহকামিল কুরআন ১০/১৫৯; রুহুল মাআনী ১৫/৫৫; মাআরিফুল কুরআন ৫/৪৬৬; আহকামুল কুরআন, ইবনুল আরাবী ৩/১১৯৮ -
২৫৮৯ . মাওলানা কাওছার হাবীব . রাজশাহীপ্রশ্ন:
বাদ সালাম আরয এই যে, আমি বিগত জানুয়ারি মাসের মাসিক আলকাউসারের প্রশ্নোত্তর বিভাগে ২৩৮৬ নং প্রশ্নের উত্তরে দেখতে পেলাম যে, সেখানে পাঁচ দিনের জন্যও বাইয়ে সালাম সহীহ বলা হয়েছে। উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে বাদায়েউস সানায়ে ও খুলাসাতুল ফাতাওয়ার। সেখানে এ ব্যাপারে শুধু ইমাম কারখী রাহ.-এর মত উল্লেখ আছে। কিন্তু উভয় কিতাবেই এরপরে এর সর্বনিম্ন মেয়াদ এক মাস উল্লেখ করা হয়েছে এবং সে মতটিকে তাসহীহ করা হয়েছে। এ ছাড়া ফিকহের আরো অনেক কিতাবে (যেমন আদ্দুররুল মুখতার, ফাতাওয়া হিন্দিয়া, ফাতহুল কাদীর ইত্যাদি) দেখলাম, এক মাসের মতটিকেই তাসহীহ করা হয়েছে।
সুতরাং ফতওয়া কোন মতের উপর-সেটি জানানোর জন্য অনুরোধ করছি।
আর প্রশ্নে শুধু কয়েকটি শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ বাইয়ে সালাম সহীহ হওয়ার জন্য আরো কিছু শর্ত আছে। অতএব কোন সূত্রে বলা হল যে, উক্ত নিয়মে অগ্রিম বেচা-কেনা বৈধ হবে? আর তা বাইয়ে সালামের অন্তর্ভুক্ত হবে?
উত্তর:আপনার ইলমী প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি ঠিকই বলেছেন। অনেক ফকীহ কর্তৃক বাইয়ে সালামের সর্বনিম্ন মেয়াদ এক মাস হওয়ার বিষয়টিকে তাসহীহ করা হয়েছে। তথাপি আলকাউসারে পাঁচ দিন মেয়াদী সালামকে জায়েয বলা হয়েছে। আলকাউসার মূলত বর্তমান প্রেক্ষাপটে ইমাম তহাভী, ইমাম কারখী, ইমাম জাসসাস প্রমুখ কাদীম ফুকাহায়ে কেরামের মতটিকেই অধিক গ্রহণযোগ্য মনে করেছে। যেটির তাসহীহ করেছেন ছাদরুশ শহীদ ও সাহেবে ফতোয়া সিরাজিয়া প্রমুখ ফকীহগণ। আর এ মতটি গ্রহণ করেছেন এ যুগের আরব আলেম শায়েখ ছিদ্দিক মুহাম্মাদ আমীন আযযারীর এবং হযরত মাওলানা মুহাম্মাদ তাকী উছমানী দামাত বারাকাতুহুম প্রমুখ আলেমগণ।
আর হাকীমুল উম্মত আশরাফ আলী থানভী রাহ. তো এক্ষেত্রে সরাসরি শাফেয়ী মাযহাব অনুযায়ী যেকোনো মেয়াদের জন্য বাইয়ে সালামকে জায়েয বলেছেন।
যেহেতু বাইয়ে সালামের সর্বনিম্ন মেয়াদের বিষয়টি মানসূস আলাইহি নয় এবং বর্তমানে ব্যবসায়ীদের মাঝে স্বল্প মেয়াদী বাইয়ে সালামের ব্যাপক প্রচলন হয়ে গেছে তাই এক্ষেত্রে এক মাসের কম মেয়াদেও বাইয়ে সালাম সহীহ হওয়ার ব্যাপারে যে সকল ফুকাহায়ে কেরাম মত দিয়েছেন তাদের কথার উপর আমল করা এবং ফতোয়া দেওয়ার অবকাশ রয়েছে বলে মনে হয়।
তাঁদের মতামত জানার জন্য নিম্নের কিতাবগুলো দেখা যেতে পারে :
মুখতাছারু ইখতিলাফিল উলামা ৩/৭; আলমুহীতুল বুরহানী ১০/২৭৮; আলবেনায়া ১১/২৬; ফাতাওয়া সিরাজিয়া ১০৬; মাজাল্লা মাজমাউল ফিকহিল ইসলামী, নবম সংখ্যা ১/৩৮৭, ৬৪৩, ৬৫১; ইমদাদুল ফাতাওয়া ৩/২১; ইসলামী বেনকারী কী বুনিয়াদে, মুফতী তাকী উছমানী দামাত বারাকাতুহুম, পৃষ্ঠা : ২০০
আরেকটি বিষয়ে আপনি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তা হল, আলকাউসারের ঐ জবাবে বাইয়ে সালামের সকল শর্ত উল্লেখ করা হয়নি। আসলে বাইয়ে সালামের শর্তগুলো এর পূর্বেও আলকাউসারের একাধিক সংখ্যায় ছেপেছে। এখানে যেহেতু প্রশ্নকারীর জানার মূল বিষয় ছিল মেয়াদের বিষয়টি তাই সকল শর্ত উল্লেখ করা জরুরি মনে করা হয়নি। আপনার পর্যবেক্ষণের জন্য জাযাকাল্লাহু খাইরান।
-
২৫৮৮ . মুহাম্মাদ নুসরাতুল্লাহ . শিমরাইলকান্দি, বি. বাড়িয়াপ্রশ্ন:
আমাদের এলাকায় একটি মসজিদ আছে। সে মসজিদের উন্নয়নের জন্য এক লোক একটি মার্কেট ওয়াকফ করেছে। প্রতি মাসে মার্কেট থেকে ভাড়া বাবদ যে টাকা আসে মসজিদের কাজে ব্যয়ের পরও অনেক টাকা অবশিষ্ট থেকে যায়। যা বর্তমানে এই মসজিদের কোনো প্রয়োজন নেই। তবে ভবিষ্যতে মসজিদ সম্প্রসারণ করলে তখন প্রয়োজন হতে পারে। মুসল্লিদের যাতায়াত সুবিধার্থে মহল্লায় আরেকটি নতুন মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে। নতুন মসজিদের নির্মাণের জন্য প্রচুর টাকা প্রয়োজন। কিন্তু এই নতুন মসজিদের আয়ের নির্দিষ্ট কোনো উৎস নেই। তাই পুরাতন মসজিদের জন্য যে ব্যক্তি মার্কেট ওয়াকফ করেছিল সে চাচ্ছে, পুরাতন মসজিদের খরচের পর মার্কেটের আয়ের অবশিষ্টাংশ নতুন মসজিদের নির্মাণ ও উন্নয়নের জন্য দিয়ে দিতে। মসজিদ কমিটিও এতে রাজি আছে। জানার বিষয় হল, উল্লেখিত অবস্থায় নতুন মসজিদের জন্য পুরাতন মসজিদের মার্কেটের আয়ের অবশিষ্ট অংশ নেওয়া বৈধ হবে কি না? জানিয়ে বাধিত করবেন।
উত্তর:প্রশ্নোক্ত পুরাতন মসজিদের মার্কেটের আয়ের উদ্ধৃত্ত অংশও নতুন মসজিদের জন্য নিতে পারবে না। প্রতিটি মসজিদ স্বতন্ত্র ওয়াকফ প্রতিষ্ঠান। তাই একটির সম্পদ অন্যটিতে ব্যয় করা যাবে না। প্রত্যেক মসজিদের পুরো আয় সে মসজিদের খরচের জন্যই গচ্ছিত রাখতে হবে। বর্তমানে তা প্রয়োজন না হলেও পরবর্তীতে মসজিদের নির্মাণ-সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন কাজে প্রয়োজন হতে পারে। তাই সে টাকা সংরক্ষণ করা জরুরি।
আর নতুন মসজিদের নির্মাণ ও উন্নয়নের জন্য ভিন্ন ব্যবস্থা করা মহল্লাবাসীর ঈমানী দায়িত্ব। এর মাধ্যমে তারা আল্লাহ তাআলার কাছে মহা ছওয়াবের অধিকারী হবেন। হাদীস শরীফে এসেছে, রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহকে রাজি-খুশি করার জন্য মসজিদ নির্মাণ করবে আল্লাহ তাআলা তার জন্য জান্নাতে গৃহ নির্মাণ করবেন।
-সহীহ বুখারী ১/৬৪; আদ্দুররুল মুখতার ৪/৩৬০; ফাতহুল কাদীর ৫/৪৩৬ -
২৫৮৭ . মাওলানা নূরুল্লাহ . মনোহরগঞ্জ, কুমিল্লাপ্রশ্ন:
আমাদের মসজিদের চতুর্দিকের বেড়াগুলো ছিল টিনের। এবার মসজিদ কমিটি সাইডে ওয়াল করার উদ্যোগ নিয়েছে। এ উদ্দেশ্যে মুসল্লিদের কাছ থেকে নগদ টাকা, ইট, সিমেন্ট ইত্যাদি উঠানো হচ্ছে। ইতিমধ্যে মোটামুটি ক্যাশ জমা হয়েছে। কিছুদিন পর মসজিদের কাজ শুরু হবে ইনশাআল্লাহ। কয়েক মাস থেকে মসজিদের জেনারেল ফান্ডে কোনো টাকা নেই। তাই ইমাম-মুয়াযযিনের কয়েক মাসের বেতন বাকি হয়ে গেছে। জানতে চাই, মসজিদ নির্মাণের জন্য উঠানো টাকা থেকে কি ইমাম-মুয়াযযিনের বেতন দেওয়া যাবে?
উত্তর:মসজিদের নির্মাণ কাজের কথা বলে উঠানো টাকা নির্মাণ কাজেই ব্যয় করতে হবে। ঐ টাকা দ্বারা ইমাম-মুয়াযযিনের বেতন দেওয়া জায়েয হবে না।
উল্লেখ্য, ইমাম-মুয়াযযিনের বেতন পরিশোধ করার জন্য মুসল্লিদেরকে সাধারণ ফান্ডে দান করার প্রতি উদ্বুদ্ধ করতে হবে। যেন এ খাত থেকে বেতন-ভাতা দেওয়া যায়।
-ইলামুস সাজিদ ৪০১; আলমুহীতুল বুরহানী ৯/১৩৬; ফাতাওয়া খানিয়া ৩/২৯৭; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ২/৪৬১
সকল বিভাগসমূহ
- সম্পাদকীয়
- বিবেকহীনতা
- অতুলনীয় জীবন অনন্য আদর্শ
- আমরা হব তাঁদের মতো
- যুগের জিজ্ঞাসা
- পথের সন্ধানে
- সাক্ষাৎকার
- অন্য ধারা
- হজ্জ্ব সফরনামা
- গ্রন্থ ও গ্রন্থকার
- প্রচলিত ভুল
- আপনি যা জানতে চেয়েছেন
- হৃদয় থেকে হৃদয়ে
- শিক্ষার্থীদের পাতা
- শিক্ষা পরামর্শ
- শিশু-কিশোর
- পর্দানশীন
- পাঠকের পাতা
- ফিলহাল
- উপলব্ধি
- অশনিসংকেত
- ভাবনা
- নিদর্শন
- হাদীস শরীফের আলো
- ইসলামের পূর্ণাঙ্গতা